
ঘন কুয়াশায় ভোলার মেঘনা নদীতে দুটি নৌযানের সংঘর্ষে ‘দোলারা’ নামের একটি লবণবাহী ট্রলার ডুবে গেছে। তবে ট্রলারে থাকা সাতজন আরোহীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সদর উপজেলার তুলাতলি পয়েন্ট ও ইলিশবাড়ি-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোন ও নৌ পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে একটি বেসরকারি ডুবুরি দলের সহায়তায় ডুবে যাওয়া ট্রলার উদ্ধারে অভিযান শুরু হয়।
ট্রলারশ্রমিক বিল্লাল হোসেন জানান, গতকাল সকালে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থেকে এমভি দোলারা-৩ ট্রলারে করে প্রায় ৩০০ টন লবণ বোঝাই করে খুলনার জেলখানা ঘাটের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন তাঁরা। পথে চট্টগ্রাম চ্যানেলে দুপুরের খাবার শেষে আবারও যাত্রা শুরু করেন।
রাতে ভোলা সদর উপজেলার তুলাতলি এলাকায় পৌঁছলে হঠাৎ ঘন কুয়াশার মধ্যে পড়ে ট্রলারটি দিগ্ভ্রান্ত হয়ে পড়ে। এ সময় একটি জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ট্রলারের তলায় ফাটল ধরে এবং দ্রুত পানি ঢুকতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ট্রলারটি তীরের দিকে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও কাছাকাছি পৌঁছানোর পর সেটি সম্পূর্ণভাবে ডুবে যায়।
এ সময় ট্রলারে থাকা মাঝি–শ্রমিকসহ সাতজন আরোহী নিরাপদে তীরে উঠে আসতে সক্ষম হন। তবে দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত কিংবা নিখোঁজ হয়নি বলে জানান তাঁরা। ট্রলারটিতে থাকা বিপুল পরিমাণ লবণ নদীতে ডুবে গেছে। এতে আনুমানিক ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ট্রলারের মালিকপক্ষ।
এ বিষয়ে ভোলা নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, উদ্ধারকাজ চলছে। ট্রলারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ২৭৫ টন কাঁচা লবণ ডুবে গেছে, যার মূল্য প্রায় ১৭ লাখ টাকা। ঘন কুয়াশার কারণে অপর জাহাজটিকে কেউ শনাক্ত করতে পারেনি।
ওসি আরও বলেন, ট্রলারের মালিকপক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একসময় স্বস্তি ও নিরাপদ যাত্রার অন্যতম মাধ্যম ছিল ট্রেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ট্রেনযাত্রাই এখন পরিণত হয়েছে ভোগান্তি আর মৃত্যুঝুঁকির যাত্রায়। লাইনচ্যুত হওয়া, ইঞ্জিনে আগুন লাগা কিংবা ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝপথে ট্রেন আটকে পড়া—নিত্যদিনের এসব ঘটনায় আতঙ্ক বাড়ছে যাত্রীদের।
৯ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী পৌরসভার কেন্দ্রীয় লেকের সৌন্দর্যবর্ধনের প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। লেকের মধ্যে নির্মাণাধীন ওয়াকওয়েতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও ত্রুটিপূর্ণ কাজের কারণে গতকাল রোববার অবকাঠামো ধসে পড়ে।
১২ মিনিট আগে
দ্বীপ জেলা ভোলায় বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়ায় (লোডশেডিং) অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রাহকেরা। বিদ্যুতের আবাসিক সংযোগের গ্রাহকেরা শুধু নন, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিল্পকারখানার মালিকেরাও। বিদ্যুৎ না থাকায় বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
১২ মিনিট আগে
যশোরের মনিরামপুরে সরকারি অর্থে দুটি খাল পুনঃখননের পর তীরে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে নিম্নমানের চারা লাগিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) দপ্তরের বিরুদ্ধে।
১৮ মিনিট আগে