Ajker Patrika

বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা-তর্কবিতর্ক: আখতারুজ্জামানের মামলার প্রতিবেদন ১০ নভেম্বর

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৯: ১২
বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা-তর্কবিতর্ক: আখতারুজ্জামানের মামলার প্রতিবেদন ১০ নভেম্বর
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনরত এক নিরাপত্তাকর্মীকে মারধর, সরকারি কাজে বাধা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১০ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর এই তারিখ ধার্য করেন। ঢাকার আদালতের বিমানবন্দর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই আবু বক্কর ছিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলার এজাহার আদালতে উপস্থাপনের পর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১০ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়। মামলাটির তদন্ত করছেন বিমানবন্দর থানার এসআই মাজেদুল ইসলাম।

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিমানবন্দর থানায় মামলাটি করেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, গতকাল মদিনা থেকে জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ সদস্যের একটি দল পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকায় ফেরেন। বিমানবন্দরে নামার পর লাগেজ সংগ্রহের সময় অতিরিক্ত যাত্রীর চাপের কারণে ট্রলি পেতে ভোগান্তি হয়। এ নিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে বিমানবন্দরের কর্মীদের কথা-কাটাকাটি হয়।

এজাহারে বলা হয়েছে, লাগেজ পেতে দেরি হওয়া এবং জমজমের পানি না পাওয়ার বিষয়টি নিয়েও সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়। বিষয়টি জানার পর ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদকে ঘটনাস্থলে যেতে বলেন।

পরে নির্বাহী পরিচালক সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন। এ সময় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান তাঁর সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন এবং হুমকিমূলক ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংসদ সদস্য নির্বাহী পরিচালককে সেখান থেকে সরিয়ে নেন।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার পর আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকেও হুমকি দেন। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজন প্রটোকল সহকারী ঘটনার ভিডিও করছিলেন এবং সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার কথা বলছিলেন।

বিমানবন্দরের কেপিআইভুক্ত এলাকায় ভিডিও ধারণ বন্ধ করতে আখতারুজ্জামানের সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের অনুরোধ করেন নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন। এ সময় তাঁর সঙ্গে আখতারুজ্জামান অশালীন আচরণ করেন এবং একপর্যায়ে ওই নিরাপত্তাকর্মীকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একজন প্রতিনিধি ঘটনাস্থলে গেলে তাঁর সঙ্গেও আখতারুজ্জামান উত্তেজনাপূর্ণ আচরণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই সময় অন্যান্য যাত্রীর সংগ্রহ করা জমজমের পানির বোতল ট্রলি থেকে ফেলে দিয়ে ক্ষতিসাধনের অভিযোগও রয়েছে।

বাদীর অভিযোগ, এসব ঘটনায় বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাকর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ তৈরি হয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত