ভোলা প্রতিনিধি

ভোলার দৌলতখানে চলমান এইচএসসি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। উপজেলার চর খলিফা ইউনিয়নে আজ শুক্রবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিক্ষার্থীর নাম জোবায়ের উদ্দিন জিতু (১৭)। দৌলতখান সরকারি আবি আব্দুল্লাহ কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল সে। দৌলতখান সরকারি উচ্চবিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে নিয়মিত পরিক্ষা দিয়ে আসছিল।
জিতু দৌলতখান উপজেলার দিদার উল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও চরখলিফা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মৃধা বাড়ির জসিমউদ্দিনের একমাত্র ছেলে ও তার ছোট আরও দুই বোন রয়েছে।
আজ বিকেলে কথা হয় জোবায়ের উদ্দিন জিতুর বাবা মো. জসিম উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, চলমান এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম থেকেই জিতুর পরীক্ষা খারাপ হচ্ছিল। প্রতিদিনই পরীক্ষা শেষে এসে ভিষণ মন খারাপ করে থাকত জিতু, খাওয়া দাওয়া তেমন করত না। শুধু বলত, ‘‘বাবা গার্ড কঠিন হয়েছে, পরীক্ষা ভালো দিতে পারিনি।’ ’ প্রতিদিনের মতোই গতকাল বৃহস্পতিবার ইংরেজি পরীক্ষা শেষে বাসায় এসে মন খারাপ করে কান্নাকাটি করতে থাকে জিতু এবং খাওয়া দাওয়া না করে রাতেই ঘুমিয়ে যায় সে।
তিনি জানান, কয়েকদিন অসুস্থ থাকায় পরীক্ষার পড়া তেমন পড়তে পারেনি। এ কারণে পরীক্ষা খারাপ হয় এতেই মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে তার ছেলে জুবায়ের উদ্দিন জিতু।
এ সময় কাঁদতে কাঁদতে তিনি আরও বলেন, ‘আজ সকাল ১০টায় আমি বাসা থেকে বের হই। কিন্তু বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শুনতে পাই আমার বাবাটা আমার ঘরের আড়ার সঙ্গে তার ছোট বোনের ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে, আমার আর কেউ রইল না। আমি সব হারিয়েছি।’ এই বলে আর্তনাদ করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সত্য রঞ্জন খাসকেল ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় এক এইচএসসি পরীক্ষাটি আত্মহত্যা করেছে বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ঘটনাস্থলে দৌলতখান থানা পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভোলার দৌলতখানে চলমান এইচএসসি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। উপজেলার চর খলিফা ইউনিয়নে আজ শুক্রবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিক্ষার্থীর নাম জোবায়ের উদ্দিন জিতু (১৭)। দৌলতখান সরকারি আবি আব্দুল্লাহ কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল সে। দৌলতখান সরকারি উচ্চবিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে নিয়মিত পরিক্ষা দিয়ে আসছিল।
জিতু দৌলতখান উপজেলার দিদার উল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও চরখলিফা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মৃধা বাড়ির জসিমউদ্দিনের একমাত্র ছেলে ও তার ছোট আরও দুই বোন রয়েছে।
আজ বিকেলে কথা হয় জোবায়ের উদ্দিন জিতুর বাবা মো. জসিম উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, চলমান এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম থেকেই জিতুর পরীক্ষা খারাপ হচ্ছিল। প্রতিদিনই পরীক্ষা শেষে এসে ভিষণ মন খারাপ করে থাকত জিতু, খাওয়া দাওয়া তেমন করত না। শুধু বলত, ‘‘বাবা গার্ড কঠিন হয়েছে, পরীক্ষা ভালো দিতে পারিনি।’ ’ প্রতিদিনের মতোই গতকাল বৃহস্পতিবার ইংরেজি পরীক্ষা শেষে বাসায় এসে মন খারাপ করে কান্নাকাটি করতে থাকে জিতু এবং খাওয়া দাওয়া না করে রাতেই ঘুমিয়ে যায় সে।
তিনি জানান, কয়েকদিন অসুস্থ থাকায় পরীক্ষার পড়া তেমন পড়তে পারেনি। এ কারণে পরীক্ষা খারাপ হয় এতেই মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে তার ছেলে জুবায়ের উদ্দিন জিতু।
এ সময় কাঁদতে কাঁদতে তিনি আরও বলেন, ‘আজ সকাল ১০টায় আমি বাসা থেকে বের হই। কিন্তু বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শুনতে পাই আমার বাবাটা আমার ঘরের আড়ার সঙ্গে তার ছোট বোনের ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে, আমার আর কেউ রইল না। আমি সব হারিয়েছি।’ এই বলে আর্তনাদ করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সত্য রঞ্জন খাসকেল ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় এক এইচএসসি পরীক্ষাটি আত্মহত্যা করেছে বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ঘটনাস্থলে দৌলতখান থানা পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে