বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সঙ্গে পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাইয়ের বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দুপুরে পার্বত্য জেলা পরিষদ কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এনসিপির বান্দরবান জেলা সমন্বয় কমিটি গঠনের পর নেতারা চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করতে যান। এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী শহিদুর রহমান সোহেল বলেন, ‘সাক্ষাতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছিল। একপর্যায়ে চেয়ারম্যান বলেন, বান্দরবানে “জুলাই আন্দোলন” নামে কোনো আন্দোলন হয়নি। তিনি আরও অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদ থেকে “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন” নামে কেউ কেউ সুবিধা নিয়েছেন।’
চেয়ারম্যানের এমন মন্তব্যে এনসিপি নেতারা আপত্তি জানান। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে এনসিপি নেতারা ক্ষুব্ধ হয়ে জেলা পরিষদ কার্যালয় ত্যাগ করেন।
সাক্ষাতের সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোহাম্মদ আমান উল্লাহ, এনসিপির জেলা যুগ্ম সমন্বয়কারী লুক চাকমা, আবদুল্লাহ আল মামুনসহ আরও কয়েকজন নেতা।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশে অধ্যাপক থানজামা লুসাইকে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৪ জন।

বান্দরবানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সঙ্গে পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাইয়ের বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দুপুরে পার্বত্য জেলা পরিষদ কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এনসিপির বান্দরবান জেলা সমন্বয় কমিটি গঠনের পর নেতারা চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করতে যান। এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী শহিদুর রহমান সোহেল বলেন, ‘সাক্ষাতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছিল। একপর্যায়ে চেয়ারম্যান বলেন, বান্দরবানে “জুলাই আন্দোলন” নামে কোনো আন্দোলন হয়নি। তিনি আরও অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদ থেকে “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন” নামে কেউ কেউ সুবিধা নিয়েছেন।’
চেয়ারম্যানের এমন মন্তব্যে এনসিপি নেতারা আপত্তি জানান। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে এনসিপি নেতারা ক্ষুব্ধ হয়ে জেলা পরিষদ কার্যালয় ত্যাগ করেন।
সাক্ষাতের সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোহাম্মদ আমান উল্লাহ, এনসিপির জেলা যুগ্ম সমন্বয়কারী লুক চাকমা, আবদুল্লাহ আল মামুনসহ আরও কয়েকজন নেতা।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশে অধ্যাপক থানজামা লুসাইকে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৪ জন।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৭ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৪০ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে