বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবান পৌরসভার উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. শামসুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন। গত সোমবার (১৯ জুন) জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর মেয়র পদে অন্য কোনো প্রার্থী না থাকায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হন।
২৬ জুন নির্বাচন কমিশন সরকারিভাবে এ বিষয়ে ফলাফল ঘোষণা করবে বলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো: রেজাউল করিম জানান।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ এপ্রিল বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মো. ইসলাম বেবির মৃত্যুজনিত কারণে নির্বাচন কমিশন ১ জুন মেয়র পদে উপনির্বাচন ঘোষণা করেন। আগামী ১৭ জুলাই পৌরসভাটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ নির্ধারিত হয়েছিল।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জানান, ১৮ জুন মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ তারিখে অন্য কেউ মনোনয়নপত্র জমা না দেওয়া ও
মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে শামসুল ইসলামের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে। এ হিসেবে অন্য কোনো প্রার্থী না থাকায় মো. শামসুল ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হন।
জেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, ছাত্রলীগের রাজনীতিতে শামসুল ইসলামের পথচলা ১৯৯২ সালে, পরে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও বর্তমানে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
এই বিষয়ে শামসুল ইসলাম জানান, বান্দরবান পৌরসভাকে আধুনিক ও পর্যটকবান্ধব পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব। এদিকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শামসুল ইসলাম মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে আনন্দ প্রকাশ করতে দেখা যায়। তিনি চলতি মেয়াদে আড়াই বছর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
উল্লেখ্য, ১৯৮৪ সালে ১৫ দশমিক ৮৮ বর্গকিলোমিটার জায়গা নিয়ে বান্দরবান পৌরসভা ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে গঠিত হলেও ২০০১ সালে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হয়। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত পৌরসভায় বর্তমানে প্রায় ৭৫ হাজার মানুষ বসবাস করে। মোট ভোটার ৩৩ হাজার
৭৪৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৮ হাজার ৬০১ জন, মহিলা ভোটার ১৫ হাজার ১৪৬ জন।

বান্দরবান পৌরসভার উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. শামসুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন। গত সোমবার (১৯ জুন) জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর মেয়র পদে অন্য কোনো প্রার্থী না থাকায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হন।
২৬ জুন নির্বাচন কমিশন সরকারিভাবে এ বিষয়ে ফলাফল ঘোষণা করবে বলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো: রেজাউল করিম জানান।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ এপ্রিল বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মো. ইসলাম বেবির মৃত্যুজনিত কারণে নির্বাচন কমিশন ১ জুন মেয়র পদে উপনির্বাচন ঘোষণা করেন। আগামী ১৭ জুলাই পৌরসভাটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ নির্ধারিত হয়েছিল।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জানান, ১৮ জুন মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ তারিখে অন্য কেউ মনোনয়নপত্র জমা না দেওয়া ও
মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে শামসুল ইসলামের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে। এ হিসেবে অন্য কোনো প্রার্থী না থাকায় মো. শামসুল ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হন।
জেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, ছাত্রলীগের রাজনীতিতে শামসুল ইসলামের পথচলা ১৯৯২ সালে, পরে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও বর্তমানে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
এই বিষয়ে শামসুল ইসলাম জানান, বান্দরবান পৌরসভাকে আধুনিক ও পর্যটকবান্ধব পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব। এদিকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শামসুল ইসলাম মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে আনন্দ প্রকাশ করতে দেখা যায়। তিনি চলতি মেয়াদে আড়াই বছর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
উল্লেখ্য, ১৯৮৪ সালে ১৫ দশমিক ৮৮ বর্গকিলোমিটার জায়গা নিয়ে বান্দরবান পৌরসভা ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে গঠিত হলেও ২০০১ সালে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হয়। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত পৌরসভায় বর্তমানে প্রায় ৭৫ হাজার মানুষ বসবাস করে। মোট ভোটার ৩৩ হাজার
৭৪৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৮ হাজার ৬০১ জন, মহিলা ভোটার ১৫ হাজার ১৪৬ জন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে