বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের ভাটখালী বাজারের ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট আউটলেটে ডাকাতি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের সাড়ে তিন মাসের বেশি সময় পার হলেও রহস্য উদ্ঘাটন হয়নি। এ অবস্থায় নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কিত রয়েছেন ওই বাজারের ব্যবসায়ীরা।
ভাটখালী বাজারের ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট আউটলেটের পরিচালক মো. নাইম রাকিব বলেন, ‘গত ২৮ নভেম্বর দিবাগত রাতে ভাটখালী বাজারের ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট আউটলেটের শাটার ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে নগদ ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা ও ৩ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় ডাকাতেরা। এ ঘটনায় দুবার মোরেলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ঘটনার পরদিন মোরেলগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আশিকুর রহমান ও মোরেলগঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি মো. সাইদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। আউটলেটের সিসি ক্যামেরার ফুটেজও দেওয়া হয় পুলিশকে। কিন্তু এরপর সাড়ে তিন মাস অতিবাহিত হলেও এখনো কোনো কিছুই হয়নি।
বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘বাজারে ২০০-এর মতো ব্যবসায়ী রয়েছেন। বেশির ভাগ ব্যবসায়ী ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট আউটলেট থেকে লেনদেন করি। পাশাপাশি সেখানে সিন্দুক থাকায় কিছু টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্রও রাখতাম। সিসি ক্যামেরা থাকার পরেও এত বড় ঘটনা ঘটল, কিন্তু এত দিনেও ডাকাতেরা শনাক্ত না হওয়ায় আমরা সবাই আতঙ্কে রয়েছি।’
এ বিষয়ে ভাটখালী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তালুকদার ফারুক হোসেন বলেন, পুলিশের তৎপরতা দেখে মনে হয়েছিল যে ডাকাতির ঘটনা উদ্ঘাটিত হবে। কিন্তু এত দিনেও ডাকাতেরা শনাক্ত না হওয়ায় ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন।
মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ সামছউদ্দিন বলেন, ডাকাতির ঘটনায় এজেন্ট আউটলেটের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের ভাটখালী বাজারের ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট আউটলেটে ডাকাতি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের সাড়ে তিন মাসের বেশি সময় পার হলেও রহস্য উদ্ঘাটন হয়নি। এ অবস্থায় নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কিত রয়েছেন ওই বাজারের ব্যবসায়ীরা।
ভাটখালী বাজারের ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট আউটলেটের পরিচালক মো. নাইম রাকিব বলেন, ‘গত ২৮ নভেম্বর দিবাগত রাতে ভাটখালী বাজারের ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট আউটলেটের শাটার ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে নগদ ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা ও ৩ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় ডাকাতেরা। এ ঘটনায় দুবার মোরেলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ঘটনার পরদিন মোরেলগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আশিকুর রহমান ও মোরেলগঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি মো. সাইদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। আউটলেটের সিসি ক্যামেরার ফুটেজও দেওয়া হয় পুলিশকে। কিন্তু এরপর সাড়ে তিন মাস অতিবাহিত হলেও এখনো কোনো কিছুই হয়নি।
বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘বাজারে ২০০-এর মতো ব্যবসায়ী রয়েছেন। বেশির ভাগ ব্যবসায়ী ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট আউটলেট থেকে লেনদেন করি। পাশাপাশি সেখানে সিন্দুক থাকায় কিছু টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্রও রাখতাম। সিসি ক্যামেরা থাকার পরেও এত বড় ঘটনা ঘটল, কিন্তু এত দিনেও ডাকাতেরা শনাক্ত না হওয়ায় আমরা সবাই আতঙ্কে রয়েছি।’
এ বিষয়ে ভাটখালী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তালুকদার ফারুক হোসেন বলেন, পুলিশের তৎপরতা দেখে মনে হয়েছিল যে ডাকাতির ঘটনা উদ্ঘাটিত হবে। কিন্তু এত দিনেও ডাকাতেরা শনাক্ত না হওয়ায় ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন।
মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ সামছউদ্দিন বলেন, ডাকাতির ঘটনায় এজেন্ট আউটলেটের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে