
সিলেটের সাদাপাথর লুটপাটের ঘটনায় পদ হারানো বিএনপি নেতা সাহাব উদ্দিনকে আরও দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে তাঁকে সিলেট আদালতে আনা হলে কোম্পানীগঞ্জ ভূমি অফিসের দায়ের করা বালু-পাথর চুরির দুটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ জানান, সাহাব উদ্দিনের রিমান্ড শেষে তাঁকে কারাগারে আনা হলে সাদাপাথর চুরির ঘটনায় উপজেলা ভূমি অফিসের দায়ের করা দুই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বিএনপি নেতা সাহাব উদ্দিন সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জের আব্দুল বারীর ছেলে। তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি।
এর আগে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত সোয়া ১১টার দিকে র্যাব-৯-এর একটি দল সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানাধীন কুমারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
উল্লেখ্য, চাঁদাবাজি, দখলবাজির পাশাপাশি বিএনপির নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ১১ আগস্ট সাহাব উদ্দিনের দলীয় পদ স্থগিত করে বিএনপি। তাঁর বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ ও কোতোয়ালি থানায় সাতটি মামলা রয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে