পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার পাথরঘাটায় দক্ষিণ স্টেশন কোস্টগার্ডের সোর্স জুয়েলের বিরুদ্ধে ইয়াবা দিয়ে সুমন (২৮) নামে এক যুবককে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বাদুরতলা বাজারে প্রতিবাদ করে স্থানীয় শতাধিক বাসিন্দা। এসময় তারা নিরীহ জেলে সুমনকে ফাঁসানোর অভিযোগে কোস্টগার্ডের সোর্স জুয়েলের বিচার দাবি করেন।
এর আগে বিকেল পাঁচটার দিকে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বাদুরতলা বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে জুয়েলকে আটক করে দক্ষিণ স্টেশন কোস্টগার্ড পাথরঘাটা।
আটক সুমন পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বাদুরতলা এলাকার শাহ আলমের ছেলে। পেশায় একজন জেলে।
অভিযুক্ত কোস্টগার্ডের সোর্স জুয়েল (২৮) পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের গহরপুর এলাকায় জাফর মীরের ছেলে। পাথরঘাটা থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জুয়েল আগে একাধিকবার মাদকসহ আটক হয়েছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কোস্টগার্ডের সোর্স জুয়েল ২০২০ সালের মার্চের ৭ তারিখে ১ কেজি গাঁজাসহ আটক করেছিল কোস্টগার্ড। সেখান থেকে জামিনে বের হয়ে কোস্টগার্ডের সোর্স হয়ে বিভিন্ন জনকে ফাঁসিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ইউনুস ও খলিল আজকের পত্রিকাকে জানান, সুমন পাথরঘাটা থেকে মাছ বিক্রি করে মোটরসাইকেলে বাড়িতে ফেরার পথে জুয়েলের পথ রোধ করে গাড়ি থেকে নামিয়ে পায়ের কাছে ইয়াবা রাখতে গেলে আমরা দেখে ফেলি। এসময় কোস্টগার্ডের গোয়েন্দা কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তখন তাড়াতাড়ি ইয়াবাগুলো উঠিয়ে সুমনের পকেটে রেখে কোস্টগার্ডকে ফোন দিয়ে আটক করায়।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন বলেন, ‘সুমন আমাদের এলাকার নিরীহ ছেলে। সম্প্রতি তার পারিবারিক ঝামেলা নিয়ে খায়রুল নামে এক যুবকের সঙ্গে দ্বন্দ্ব ছিল। এর জেরে খায়রুলের বন্ধু জুয়েল সুমনের পকেটে ইয়াবা দিয়ে তাকে ফাঁসিয়েছে।’
এ বিষয়ে রাত সাড়ে সাতটায় দক্ষিণ স্টেশন কোস্টগার্ড কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে কোস্টগার্ড। সংবাদ সম্মেলনে আটক সুমন নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জুয়েল আমাকে হরিণের চামড়া ও মাদক দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে আসছিল। গত এক মাস আগে আমি এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেছি।’
দক্ষিণ স্টেশন কোস্টগার্ডের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট এম আকতার হোসেন সংবাদ সম্মেলনে জানান, ‘জুয়েল নামে আমাদের কোনো সোর্স নেই। আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেল পাঁচটার দিকে অভিযান চালিয়ে সুমনকে ১০০ পিচ ইয়াবা ও ১৭ হাজার ৭৮২ টাকাসহ আটক করেছি।’

বরগুনার পাথরঘাটায় দক্ষিণ স্টেশন কোস্টগার্ডের সোর্স জুয়েলের বিরুদ্ধে ইয়াবা দিয়ে সুমন (২৮) নামে এক যুবককে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বাদুরতলা বাজারে প্রতিবাদ করে স্থানীয় শতাধিক বাসিন্দা। এসময় তারা নিরীহ জেলে সুমনকে ফাঁসানোর অভিযোগে কোস্টগার্ডের সোর্স জুয়েলের বিচার দাবি করেন।
এর আগে বিকেল পাঁচটার দিকে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বাদুরতলা বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে জুয়েলকে আটক করে দক্ষিণ স্টেশন কোস্টগার্ড পাথরঘাটা।
আটক সুমন পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বাদুরতলা এলাকার শাহ আলমের ছেলে। পেশায় একজন জেলে।
অভিযুক্ত কোস্টগার্ডের সোর্স জুয়েল (২৮) পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের গহরপুর এলাকায় জাফর মীরের ছেলে। পাথরঘাটা থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জুয়েল আগে একাধিকবার মাদকসহ আটক হয়েছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কোস্টগার্ডের সোর্স জুয়েল ২০২০ সালের মার্চের ৭ তারিখে ১ কেজি গাঁজাসহ আটক করেছিল কোস্টগার্ড। সেখান থেকে জামিনে বের হয়ে কোস্টগার্ডের সোর্স হয়ে বিভিন্ন জনকে ফাঁসিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ইউনুস ও খলিল আজকের পত্রিকাকে জানান, সুমন পাথরঘাটা থেকে মাছ বিক্রি করে মোটরসাইকেলে বাড়িতে ফেরার পথে জুয়েলের পথ রোধ করে গাড়ি থেকে নামিয়ে পায়ের কাছে ইয়াবা রাখতে গেলে আমরা দেখে ফেলি। এসময় কোস্টগার্ডের গোয়েন্দা কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তখন তাড়াতাড়ি ইয়াবাগুলো উঠিয়ে সুমনের পকেটে রেখে কোস্টগার্ডকে ফোন দিয়ে আটক করায়।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন বলেন, ‘সুমন আমাদের এলাকার নিরীহ ছেলে। সম্প্রতি তার পারিবারিক ঝামেলা নিয়ে খায়রুল নামে এক যুবকের সঙ্গে দ্বন্দ্ব ছিল। এর জেরে খায়রুলের বন্ধু জুয়েল সুমনের পকেটে ইয়াবা দিয়ে তাকে ফাঁসিয়েছে।’
এ বিষয়ে রাত সাড়ে সাতটায় দক্ষিণ স্টেশন কোস্টগার্ড কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে কোস্টগার্ড। সংবাদ সম্মেলনে আটক সুমন নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জুয়েল আমাকে হরিণের চামড়া ও মাদক দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে আসছিল। গত এক মাস আগে আমি এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেছি।’
দক্ষিণ স্টেশন কোস্টগার্ডের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট এম আকতার হোসেন সংবাদ সম্মেলনে জানান, ‘জুয়েল নামে আমাদের কোনো সোর্স নেই। আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেল পাঁচটার দিকে অভিযান চালিয়ে সুমনকে ১০০ পিচ ইয়াবা ও ১৭ হাজার ৭৮২ টাকাসহ আটক করেছি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে