
কুমিল্লার মুরাদনগরে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার প্রধান আসামি ফজর আলীকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ রোববার ভোর ৫টার দিকে রাজধানীর সায়েদাবাদ এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ফজর আলী কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাহেরচর পাঁচকিত্তা গ্রামের শহীদের ছেলে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খান। তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং আমরা প্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছি।’
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ফজর আলী রাতে ভুক্তভোগীর ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে ওই নারী থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
গ্রেপ্তার ফজর আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের মাধ্যমে রিমান্ড আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আরও খবর পড়ুন:

খুলনা মহনগরীর নিজ খামার এলাকা থেকে ৫টি অস্ত্র, ৯৬টি গুলিসহ সুরাইয়া নামের এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাঁকে আটক করা হয়। আটক ওই নারী সাতক্ষীরা সদর এলাকার বাসিন্দা।
৩৩ মিনিট আগে
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। কিছুক্ষণ পর ডা. রেজওয়ানা রশিদ বাসা থেকে হাসপাতালে এসে পৌঁছান। এ সময় মন্ত্রী তাঁর অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে তিনি ছুটিতে থাকার কথা জানান। তবে ছুটির কোনো অনুমোদিত কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
৩৮ মিনিট আগে
শুক্রবার বিকেলে শিশুটিকে খালি ঘরে রেখে তার মা বাড়ির সামনের মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়েছিলেন। কিছু সময় পর ঘরে এসে দেখেন মেয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে, আর তার নিম্নাঙ্গ থেকে রক্ত ঝরছে। মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার আসামি সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমানকে ধিক্কার জানিয়ে ইমতিয়াজ বলেন, ‘আমার মাসুম বাচ্চাকে দুধ খাওয়া থেকেও তোমরা বঞ্চিত করেছ। আমার স্ত্রী ওই চেয়ারে বসে এক দিনও শান্তি পায়নি।’
২ ঘণ্টা আগে