
গণতন্ত্রে বিশ্বাসীরা কখনো অন্য দলের রাজনীতি নিষিদ্ধের কথা বলতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। আজ সোমবার সাতক্ষীরার তালা ফুটবল মাঠে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ছাত্র-যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ মন্তব্য করেন।
অধ্যাপক পরওয়ার বলেন, ‘১৯৯১ সালে কোনো জোট ছাড়া তালা-কলারোয়ায় জামায়াতের প্রার্থী শেখ আনছার আলী বিজয়ী হয়েছিলেন। একসময় মানুষ ভাবত হিন্দু মানে আওয়ামী লীগ, হিন্দু মানে নৌকা। এখন সময় বদলেছে, তালা-কলারোয়ায় হিন্দু মানে দাঁড়িপাল্লা।’
বিএনপির এক নেতার বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি যদি আওয়ামী লীগের মতো জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার কথা বলে, তবে এটি ফ্যাসিস্ট মনোভাবের প্রকাশ। যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, তারা কখনো অন্য দলের রাজনীতি নিষিদ্ধের কথা বলতে পারে না।’
তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতের পোস্টার-লিফলেট ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘জনগণের দোয়া ও সমর্থনে বিজয়ী হতে পারলে আমরা সন্ত্রাস, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত এলাকা গড়ে তুলব। তরুণসমাজকে সঙ্গে নিয়ে মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করব। সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হলে দেশে প্রকৃত সুশাসন ফিরে আসবে।’ সমাবেশে তালা-কলারোয়া আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মাওলানা মো. মফিদুল্লাহর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ, খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, বিভাগীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, জেলা আমির শহীদুল ইসলাম মুকুল, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. মাহমুদুল হক, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক সুজায়েত আলী, শহর শিবিরের সভাপতি আল মামুন ও জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি জুবায়ের হোসেন। সঞ্চালনা করেন উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক ইদ্রিস আলী।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে