বাগেরহাট প্রতিনিধি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা শনিবার (১২ জুলাই) বাগেরহাটে আসছেন। দলটির জুলাই মাসব্যাপী পদযাত্রা কর্মসূচির অংশ হিসেবে তাঁরা এই সফরে অংশ নিচ্ছেন।
এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার বেলা ২টায় বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ফয়লায় একটি পথসভায় যোগ দেবেন এনসিপির নেতারা। বিকেলে বাগেরহাট শহরের খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত, ‘জুলাই শহীদ’ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং শহরের রেল রোড চত্বরে আরেকটি পথসভায় অংশ নেবেন তাঁরা।
দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা রোববার (১৩ জুলাই) পিরোজপুরের উদ্দেশে রওনা হবেন।
দলটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম সচিব তাসনিম জারা, মুখ্য সমন্বয়ক নাহিদা সারওয়ার নিভা, সিনিয়র মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসুদ, মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, ডা. মাহমুদা মিতুসহ প্রায় ৪০ জন কেন্দ্রীয় নেতা এই সফরে অংশ নিচ্ছেন।
এ ছাড়া কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোল্লা রহমতুল্লাহ, যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনুভা জাবিনসহ এনসিপির বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারাও এই পদযাত্রায় যুক্ত থাকবেন।
এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের আগমন ঘিরে বাগেরহাট জেলা কমিটি সব প্রস্তুতি শেষ করেছে বলে জানিয়েছেন দলটির প্রচার সমন্বয়ক সৈয়দ মোর্শেদ আনোয়ার সোহেল। তিনি বলেন, ‘নেতাদের পদযাত্রা ঘিরে শহর-গ্রামে চলছে মাইকিং, প্রচারণা ও গণসংযোগ। তরুণ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে ফয়লা ও শহর এলাকায় বড় ধরনের গণজমায়েত হবে বলে আশা করছি।’
তিনি আরও জানান, এই সফরের মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সাংগঠনিক কার্যক্রম ও জনসম্পৃক্ততা আরও জোরদার করার লক্ষ্য রয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা শনিবার (১২ জুলাই) বাগেরহাটে আসছেন। দলটির জুলাই মাসব্যাপী পদযাত্রা কর্মসূচির অংশ হিসেবে তাঁরা এই সফরে অংশ নিচ্ছেন।
এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার বেলা ২টায় বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ফয়লায় একটি পথসভায় যোগ দেবেন এনসিপির নেতারা। বিকেলে বাগেরহাট শহরের খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত, ‘জুলাই শহীদ’ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং শহরের রেল রোড চত্বরে আরেকটি পথসভায় অংশ নেবেন তাঁরা।
দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা রোববার (১৩ জুলাই) পিরোজপুরের উদ্দেশে রওনা হবেন।
দলটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম সচিব তাসনিম জারা, মুখ্য সমন্বয়ক নাহিদা সারওয়ার নিভা, সিনিয়র মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসুদ, মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, ডা. মাহমুদা মিতুসহ প্রায় ৪০ জন কেন্দ্রীয় নেতা এই সফরে অংশ নিচ্ছেন।
এ ছাড়া কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোল্লা রহমতুল্লাহ, যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনুভা জাবিনসহ এনসিপির বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারাও এই পদযাত্রায় যুক্ত থাকবেন।
এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের আগমন ঘিরে বাগেরহাট জেলা কমিটি সব প্রস্তুতি শেষ করেছে বলে জানিয়েছেন দলটির প্রচার সমন্বয়ক সৈয়দ মোর্শেদ আনোয়ার সোহেল। তিনি বলেন, ‘নেতাদের পদযাত্রা ঘিরে শহর-গ্রামে চলছে মাইকিং, প্রচারণা ও গণসংযোগ। তরুণ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে ফয়লা ও শহর এলাকায় বড় ধরনের গণজমায়েত হবে বলে আশা করছি।’
তিনি আরও জানান, এই সফরের মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সাংগঠনিক কার্যক্রম ও জনসম্পৃক্ততা আরও জোরদার করার লক্ষ্য রয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে