মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের প্রত্যন্ত গ্রামে বসবাস করা এক কৃষক সোহাগ মৃধা তার প্রিয় ষাঁড় ‘কালোমানিক’ উপহার দিতে চান বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ষাঁড়টি ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার জন্য ইতিমধ্যে সাজসজ্জাসহ নানা প্রস্তুতি সম্পন্ন করছেন তিনি।
সোহাগ মৃধা উত্তর ঝাটিবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং আমড়াগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির একজন সাধারণ কর্মী। প্রায় ছয় বছর আগে স্থানীয় চৈতা বাজার থেকে একটি ফ্রিজিয়ান জাতের গাভি কেনেন তিনি। সেই গাভির বাচ্চা হিসেবে জন্ম নেয় কালোমানিক। আদর-যত্নে বড় হওয়া এই ষাঁড়ের ওজন এখন প্রায় ৩৫ মণ (প্রায় ১ হাজার ৪০০ কেজি), লম্বায় ১০ ফুট, উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি।
সোহাগ বলেন, ‘আমার বাবা বেলায়েত হোসেন মৃধা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমি নিজেও দলের একজন সাধারণ কর্মী। ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশে যোগ দিয়ে মনে আশা জাগে—দল যদি ঘুরে দাঁড়ায়, প্রিয় নেত্রীকে আমার প্রিয় কালোমানিক উপহার দেব।’
বিএনপির রাজনীতিতে নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করতে তিনি এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানান সোহাগ। ষাঁড়টি ঢাকায় পৌঁছে দিতে এনজিও থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছেন। ৫ জুন ঢাকায় রওনা হবেন বলে জানান তিনি। এ জন্য তিনটি মিনি ট্রাক ভাড়া করা হয়েছে ৬০ হাজার টাকায়। থাকবে বাদক দল, সাউন্ড সিস্টেম এবং অন্তত ৫০ জনের একটি মিছিল। অংশগ্রহণকারীদের জন্য তৈরি হয়েছে একরঙা ক্যাপ, বিশেষ গেঞ্জি ও ধানের শীষ প্রতীকের ব্যানার।
সোহাগের স্ত্রী সুলতানা আক্তার পলি বলেন, ‘ষাঁড়টি আমাদের পরিবারের সদস্যের মতো। ওকে খুব যত্নে বড় করেছি। এখন আমার স্বামী যখন খালেদা জিয়াকে এটি উপহার দিতে চান, আমরা সবাই তা মেনে নিয়েছি। এখন শুধু ঢাকায় যাওয়ার অপেক্ষা।’

মঙ্গলবার সোহাগের বাড়িতে গেলে দেখা যায়, স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ষাঁড়টির সেবা করছেন তিনি। ছেলে জিসান ও মেয়ে জান্নাতি ষাঁড়টির পিঠে উঠে খেলছে। ষাঁড়টি এক নজর দেখতে ভিড় করছেন আশপাশের গ্রামের মানুষ।
আমড়াগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সোহাগ আমাদের দলের একনিষ্ঠ কর্মী। ২০২৩ সালের মহাসমাবেশে অংশগ্রহণের পর থেকেই তার এই ইচ্ছা গড়ে ওঠে। প্রথমে আমরা অনেকেই তা বিশ্বাস করিনি। কিন্তু এখন সে নিজের সিদ্ধান্তে অটল। সে বলছে, ৫ জুন ঢাকায় রওনা হবে।’
উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জের এক কৃষক শেখ হাসিনাকে গরু উপহার দেওয়ার সংবাদ দেখে অনুপ্রাণিত হন সোহাগ। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘এটি ভাইরাল হওয়ার জন্য নয়, আমার আবেগ থেকে করা একটি উদ্যোগ। নেত্রী যদি উপহারটি গ্রহণ করেন, সেটাই হবে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া।’

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের প্রত্যন্ত গ্রামে বসবাস করা এক কৃষক সোহাগ মৃধা তার প্রিয় ষাঁড় ‘কালোমানিক’ উপহার দিতে চান বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ষাঁড়টি ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার জন্য ইতিমধ্যে সাজসজ্জাসহ নানা প্রস্তুতি সম্পন্ন করছেন তিনি।
সোহাগ মৃধা উত্তর ঝাটিবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং আমড়াগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির একজন সাধারণ কর্মী। প্রায় ছয় বছর আগে স্থানীয় চৈতা বাজার থেকে একটি ফ্রিজিয়ান জাতের গাভি কেনেন তিনি। সেই গাভির বাচ্চা হিসেবে জন্ম নেয় কালোমানিক। আদর-যত্নে বড় হওয়া এই ষাঁড়ের ওজন এখন প্রায় ৩৫ মণ (প্রায় ১ হাজার ৪০০ কেজি), লম্বায় ১০ ফুট, উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি।
সোহাগ বলেন, ‘আমার বাবা বেলায়েত হোসেন মৃধা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমি নিজেও দলের একজন সাধারণ কর্মী। ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশে যোগ দিয়ে মনে আশা জাগে—দল যদি ঘুরে দাঁড়ায়, প্রিয় নেত্রীকে আমার প্রিয় কালোমানিক উপহার দেব।’
বিএনপির রাজনীতিতে নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করতে তিনি এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানান সোহাগ। ষাঁড়টি ঢাকায় পৌঁছে দিতে এনজিও থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছেন। ৫ জুন ঢাকায় রওনা হবেন বলে জানান তিনি। এ জন্য তিনটি মিনি ট্রাক ভাড়া করা হয়েছে ৬০ হাজার টাকায়। থাকবে বাদক দল, সাউন্ড সিস্টেম এবং অন্তত ৫০ জনের একটি মিছিল। অংশগ্রহণকারীদের জন্য তৈরি হয়েছে একরঙা ক্যাপ, বিশেষ গেঞ্জি ও ধানের শীষ প্রতীকের ব্যানার।
সোহাগের স্ত্রী সুলতানা আক্তার পলি বলেন, ‘ষাঁড়টি আমাদের পরিবারের সদস্যের মতো। ওকে খুব যত্নে বড় করেছি। এখন আমার স্বামী যখন খালেদা জিয়াকে এটি উপহার দিতে চান, আমরা সবাই তা মেনে নিয়েছি। এখন শুধু ঢাকায় যাওয়ার অপেক্ষা।’

মঙ্গলবার সোহাগের বাড়িতে গেলে দেখা যায়, স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ষাঁড়টির সেবা করছেন তিনি। ছেলে জিসান ও মেয়ে জান্নাতি ষাঁড়টির পিঠে উঠে খেলছে। ষাঁড়টি এক নজর দেখতে ভিড় করছেন আশপাশের গ্রামের মানুষ।
আমড়াগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সোহাগ আমাদের দলের একনিষ্ঠ কর্মী। ২০২৩ সালের মহাসমাবেশে অংশগ্রহণের পর থেকেই তার এই ইচ্ছা গড়ে ওঠে। প্রথমে আমরা অনেকেই তা বিশ্বাস করিনি। কিন্তু এখন সে নিজের সিদ্ধান্তে অটল। সে বলছে, ৫ জুন ঢাকায় রওনা হবে।’
উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জের এক কৃষক শেখ হাসিনাকে গরু উপহার দেওয়ার সংবাদ দেখে অনুপ্রাণিত হন সোহাগ। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘এটি ভাইরাল হওয়ার জন্য নয়, আমার আবেগ থেকে করা একটি উদ্যোগ। নেত্রী যদি উপহারটি গ্রহণ করেন, সেটাই হবে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে