শহিদুল ইসলাম, শিবালয় (মানিকগঞ্জ)

দীর্ঘ দু দশক পর আবার চালু হয়েছে আরিচা–কাজিরহাট রুটের ফেরি। এর মধ্য দিয়ে চেনা রূপে ফিরতে শুরু করেছে আরিচা ঘাট। নতুন করে প্রাণ পাওয়া এ ঘাট আরিচা-কাজিরহাটসহ দেশের উত্তারাঞ্চলের সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রাণসঞ্চার করেছে।
এক সময় রাজধানী ঢাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের মানুষের আরিচা ঘাট এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। এ কারণে রাজধানী ঢাকার প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত ছিল আরিচা ঘাট। বিভিন্ন যানবাহনের আগণিত যাত্রী, হোটেল-রেস্তোরাঁ, বোর্ডিং, ফেরিওয়ালা, হকারদের সার্বক্ষণিক উপস্থিতিতে গমগম করত ঘাট এলাকা। সারিবদ্ধ বিভিন্ন যানবাহন, ফেরি-লঞ্চের ভেঁপু ও সার্চলাইটের আলো এক অন্য জগতের আবহ তৈরি করত। প্রতি ঈদের আগে-পরে এ ঘাটে যানবাহনের বাড়তি চাপে সৃষ্ট জট দেশজুড়ে আলোড়ন তুলেছে। কোনো-কোনো ক্ষেত্রে যানবাহনের লাইন লম্বা হতে হতে মহাসড়কের ১০–১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হতো। যানজটে আটকে পড়া গাড়িতে সন্তানপ্রসব, মৃত্যু ইত্যাদির ঘটনাও ঘটেছে বহুবার। এই ঘাট এলাকা নিয়েই লেখা হয়েছে বিস্তর গল্প। টেলিভিশনে প্রচারিত অনেক নাটকে আরিচা ঢুকে পড়ত স্বমহিমায়।
এক সময় আরিচা ঘাট ছিল সংবাদমাধ্যমের খবরের অন্যতম জোগানদাতা। যানবাহন সম্পর্কিত বিষয়াদি তো রয়েছেই, ছিল ফেরির তেল চুরি, জুয়া, মাদক পাচার, ছিনতাই, অজ্ঞান পার্টি, পরিবহনে চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের অপকর্মের খবর। এমনকি ঘাট এলাকার রেস্তোরাঁয় খাসির মাংসের বদলে কুকুরের মাংস বিক্রির খবরও বেরিয়েছিল বিভিন্ন পত্রিকায়। মানুষের ভোগান্তি থেকে শুরু করে ঘাট এলাকার নানা রকমারি ঘটনা খবর হয়ে এসেছে বারবার। কিন্তু ১৯৯৮ সালের পর থেকেই চেনা এই চিত্র বদলে যায়।
মানুষের ভোগান্তি কমাতে যমুনা নদীর ওপর ১৯৯৮ সালের জুন মাসে বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হলে বন্ধ হয় আরিচা-নগরবাড়ী রুটের ফেরি সার্ভিস। যমুনার নাব্যতা সংকটে ২০০১ সালের ২২ মার্চ আরিচা ঘাটের লঞ্চ ও ফেরি ঘাট সরিয়ে প্রায় সাত কিলোমিটার ভাটিতে পাটুরিয়া ঘাটে নেওয়া হয়। দক্ষিণাঞ্চলের যানবাহন আরিচার পরিবর্তে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবহার শুরু করে। সে থেকেই এক রকম নিস্তব্ধতা নেমে আসে এ ঘাটে।
বর্তমান সরকার দেশের সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে বিশেষ পদক্ষেপের অংশ হিসেবে চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরায় এ রুটে ফেরি সার্ভিস উদ্বোধন করেন। দুই প্রান্তে দুটি ঘাট ও ছোট-বড় দুটি ফেরি দিয়ে পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে দুটি রোরো ও দুটি কে–টাইপ ফেরিযোগে প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের দুই শতাধিক যানবাহন পারাপার হচ্ছে বলে ফেরি সংস্থা বিআইডব্লিউটিসি জানিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে রাজস্ব পাচ্ছে সরকার। পাশাপাশি রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের উত্তরাঞ্চলের ২৮ জেলার মানুষের সড়কপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ ও মৃতপ্রায় আরিচা ঘাটের নবযাত্রা শুরু হয়েছে।
ঘাট চালুর বিষয়ে আরিচা বন্দর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল লতিফ বলেন, ‘অনেক বছর পর নতুন করে আরিচা রুটে ফেরি সার্ভিস চালুর ফলে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের যানবাহন ও লোকসমাগম বাড়ছে। বাড়তি লোকজনের চাহিদা মেটাতে ঘাট এলাকায় নানা ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীদের কেনা-বেচাও অনেকাংশে বেড়েছে।

দীর্ঘ দু দশক পর আবার চালু হয়েছে আরিচা–কাজিরহাট রুটের ফেরি। এর মধ্য দিয়ে চেনা রূপে ফিরতে শুরু করেছে আরিচা ঘাট। নতুন করে প্রাণ পাওয়া এ ঘাট আরিচা-কাজিরহাটসহ দেশের উত্তারাঞ্চলের সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রাণসঞ্চার করেছে।
এক সময় রাজধানী ঢাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের মানুষের আরিচা ঘাট এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। এ কারণে রাজধানী ঢাকার প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত ছিল আরিচা ঘাট। বিভিন্ন যানবাহনের আগণিত যাত্রী, হোটেল-রেস্তোরাঁ, বোর্ডিং, ফেরিওয়ালা, হকারদের সার্বক্ষণিক উপস্থিতিতে গমগম করত ঘাট এলাকা। সারিবদ্ধ বিভিন্ন যানবাহন, ফেরি-লঞ্চের ভেঁপু ও সার্চলাইটের আলো এক অন্য জগতের আবহ তৈরি করত। প্রতি ঈদের আগে-পরে এ ঘাটে যানবাহনের বাড়তি চাপে সৃষ্ট জট দেশজুড়ে আলোড়ন তুলেছে। কোনো-কোনো ক্ষেত্রে যানবাহনের লাইন লম্বা হতে হতে মহাসড়কের ১০–১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হতো। যানজটে আটকে পড়া গাড়িতে সন্তানপ্রসব, মৃত্যু ইত্যাদির ঘটনাও ঘটেছে বহুবার। এই ঘাট এলাকা নিয়েই লেখা হয়েছে বিস্তর গল্প। টেলিভিশনে প্রচারিত অনেক নাটকে আরিচা ঢুকে পড়ত স্বমহিমায়।
এক সময় আরিচা ঘাট ছিল সংবাদমাধ্যমের খবরের অন্যতম জোগানদাতা। যানবাহন সম্পর্কিত বিষয়াদি তো রয়েছেই, ছিল ফেরির তেল চুরি, জুয়া, মাদক পাচার, ছিনতাই, অজ্ঞান পার্টি, পরিবহনে চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের অপকর্মের খবর। এমনকি ঘাট এলাকার রেস্তোরাঁয় খাসির মাংসের বদলে কুকুরের মাংস বিক্রির খবরও বেরিয়েছিল বিভিন্ন পত্রিকায়। মানুষের ভোগান্তি থেকে শুরু করে ঘাট এলাকার নানা রকমারি ঘটনা খবর হয়ে এসেছে বারবার। কিন্তু ১৯৯৮ সালের পর থেকেই চেনা এই চিত্র বদলে যায়।
মানুষের ভোগান্তি কমাতে যমুনা নদীর ওপর ১৯৯৮ সালের জুন মাসে বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হলে বন্ধ হয় আরিচা-নগরবাড়ী রুটের ফেরি সার্ভিস। যমুনার নাব্যতা সংকটে ২০০১ সালের ২২ মার্চ আরিচা ঘাটের লঞ্চ ও ফেরি ঘাট সরিয়ে প্রায় সাত কিলোমিটার ভাটিতে পাটুরিয়া ঘাটে নেওয়া হয়। দক্ষিণাঞ্চলের যানবাহন আরিচার পরিবর্তে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবহার শুরু করে। সে থেকেই এক রকম নিস্তব্ধতা নেমে আসে এ ঘাটে।
বর্তমান সরকার দেশের সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে বিশেষ পদক্ষেপের অংশ হিসেবে চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরায় এ রুটে ফেরি সার্ভিস উদ্বোধন করেন। দুই প্রান্তে দুটি ঘাট ও ছোট-বড় দুটি ফেরি দিয়ে পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে দুটি রোরো ও দুটি কে–টাইপ ফেরিযোগে প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের দুই শতাধিক যানবাহন পারাপার হচ্ছে বলে ফেরি সংস্থা বিআইডব্লিউটিসি জানিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে রাজস্ব পাচ্ছে সরকার। পাশাপাশি রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের উত্তরাঞ্চলের ২৮ জেলার মানুষের সড়কপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ ও মৃতপ্রায় আরিচা ঘাটের নবযাত্রা শুরু হয়েছে।
ঘাট চালুর বিষয়ে আরিচা বন্দর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল লতিফ বলেন, ‘অনেক বছর পর নতুন করে আরিচা রুটে ফেরি সার্ভিস চালুর ফলে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের যানবাহন ও লোকসমাগম বাড়ছে। বাড়তি লোকজনের চাহিদা মেটাতে ঘাট এলাকায় নানা ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীদের কেনা-বেচাও অনেকাংশে বেড়েছে।

গণ-অভ্যুত্থানের পরও এই গ্যাস সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন অজুহাতে নতুন গ্যাস-সংযোগ বন্ধ থাকলেও তিতাস বিদ্যমান সংযোগগুলোতেও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এমনকি গ্যাস পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও সিন্ডিকেট ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা দখল নিতে করপোরেট প্রতিষ্ঠান কৃত্রিমভাবে গ্যাস-সংকট তৈরি করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ট্রাকচাপায় তাজুল ইসলাম (৪৭) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের সবুজপাড়া এলাকায় কুমিল্লা-মিরপুর সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
সোমবার রাতে নবাবপুর মার্কেট থেকে কাজ শেষে হেঁটে বাসায় ফিরছিলেন ইব্রাহিম। জুরাইন বালুর মাঠ এলাকায় আসার পর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন। খবর পেয়ে রাস্তা থেকে ইব্রাহিমকে উদ্ধার করে প্রথমে আদ-দ্বীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
১ ঘণ্টা আগে
হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মাওলানা মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকার সম্পদ আছে। তাঁর আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা, কৃষি এবং ব্যাংক আমানতের মুনাফা। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
২ ঘণ্টা আগে