বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ার গাবতলীতে টাকা চাওয়ায় পাওনাদারের স্ত্রীকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার ৫দিন পর আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে গাবতলী মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন নির্যাতনের শিকার ওই নারী।
মামলার আসামিরা হলেন উপজেলার কাগইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শফি আহম্মেদ স্বপন (৫০), স্বপনের সহযোগী হারুন (৩৫), সাইদুল ইসলাম (৪০), পিন্টু (৩৫) ও রেজাউল (৩৮)।
গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনাতন সরকার মামলা রেকর্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেন, তাঁর স্বামী আনারুল ইসলাম গাবতলী উপজেলার চককাগইল গ্রামের পিন্টু মিয়ার সঙ্গে রাজমিস্ত্রীর কাজ করেন। সেই সুবাদে ৩ মাস আগে পিন্টু মিয়া তাঁর স্বামীর কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা ধার নেন। ধারের টাকা ফেরত নেওয়ার জন্য পিন্টু মোবাইল ফোনে তাঁকে কাগইল বাজারে যেতে বলেন।
গত ১৩ মার্চ দুপুর ১২টার দিকে তাঁর ভাতিজাকে সঙ্গে নিয়ে কাগইল বাজারে যান। এরপর পিন্টু ও তাঁর সহযোগিরা তাঁদেরকে আওয়ামী লীগ নেতা স্বপনের পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে দুইজনকে দুই ঘরে আটকে রাখেন এবং তাঁর ওপর নির্যাতন চালান। একপর্যায়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে কাগইল ইউনিয়ন বিট পুলিশিং এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম মোবাইল ফোনে ঘটনা শোনেন এবং পুলিশ সেখানে না গিয়ে স্বপনকে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার দায়িত্ব দেন।
অভিযোগে ওই নারী আরও উল্লেখ করেন, সেখান থেকে মুক্ত হয়ে গাবতলী থানায় গেলে পুলিশ একটি অভিযোগ লিখে নেয়। পরদিন এসআই জাহাঙ্গীর ফোন করে মামলা না করে আপোস করে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। আর এ কারনেই মামলা রেকর্ড না করে টালবাহানা শুরু করেন। এদিকে পিন্টু ও তাঁর সহযোগিরা তাঁকে মোবাইলে হুমকি দিতে থাকেন।
বিষয়টি বগুড়ার পুলিশ সুপারকে জানানো হলে পরে গাবতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নিয়াজ মেহেদী নিজে অভিযোগ তদন্ত করে গতকাল রোববার রাতে মামলা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেন। এখনো আসামিদের কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
মামলার বাদীর অভিযোগ, যে পুলিশ কর্মকর্তা (এসআই জাহাঙ্গীর আলম) মামলা না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনিই মামলা তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন। স্বপনের সঙ্গে এসআই জাহাঙ্গীর আলমের সুসম্পর্ক রয়েছে।
জানতে আওয়ামী লীগ নেতা শফি আহম্মেদ স্বপনের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও পাওয়া যায়নি।
গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনাতন সরকার বলেন, ‘আমি নিজে বাদীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। এসআই জাহাঙ্গীর সম্পর্কে তাঁর কোনো অভিযোগ নাই। এ কারণে মামলাটি তাঁকেই তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

বগুড়ার গাবতলীতে টাকা চাওয়ায় পাওনাদারের স্ত্রীকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার ৫দিন পর আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে গাবতলী মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন নির্যাতনের শিকার ওই নারী।
মামলার আসামিরা হলেন উপজেলার কাগইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শফি আহম্মেদ স্বপন (৫০), স্বপনের সহযোগী হারুন (৩৫), সাইদুল ইসলাম (৪০), পিন্টু (৩৫) ও রেজাউল (৩৮)।
গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনাতন সরকার মামলা রেকর্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেন, তাঁর স্বামী আনারুল ইসলাম গাবতলী উপজেলার চককাগইল গ্রামের পিন্টু মিয়ার সঙ্গে রাজমিস্ত্রীর কাজ করেন। সেই সুবাদে ৩ মাস আগে পিন্টু মিয়া তাঁর স্বামীর কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা ধার নেন। ধারের টাকা ফেরত নেওয়ার জন্য পিন্টু মোবাইল ফোনে তাঁকে কাগইল বাজারে যেতে বলেন।
গত ১৩ মার্চ দুপুর ১২টার দিকে তাঁর ভাতিজাকে সঙ্গে নিয়ে কাগইল বাজারে যান। এরপর পিন্টু ও তাঁর সহযোগিরা তাঁদেরকে আওয়ামী লীগ নেতা স্বপনের পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে দুইজনকে দুই ঘরে আটকে রাখেন এবং তাঁর ওপর নির্যাতন চালান। একপর্যায়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে কাগইল ইউনিয়ন বিট পুলিশিং এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম মোবাইল ফোনে ঘটনা শোনেন এবং পুলিশ সেখানে না গিয়ে স্বপনকে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার দায়িত্ব দেন।
অভিযোগে ওই নারী আরও উল্লেখ করেন, সেখান থেকে মুক্ত হয়ে গাবতলী থানায় গেলে পুলিশ একটি অভিযোগ লিখে নেয়। পরদিন এসআই জাহাঙ্গীর ফোন করে মামলা না করে আপোস করে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। আর এ কারনেই মামলা রেকর্ড না করে টালবাহানা শুরু করেন। এদিকে পিন্টু ও তাঁর সহযোগিরা তাঁকে মোবাইলে হুমকি দিতে থাকেন।
বিষয়টি বগুড়ার পুলিশ সুপারকে জানানো হলে পরে গাবতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নিয়াজ মেহেদী নিজে অভিযোগ তদন্ত করে গতকাল রোববার রাতে মামলা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেন। এখনো আসামিদের কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
মামলার বাদীর অভিযোগ, যে পুলিশ কর্মকর্তা (এসআই জাহাঙ্গীর আলম) মামলা না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনিই মামলা তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন। স্বপনের সঙ্গে এসআই জাহাঙ্গীর আলমের সুসম্পর্ক রয়েছে।
জানতে আওয়ামী লীগ নেতা শফি আহম্মেদ স্বপনের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও পাওয়া যায়নি।
গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনাতন সরকার বলেন, ‘আমি নিজে বাদীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। এসআই জাহাঙ্গীর সম্পর্কে তাঁর কোনো অভিযোগ নাই। এ কারণে মামলাটি তাঁকেই তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে