নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা অশ্বিনীকুমার দত্তের বাসভবনে ১৯৬৩ সালে গড়ে উঠেছিল সরকারি বরিশাল কলেজ। ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠে নির্মাণ করা হচ্ছে বহুতল ভবন। এর প্রতিবাদে নগরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সোচ্চার হয়ে উঠেছেন।
‘সরকারি বরিশাল কলেজ খেলার মাঠ রক্ষা কমিটি’ মাঠ নষ্ট করে ভবন নির্মাণ যেকোনো মূল্যে ঠেকানোর ঘোষণা দিয়েছে। গতকাল বুধবার কমিটির নেতারা ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেন। একই দাবিতে ১৫ জুলাই মিছিল ও সমাবেশ করা হবে। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেছেন, বারবার বরিশাল কলেজের বুকে আঁচড় লাগানোয় ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে অশ্বিনীকুমারের স্মৃতি।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, শ্রেণিকক্ষের জন্য ছয়তলা নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্যাম্পাসের দক্ষিণ পাশের দেয়াল ঘেঁষে এটি নির্মাণ করা হবে। এতে করে একমাত্র খেলার মাঠটি নষ্ট হয়ে যাবে দাবি তুলে আন্দোলনে নেমেছে স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। অধ্যাপক শাহ সাজেদাকে সভাপতি ও মনীষা চক্রবর্তীকে সদস্যসচিব করে গঠিত হয়েছে ১০১ সদস্যের মাঠ রক্ষা কমিটি।
কমিটি গতকাল ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন করে তিন দফা দাবি তোলে। এগুলো হচ্ছে খেলার মাঠ ধ্বংস করে ভবন নির্মাণ বন্ধ করতে হবে, শ্রেণিকক্ষের সংকট নিরসনে বিকল্প স্থানে ভবন নির্মাণ করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে।
মনীষা চক্রবর্তী বলেন, এখানে বহুতল ভবন হলে খেলার মাঠ থাকবে না। স্মৃতিবিজড়িত তমালগাছটির ওপরও প্রভাব পড়বে। বিকল্প স্থান থাকার পরও মাঠ ধ্বংস করে ভবন নির্মাণের পাঁয়তারা শিক্ষাবান্ধব কর্মকাণ্ড নয়।
এ নিয়ে কথা হলে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বলেন, বরিশাল কলেজের স্মৃতিবিজড়িত তমালগাছ ক্ষতিগ্রস্ত না করেই ভবন করা হবে; যার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টাকা। এটি প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প। তিনি জানান, অন্য জায়গায় ভবন নির্মাণে কলেজের পুকুরের পাশে পর্যাপ্ত জমি নেই।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে কলেজের উপাধ্যক্ষ লতিফা আক্তার বলেন, ‘২৪ বছর ধরে এই কলেজে ভবন হয় না। এখন আমাদের শিক্ষার্থী প্রায় ৮ হাজার। বসার জায়গা নেই। এর আগেও বরাদ্দ সরে গেছে। এই ভবন নির্মাণে আমাদের কিছু করার নেই, সরকার ভবন করছে। এটি মাঠের এক পাশে হবে, তাতে তেমন ক্ষতি হবে না। তা ছাড়া বড় কিছু পেতে হলে একটু তো হারাতেই হবে।’

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা অশ্বিনীকুমার দত্তের বাসভবনে ১৯৬৩ সালে গড়ে উঠেছিল সরকারি বরিশাল কলেজ। ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠে নির্মাণ করা হচ্ছে বহুতল ভবন। এর প্রতিবাদে নগরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সোচ্চার হয়ে উঠেছেন।
‘সরকারি বরিশাল কলেজ খেলার মাঠ রক্ষা কমিটি’ মাঠ নষ্ট করে ভবন নির্মাণ যেকোনো মূল্যে ঠেকানোর ঘোষণা দিয়েছে। গতকাল বুধবার কমিটির নেতারা ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেন। একই দাবিতে ১৫ জুলাই মিছিল ও সমাবেশ করা হবে। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেছেন, বারবার বরিশাল কলেজের বুকে আঁচড় লাগানোয় ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে অশ্বিনীকুমারের স্মৃতি।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, শ্রেণিকক্ষের জন্য ছয়তলা নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্যাম্পাসের দক্ষিণ পাশের দেয়াল ঘেঁষে এটি নির্মাণ করা হবে। এতে করে একমাত্র খেলার মাঠটি নষ্ট হয়ে যাবে দাবি তুলে আন্দোলনে নেমেছে স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। অধ্যাপক শাহ সাজেদাকে সভাপতি ও মনীষা চক্রবর্তীকে সদস্যসচিব করে গঠিত হয়েছে ১০১ সদস্যের মাঠ রক্ষা কমিটি।
কমিটি গতকাল ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন করে তিন দফা দাবি তোলে। এগুলো হচ্ছে খেলার মাঠ ধ্বংস করে ভবন নির্মাণ বন্ধ করতে হবে, শ্রেণিকক্ষের সংকট নিরসনে বিকল্প স্থানে ভবন নির্মাণ করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে।
মনীষা চক্রবর্তী বলেন, এখানে বহুতল ভবন হলে খেলার মাঠ থাকবে না। স্মৃতিবিজড়িত তমালগাছটির ওপরও প্রভাব পড়বে। বিকল্প স্থান থাকার পরও মাঠ ধ্বংস করে ভবন নির্মাণের পাঁয়তারা শিক্ষাবান্ধব কর্মকাণ্ড নয়।
এ নিয়ে কথা হলে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বলেন, বরিশাল কলেজের স্মৃতিবিজড়িত তমালগাছ ক্ষতিগ্রস্ত না করেই ভবন করা হবে; যার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টাকা। এটি প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প। তিনি জানান, অন্য জায়গায় ভবন নির্মাণে কলেজের পুকুরের পাশে পর্যাপ্ত জমি নেই।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে কলেজের উপাধ্যক্ষ লতিফা আক্তার বলেন, ‘২৪ বছর ধরে এই কলেজে ভবন হয় না। এখন আমাদের শিক্ষার্থী প্রায় ৮ হাজার। বসার জায়গা নেই। এর আগেও বরাদ্দ সরে গেছে। এই ভবন নির্মাণে আমাদের কিছু করার নেই, সরকার ভবন করছে। এটি মাঠের এক পাশে হবে, তাতে তেমন ক্ষতি হবে না। তা ছাড়া বড় কিছু পেতে হলে একটু তো হারাতেই হবে।’

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
১৭ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
২১ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২৩ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২৬ মিনিট আগে