নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

সাদা ব্যান্ডেজে মোড়ানো অংঞাথাইন তঞ্চঙ্গ্যার বাঁ পা ঢেকে রাখা হয়েছে গামছা দিয়ে। পাশে বসে ব্যথা থেকে একটু স্বস্তি দিতে ছেলেকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করছিলেন মা গিইয়াংমা তঞ্চঙ্গ্যা। ছেলেও বারবার চোখ বন্ধ করে ঘুমানোর চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু সেই ঘুম আসছে কোথায়? একটু পর পর ব্যথায় কঁকিয়ে উঠছেন ২৩ বছরের এই তরুণ।
এই অংঞাথাইন তঞ্চঙ্গ্যা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পুঁতে রাখা মাইনের বিস্ফোরণে পা হারানো বাংলাদেশি তরুণ। আজ শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে গিয়ে এভাবেই পাওয়া গেল বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের এই বাসিন্দাকে।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে অংঞাথাইন ও চার যুবক তুমব্রু সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া এলাকায় গরু খুঁজতে যান। একপর্যায়ে মাটিতে পুঁতে রাখা মাইনে পা পড়ে অংঞাথাইনের। সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটে, মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। উড়ে যায় তাঁর বাঁ পায়ের গোড়ালি।
অংঞাথাইনকে উদ্ধার করেন কয়েকজন তরুণ। তাঁদের একজন শামং। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা কোলে করে অংঞাথাইনকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি। পরে প্রথমে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করাই। তবে গুরুতর আহত হওয়ায় তাঁকে শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসি।’
অংঞাথাইনের মা গিইয়াংমা আফসোস করে বলেন, ‘মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে সে দেশের সশস্ত্র বিদ্রোহীদের লড়াই চলছে। আর সেসবের সাতপাঁচে না থেকেও কিনা আমার ছেলেকে পা হারাতে হলো! তাদের কারণে আমার ছেলেটা আর কখনো নিজের পায়ে হাঁটতে পারবে না।’
আর চোখে জল নিয়ে আহত অংঞাথাইন বলেন, ‘গরু খুঁজতে গিয়ে পা-টাই হারালাম। আমরা পাঁচজন গরু খুঁজতে গিয়ে হাঁটছিলাম। সবার সামনে আমি ছিলাম। হঠাৎ বাঁ পা-টা একটি গর্তে পড়তেই বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর আর কিছু জানি না।’
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামীম আহসান বলেন, ‘অংঞাথাইনের বাঁ পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাঁর পায়ে অস্ত্রোপচার হবে। যতটুকু সম্ভব পা রক্ষা করা যায়, ততটুকু চেষ্টা করা হবে।’

সাদা ব্যান্ডেজে মোড়ানো অংঞাথাইন তঞ্চঙ্গ্যার বাঁ পা ঢেকে রাখা হয়েছে গামছা দিয়ে। পাশে বসে ব্যথা থেকে একটু স্বস্তি দিতে ছেলেকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করছিলেন মা গিইয়াংমা তঞ্চঙ্গ্যা। ছেলেও বারবার চোখ বন্ধ করে ঘুমানোর চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু সেই ঘুম আসছে কোথায়? একটু পর পর ব্যথায় কঁকিয়ে উঠছেন ২৩ বছরের এই তরুণ।
এই অংঞাথাইন তঞ্চঙ্গ্যা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পুঁতে রাখা মাইনের বিস্ফোরণে পা হারানো বাংলাদেশি তরুণ। আজ শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে গিয়ে এভাবেই পাওয়া গেল বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের এই বাসিন্দাকে।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে অংঞাথাইন ও চার যুবক তুমব্রু সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া এলাকায় গরু খুঁজতে যান। একপর্যায়ে মাটিতে পুঁতে রাখা মাইনে পা পড়ে অংঞাথাইনের। সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটে, মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। উড়ে যায় তাঁর বাঁ পায়ের গোড়ালি।
অংঞাথাইনকে উদ্ধার করেন কয়েকজন তরুণ। তাঁদের একজন শামং। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা কোলে করে অংঞাথাইনকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি। পরে প্রথমে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করাই। তবে গুরুতর আহত হওয়ায় তাঁকে শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসি।’
অংঞাথাইনের মা গিইয়াংমা আফসোস করে বলেন, ‘মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে সে দেশের সশস্ত্র বিদ্রোহীদের লড়াই চলছে। আর সেসবের সাতপাঁচে না থেকেও কিনা আমার ছেলেকে পা হারাতে হলো! তাদের কারণে আমার ছেলেটা আর কখনো নিজের পায়ে হাঁটতে পারবে না।’
আর চোখে জল নিয়ে আহত অংঞাথাইন বলেন, ‘গরু খুঁজতে গিয়ে পা-টাই হারালাম। আমরা পাঁচজন গরু খুঁজতে গিয়ে হাঁটছিলাম। সবার সামনে আমি ছিলাম। হঠাৎ বাঁ পা-টা একটি গর্তে পড়তেই বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর আর কিছু জানি না।’
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামীম আহসান বলেন, ‘অংঞাথাইনের বাঁ পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাঁর পায়ে অস্ত্রোপচার হবে। যতটুকু সম্ভব পা রক্ষা করা যায়, ততটুকু চেষ্টা করা হবে।’

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৯ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে