
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার সূর্যমণি ইউনিয়নের এমপিওভুক্ত পূর্ব ইন্দ্রকুল ফিরোজা কামাল বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় ১৯ বছর ধরে নেই কোনো শিক্ষার্থী। এমপিওভুক্ত ওই মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী না থাকলেও শিক্ষকেরা সরকারি বেতন-ভাতা ব্যাংক থেকে নিয়মিত উত্তোলন করছেন। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ খাতাকলমে ২৫০ জন শিক্ষার্থী আছে দাবি করলেও বাস্তবে কোনো শিক্ষার্থীর অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।
মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৪ সালে পূর্ব ইন্দ্রকুল ফিরোজা কামাল বালিকা দাখিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন স্থানীয় আব্দুল মোতালেব মিয়া নামে এক ব্যক্তি। এরপর প্রতিষ্ঠানটি ২০০৪ সালে এমপিওভুক্ত হয়। মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠাতা মোতালেব মিয়াই প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি হিসেবে রয়েছেন। মাদ্রাসার সুপার হিসেব আছেন সভাপতির ছেলের স্ত্রী মাহফুজা আক্তার এবং মেয়ে নুরজাহান রাঢ়ী ইবতেদায়ির শিক্ষক। অপর দুই ছেলে খাইরুল ইসলাম অফিস সহকারী ও সিদ্দিকুর রহমান নৈশপ্রহরী হিসেবে কর্মরত আছেন।
ইবতেদায়ি ও দাখিল দশম পর্যন্ত মাদ্রাসার দায়িত্বে আছেন ১৩ জন। তাঁদের মধ্যে ইবতেদায়িতে চারজন, দাখিলে পাঁচজন শিক্ষক, অফিস সহকারী, আয়া, নৈশপ্রহরী ও দপ্তরিসহ একজন করে মোট ১৩ জন শিক্ষক ও কর্মচারী প্রতি মাসে ২ লাখ ৮ হাজার টাকা বেতনভাতা উত্তোলন করছেন।
গত বুধবার বিকেল ৩টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাদ্রাসা বন্ধ রয়েছে। পরে স্থানীয়দের কাছে সাংবাদিক আসার খবর পেয়ে ছুটে আসেন মাদ্রাসার সুপার ও সভাপতি। বেলা ৩টার সময় মাদ্রাসা বন্ধ কেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তাঁরা বলেন, আজ শিক্ষার্থীদের তাড়াতাড়ি ছুটি দেওয়া হয়েছে। এ কারণে মাদ্রাসা বন্ধ রয়েছে। এরপর তাঁদের অনুমতি নিয়ে মাদ্রাসা সুপারের কক্ষে প্রবেশ করলে দেখা যায়, সুপারের আসবাবপত্র বলতে রয়েছে একটি টেবিলসহ চারটি চেয়ার। নেই কোনো আলমারি কিংবা খাতাপত্র। জাতীয় পতাকা বাঁশের সঙ্গে মুড়িয়ে রাখা হয়েছে। এরপর এক এক কররে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে গিয়ে দেখা যায়, কোনো শিক্ষার্থী যে কক্ষে বসে ক্লাস করে, তার কোনো নমুনা পাওয়া যায়নি। এমনকি কোনো কক্ষেই ছিল না ব্ল্যাকবোর্ড। শিক্ষা উপকরণ যেমন—ডাস্টার, চক কিংবা ব্ল্যাকবোর্ড দেখতে চাইলে সুপার কিছুই দেখাতে পারেননি।
পরদিন বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে মাদ্রাসায় গেলে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানে মাত্র পাঁচজন শিক্ষক উপস্থিত রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দাখিলের দুজন ও ইবতেদায়ির তিনজন। আইরিন বেগম নামে একজন শিক্ষিকা ২০২১ সালের ৭ নভেম্বর শেষ উপস্থিতি স্বাক্ষর করেছেন। এরপর গত ৭ মাস ওই শিক্ষিকার হাজিরা খাতায় আর কোনো স্বাক্ষর নেই। অথচ বেতন-ভাতা সঠিক সময়ে উত্তোলন করেছেন তিনি। অপর শিক্ষকেরা যে যাঁর মতো করে ছুটি কাটাচ্ছেন।
মাদ্রাসার সুপার মাহফুজা আক্তার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘আগে অনেক শিক্ষার্থী ছিল। ২০০৯ সালের পর শিক্ষকদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় আশপাশের এলাকার শিক্ষার্থীরা এ মাদ্রাসায় ভর্তি হয় না। দূরের কিছু শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয়। তাদের এখান থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করিয়ে মাদ্রাসা টিকিয়ে রাখছি।’
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাজমুল হোসাইন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের উপস্থিত না থাকলে কোনো প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত থাকতে পারে না। আমরা তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ পাঠাব।’

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার সূর্যমণি ইউনিয়নের এমপিওভুক্ত পূর্ব ইন্দ্রকুল ফিরোজা কামাল বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় ১৯ বছর ধরে নেই কোনো শিক্ষার্থী। এমপিওভুক্ত ওই মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী না থাকলেও শিক্ষকেরা সরকারি বেতন-ভাতা ব্যাংক থেকে নিয়মিত উত্তোলন করছেন। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ খাতাকলমে ২৫০ জন শিক্ষার্থী আছে দাবি করলেও বাস্তবে কোনো শিক্ষার্থীর অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।
মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৪ সালে পূর্ব ইন্দ্রকুল ফিরোজা কামাল বালিকা দাখিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন স্থানীয় আব্দুল মোতালেব মিয়া নামে এক ব্যক্তি। এরপর প্রতিষ্ঠানটি ২০০৪ সালে এমপিওভুক্ত হয়। মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠাতা মোতালেব মিয়াই প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি হিসেবে রয়েছেন। মাদ্রাসার সুপার হিসেব আছেন সভাপতির ছেলের স্ত্রী মাহফুজা আক্তার এবং মেয়ে নুরজাহান রাঢ়ী ইবতেদায়ির শিক্ষক। অপর দুই ছেলে খাইরুল ইসলাম অফিস সহকারী ও সিদ্দিকুর রহমান নৈশপ্রহরী হিসেবে কর্মরত আছেন।
ইবতেদায়ি ও দাখিল দশম পর্যন্ত মাদ্রাসার দায়িত্বে আছেন ১৩ জন। তাঁদের মধ্যে ইবতেদায়িতে চারজন, দাখিলে পাঁচজন শিক্ষক, অফিস সহকারী, আয়া, নৈশপ্রহরী ও দপ্তরিসহ একজন করে মোট ১৩ জন শিক্ষক ও কর্মচারী প্রতি মাসে ২ লাখ ৮ হাজার টাকা বেতনভাতা উত্তোলন করছেন।
গত বুধবার বিকেল ৩টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাদ্রাসা বন্ধ রয়েছে। পরে স্থানীয়দের কাছে সাংবাদিক আসার খবর পেয়ে ছুটে আসেন মাদ্রাসার সুপার ও সভাপতি। বেলা ৩টার সময় মাদ্রাসা বন্ধ কেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তাঁরা বলেন, আজ শিক্ষার্থীদের তাড়াতাড়ি ছুটি দেওয়া হয়েছে। এ কারণে মাদ্রাসা বন্ধ রয়েছে। এরপর তাঁদের অনুমতি নিয়ে মাদ্রাসা সুপারের কক্ষে প্রবেশ করলে দেখা যায়, সুপারের আসবাবপত্র বলতে রয়েছে একটি টেবিলসহ চারটি চেয়ার। নেই কোনো আলমারি কিংবা খাতাপত্র। জাতীয় পতাকা বাঁশের সঙ্গে মুড়িয়ে রাখা হয়েছে। এরপর এক এক কররে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে গিয়ে দেখা যায়, কোনো শিক্ষার্থী যে কক্ষে বসে ক্লাস করে, তার কোনো নমুনা পাওয়া যায়নি। এমনকি কোনো কক্ষেই ছিল না ব্ল্যাকবোর্ড। শিক্ষা উপকরণ যেমন—ডাস্টার, চক কিংবা ব্ল্যাকবোর্ড দেখতে চাইলে সুপার কিছুই দেখাতে পারেননি।
পরদিন বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে মাদ্রাসায় গেলে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানে মাত্র পাঁচজন শিক্ষক উপস্থিত রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দাখিলের দুজন ও ইবতেদায়ির তিনজন। আইরিন বেগম নামে একজন শিক্ষিকা ২০২১ সালের ৭ নভেম্বর শেষ উপস্থিতি স্বাক্ষর করেছেন। এরপর গত ৭ মাস ওই শিক্ষিকার হাজিরা খাতায় আর কোনো স্বাক্ষর নেই। অথচ বেতন-ভাতা সঠিক সময়ে উত্তোলন করেছেন তিনি। অপর শিক্ষকেরা যে যাঁর মতো করে ছুটি কাটাচ্ছেন।
মাদ্রাসার সুপার মাহফুজা আক্তার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘আগে অনেক শিক্ষার্থী ছিল। ২০০৯ সালের পর শিক্ষকদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় আশপাশের এলাকার শিক্ষার্থীরা এ মাদ্রাসায় ভর্তি হয় না। দূরের কিছু শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয়। তাদের এখান থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করিয়ে মাদ্রাসা টিকিয়ে রাখছি।’
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাজমুল হোসাইন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের উপস্থিত না থাকলে কোনো প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত থাকতে পারে না। আমরা তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ পাঠাব।’

অভিযোগে বলা হয়, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন সহযোগী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এ সকল ব্যক্তি ও দল অতীতে গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার...
১৩ মিনিট আগে
খাদেমুল ইসলাম খুদি এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী দল জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের অনুমোদনে খুদিকে আহ্বায়ক করে
১ ঘণ্টা আগে
ফরিদপুরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও চারটি গুলিসহ মো. জহির মোল্লা (৪২) নামের এক ভুয়া সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে। আজ বুধবার ভোর ৫টার দিকে সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের বসুনরসিংহদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘এই গণভোট শত বছরের দিকনির্দেশনা দেবে। জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে না আসে, আয়নাঘরের মতো নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি না হয়, লুটপাট ও বিদেশে অর্থ পাচার বন্ধ হয়।’
১ ঘণ্টা আগে