নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশালে স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের সমর্থনে বক্তব্য দিতে গিয়ে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়েছেন সরোয়ার হাওলাদার নামের এক ব্যক্তি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উপস্থিত লোকজন তাঁকে ধরে কোতোয়ালি থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।
জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার দুপুরে নগরের নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি করে ছাত্র-জনতা। বেলা ২টার দিকে ওই ব্যক্তি আন্দোলনকারীদের কাছে যান। তিনি আন্দোলনের সমর্থনে বক্তব্য দিতে আগ্রহের কথা জানান। তাঁকে সুযোগও দেন আন্দোলনকারীরা।
শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনার দুর্দশা ও আন্দোলনের যৌক্তিকতা তুলে ধরে প্রায় ৫ মিনিট বক্তব্য দেন সরোয়ার হাওলাদার। পরে তিনি ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলে বক্তব্য শেষ করেন।
আন্দোলনকারী ছাত্ররা ক্ষুব্ধ হয়ে সরোয়ারকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে আটকে রাখে। তাঁকে একটি দোকানের মধ্যে আটকে নানাভাবে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় সারোয়ার বারবার বলতে থাকেন, তিনি ভুলে এসব কথা বলেছেন। পরে তাঁকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা তামিম নামের একজন বলেন, ‘সরোয়ার তালুকদার নামের ওই ব্যক্তি আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। তিনি স্বাস্থ্য খাত সংস্কারের কথাও বলেছেন। শেষে “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” বলে বক্তব্য শেষ করেন। তখন আমরা তাঁকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিই।’
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, সরোয়ারের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়নি। সরোয়ারের বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলায়।

বরিশালে স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের সমর্থনে বক্তব্য দিতে গিয়ে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়েছেন সরোয়ার হাওলাদার নামের এক ব্যক্তি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উপস্থিত লোকজন তাঁকে ধরে কোতোয়ালি থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।
জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার দুপুরে নগরের নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি করে ছাত্র-জনতা। বেলা ২টার দিকে ওই ব্যক্তি আন্দোলনকারীদের কাছে যান। তিনি আন্দোলনের সমর্থনে বক্তব্য দিতে আগ্রহের কথা জানান। তাঁকে সুযোগও দেন আন্দোলনকারীরা।
শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনার দুর্দশা ও আন্দোলনের যৌক্তিকতা তুলে ধরে প্রায় ৫ মিনিট বক্তব্য দেন সরোয়ার হাওলাদার। পরে তিনি ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলে বক্তব্য শেষ করেন।
আন্দোলনকারী ছাত্ররা ক্ষুব্ধ হয়ে সরোয়ারকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে আটকে রাখে। তাঁকে একটি দোকানের মধ্যে আটকে নানাভাবে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় সারোয়ার বারবার বলতে থাকেন, তিনি ভুলে এসব কথা বলেছেন। পরে তাঁকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা তামিম নামের একজন বলেন, ‘সরোয়ার তালুকদার নামের ওই ব্যক্তি আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। তিনি স্বাস্থ্য খাত সংস্কারের কথাও বলেছেন। শেষে “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” বলে বক্তব্য শেষ করেন। তখন আমরা তাঁকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিই।’
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, সরোয়ারের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়নি। সরোয়ারের বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলায়।

কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমান কলেজ প্রশাসন ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা সেখানে উঠবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর এলাকায় একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় গোগনগরের মসিনাবন্দ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
৩ ঘণ্টা আগে