
আইনজীবীদের ‘টাউট-বাটপার’ বলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা সদস্যসচিব আবুল কালাম আজাদ ইমন। বিচারক মুহম্মদ হাবিবুর রহমান চৌধুরী অভিযুক্ত ফরহাদকে সমন জারির নির্দেশ দেন।
ইমন জানিয়েছেন, ‘একজন সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবে ফরহাদের এমন মন্তব্য শুধু আইনজীবী সমাজ নয়, পুরো দেশের পেশাজীবী সম্প্রদায়কে অপমানিত করেছে। তাঁর বক্তব্যে আমরা ক্ষুব্ধ ও মানহানিকর পরিস্থিতির শিকার হয়েছি। তাই আইনের আশ্রয় নিয়েছি।’
একই কারণে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকন গত রোববার ফরহাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন করেছেন। সেটি আদেশের জন্য রাখা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান ও ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন মনোনয়নপ্রত্যাশী। ৫ নভেম্বর বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নে সেলিমা রহমানের সভায় ফরহাদ বক্তব্যের একপর্যায়ে আইনজীবীরা টাউট-বাটপার বলে মন্তব্য করেন। একটি মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের প্রতারণার কথা উল্লেখ করে ফরহাদ উল্লিখিত মন্তব্যটি করেন। পরে ফরহাদ এ বক্তব্যের জন্য সংবাদ সম্মেলন করে ক্ষমা চান।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ শাহানা আক্তার বলেন, ‘দুই অজ্ঞাত ব্যক্তি বাসায় ঢুকে ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে মুখ চেপে ধরে আমাকে বাথরুমে বন্দী করে রাখে। তখন আমার ছেলে স্কুলে থাকায় বাসায় একা ছিলাম। তারা আমার সন্তানকে বাসার নিচে জিম্মি করা হয়েছে বলে জানায়। এরপর ঘরে থাকা টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে বেরিয়ে যায় তারা দুজন।’
১৪ মিনিট আগে
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই বস্তির আয়না নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে নিয়মিত মাদকের কেনাবেচা চলে। সেখানে মাদকের পাশাপাশি অসামাজিক কার্যকলাপও চলে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় পথচারী ও বাইরে থেকে আসা লোকজনকে আটকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকাপয়সা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করেন স্থানীয়রা।
২৪ মিনিট আগে
স্থানীয়রা জানান, এর আগেও চুরির ঘটনায় নাইম গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করেছেন। কারাগার থেকে বের হওয়ার পর পুনরায় তিনি চুরি-ডাকাতিতে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। জগৎপট্টি, জগন্নাথকাঠি ও শর্ষিনা ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) স্নাতক পর্যায়ে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমে যাচ্ছে। ভর্তির পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, কয়েক বছর বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তিতে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেলেও সর্বশেষ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষে কোনো বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হননি।
৮ ঘণ্টা আগে