খান রফিক, বরিশাল

মা ইলিশ রক্ষায় ১৩ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। কিন্তু বরিশালে বিশেষ করে, হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জে থামানো যাচ্ছে না মা ইলিশনিধন। এর অন্যতম কারণ, নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের জন্য নদ-নদীতে অভিযান চালাতে মৎস্য অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় জনবল ও জলযান না থাকা।
অধিদপ্তরকে জনবল ও জলযান ধার করে অভিযান পরিচালনা করতে হচ্ছে। সেখানেও জেলেদের শক্তিশালী নৌযান এবং সংঘবদ্ধ তৎপরতার সঙ্গে পেরে উঠছেন না অভিযান পরিচালনা। তা ছাড়া এ বছর ইলিশের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র মেঘনাঘেরা হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জে নৌবাহিনীর অবস্থান না থাকায় নির্বিচারে নিধন চলছে মা ইলিশ।
মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের প্রধান হাতিয়ার জনবল ও জলযান দুটি ক্ষেত্রেই তারা অন্য সরকারি দপ্তরের ওপর নির্ভরশীল। সেগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান চালাতে হয়। উপজেলা মৎস্য দপ্তরের জনবল কাঠামো হচ্ছে দুজন কর্মকর্তা ও তিনজন কর্মচারী। সব উপজেলায় এই জনবলও নেই। আর অভিযানের জন্য স্থানীয় ট্রলার ভাড়া নিতে হয়। অনেক সময় ভাড়া করা মাঝিরাই অভিযানে রওনা হওয়ার আগে জেলেদের কাছে খবর পৌঁছে দেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জের অনেক এলাকা আছে, যেখানে উপজেলা সদর থেকে ট্রলারে যেতে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা সময় লেগে যায়। রওনা হওয়ার আগে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আয়োজন শুরু হয় আরও দুই ঘণ্টা আগে। ফলে কোথাও দিনে একবারের বেশি অভিযানে যাওয়া যায় না। অভিযানকারী দল ফিরে এলেই সেখানে নিরাপদে ইলিশ শিকার করেন জেলেরা।
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির বরিশাল বিভাগের সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, ইলিশ ধরার উৎসব চলছে হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জে। গত মাসে টাস্কফোর্স কমিটির সভায় মৎস্য অধিদপ্তর জনবল ও নৌযান-সংকটের কথা বলে নৌবাহিনীর সহায়তা চেয়েছিল। কিন্তু ইলিশের হটস্পট হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জে নৌবাহিনী দিতে পারেনি সরকার। রাতে নজরদারির আহ্বান জানানো হলেও অভিযান করছে না প্রশাসন। মৎস্য অধিদপ্তরে আধুনিক নৌযান নেই। আর ‘শর্ষের মধ্যে ভূত থাকায়’ অভিযানে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই জেলেরা খবর পেয়ে যাচ্ছেন।
এ প্রসঙ্গে কথা হলে হিজলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাজিব রায় বলেন, ‘মেঘনার গভীরে গেলেই হামলার শিকার হতে হচ্ছে। জলদস্যুদের যে বোট তাতে একাধিক ইঞ্জিন বসানো থাকে। তা ছাড়া তারা কয়েকটি দলে একসঙ্গে হামলা করে। এত লোক মোকাবিলা করতে হিমশিম খেতে হয়।’
মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, বিশেষ করে দরিরচর খাজুরিয়ায় কালাবদর নদীতে অল্প ফোর্স নিয়ে গেলে হামলার শিকার হতে হচ্ছে। রাতে সমস্যা হচ্ছে বেশি। সম্প্রতি দরিরচর খাজুরিয়ায় গেলে দল বেঁধে জেলেরা এসে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছেন।
যোগাযোগ করা হলে মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় উপপরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস বলেন, জেলেদের মামলা ও সাজা দিয়ে ইলিশনিধনে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। যত সাজা দেওয়া হচ্ছে, তত হামলার শিকার হতে হচ্ছে। এখন জনসচেতনতাই একমাত্র ভরসা।
নৃপেন্দ্র নাথ জানান, জনবল ঘাটতির পাশাপাশি সময়মতো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাওয়া যায় না। জলযান বলতে প্রতি জেলায় একটি করে স্পিডবোট রয়েছে। ভাড়া করা যান দিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পিরোজপুর ও ঝালকাঠির স্পিডবোট ধারে হিজলায় পাঠানো হয়েছে। তা ছাড়া কেবল জলযান হলেই হবে না, জ্বালানিরও দরকার। সরকারের সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে যতটা সম্ভব তাঁরা কাজ করছেন।

মা ইলিশ রক্ষায় ১৩ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। কিন্তু বরিশালে বিশেষ করে, হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জে থামানো যাচ্ছে না মা ইলিশনিধন। এর অন্যতম কারণ, নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের জন্য নদ-নদীতে অভিযান চালাতে মৎস্য অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় জনবল ও জলযান না থাকা।
অধিদপ্তরকে জনবল ও জলযান ধার করে অভিযান পরিচালনা করতে হচ্ছে। সেখানেও জেলেদের শক্তিশালী নৌযান এবং সংঘবদ্ধ তৎপরতার সঙ্গে পেরে উঠছেন না অভিযান পরিচালনা। তা ছাড়া এ বছর ইলিশের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র মেঘনাঘেরা হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জে নৌবাহিনীর অবস্থান না থাকায় নির্বিচারে নিধন চলছে মা ইলিশ।
মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের প্রধান হাতিয়ার জনবল ও জলযান দুটি ক্ষেত্রেই তারা অন্য সরকারি দপ্তরের ওপর নির্ভরশীল। সেগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান চালাতে হয়। উপজেলা মৎস্য দপ্তরের জনবল কাঠামো হচ্ছে দুজন কর্মকর্তা ও তিনজন কর্মচারী। সব উপজেলায় এই জনবলও নেই। আর অভিযানের জন্য স্থানীয় ট্রলার ভাড়া নিতে হয়। অনেক সময় ভাড়া করা মাঝিরাই অভিযানে রওনা হওয়ার আগে জেলেদের কাছে খবর পৌঁছে দেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জের অনেক এলাকা আছে, যেখানে উপজেলা সদর থেকে ট্রলারে যেতে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা সময় লেগে যায়। রওনা হওয়ার আগে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আয়োজন শুরু হয় আরও দুই ঘণ্টা আগে। ফলে কোথাও দিনে একবারের বেশি অভিযানে যাওয়া যায় না। অভিযানকারী দল ফিরে এলেই সেখানে নিরাপদে ইলিশ শিকার করেন জেলেরা।
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির বরিশাল বিভাগের সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, ইলিশ ধরার উৎসব চলছে হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জে। গত মাসে টাস্কফোর্স কমিটির সভায় মৎস্য অধিদপ্তর জনবল ও নৌযান-সংকটের কথা বলে নৌবাহিনীর সহায়তা চেয়েছিল। কিন্তু ইলিশের হটস্পট হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জে নৌবাহিনী দিতে পারেনি সরকার। রাতে নজরদারির আহ্বান জানানো হলেও অভিযান করছে না প্রশাসন। মৎস্য অধিদপ্তরে আধুনিক নৌযান নেই। আর ‘শর্ষের মধ্যে ভূত থাকায়’ অভিযানে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই জেলেরা খবর পেয়ে যাচ্ছেন।
এ প্রসঙ্গে কথা হলে হিজলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাজিব রায় বলেন, ‘মেঘনার গভীরে গেলেই হামলার শিকার হতে হচ্ছে। জলদস্যুদের যে বোট তাতে একাধিক ইঞ্জিন বসানো থাকে। তা ছাড়া তারা কয়েকটি দলে একসঙ্গে হামলা করে। এত লোক মোকাবিলা করতে হিমশিম খেতে হয়।’
মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, বিশেষ করে দরিরচর খাজুরিয়ায় কালাবদর নদীতে অল্প ফোর্স নিয়ে গেলে হামলার শিকার হতে হচ্ছে। রাতে সমস্যা হচ্ছে বেশি। সম্প্রতি দরিরচর খাজুরিয়ায় গেলে দল বেঁধে জেলেরা এসে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছেন।
যোগাযোগ করা হলে মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় উপপরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস বলেন, জেলেদের মামলা ও সাজা দিয়ে ইলিশনিধনে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। যত সাজা দেওয়া হচ্ছে, তত হামলার শিকার হতে হচ্ছে। এখন জনসচেতনতাই একমাত্র ভরসা।
নৃপেন্দ্র নাথ জানান, জনবল ঘাটতির পাশাপাশি সময়মতো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাওয়া যায় না। জলযান বলতে প্রতি জেলায় একটি করে স্পিডবোট রয়েছে। ভাড়া করা যান দিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পিরোজপুর ও ঝালকাঠির স্পিডবোট ধারে হিজলায় পাঠানো হয়েছে। তা ছাড়া কেবল জলযান হলেই হবে না, জ্বালানিরও দরকার। সরকারের সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে যতটা সম্ভব তাঁরা কাজ করছেন।

শূন্য ভিটার ওপর দাঁড়িয়ে আছে বসতঘরের অবকাঠামো। নেই বেড়া, ছাউনি। বৃষ্টির পানিতে ভিটার মাটি ধুয়ে সমতলে মিশে গেছে অনেক আগে। এসব ঘরে এখন আর মানুষ বসবাস করে না। এমন দৃশ্য নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চর আতাউরের গুচ্ছগ্রামের ঘরগুলোর।
৬ ঘণ্টা আগে
ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে জলাতঙ্কের টিকা সরবরাহ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালের জলাতঙ্ক ইউনিটের দরজায় তালা ঝুলিয়ে সাঁটানো একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ইনজেকশন-র্যাবিস ভ্যাকসিন’ এবং ‘ইনজেকশন-আরআইজি’ সরকারি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের রাউজানে রাজনৈতিক খুনোখুনি থামছেই না। গত ১৬ মাসে উপজেলায় খুন হয়েছেন ১৯ জন। তাঁদের মধ্যে ৮ জন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান (পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং একজন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারী।
৭ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্তে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করার ঘটনা ঘটেছে। পরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাঁদের উদ্ধার করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে