ফরিদপুর প্রতিনিধি

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ফরিদপুরের সবচেয়ে বড় পশুর হাট ‘টেপাখোলা হাট’ জমে উঠেছে। তবে ঈদের প্রায় দুই সপ্তাহ আগে হাটটিতে ব্যাপক হারে গরু উঠলেও ক্রেতা ও দাম কম হওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করেছেন ব্যবসায়ী ও খামারিরা। তবে অনেকের প্রত্যাশা, দিন যত ঘনিয়ে আসবে, ততই বাড়বে বিক্রি। এ ছাড়া কম দাম হওয়ায় খুশি ক্রেতারাও।
মঙ্গলবার ছিল সাপ্তাহিক হাট। এদিন দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে ২০ হাজারের বেশি গরু হাটটিতে এসেছে বলে ইজারাদার সূত্রে জানা যায়। বিকালে হাট ঘুরে দেখা যায়, ছোট, বড়, মাঝারি—সব ধরনের গরু এসেছে হাটে, যা আকারভেদে ২০ হাজার থেকে শুরু করে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
হাটের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরাসহ সার্বক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন। এ ছাড়া ইজারাদার কর্তৃক স্বেচ্ছাসেবী, জেলা প্রাণি অফিসের ভেটেনারি চিকিৎসক রয়েছেন। তবে গরুর তুলনায় ক্রেতা কম বলে বিক্রেতারা জানান। আশানুরূপ দাম না পেয়েও হতাশা প্রকাশ করেন তাঁরা।

হাটে সাতটি গরু নিয়ে এসেছেন ব্যবসায়ী সাজ্জাদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘অনেক গরু আসছে, কিন্তু কেনার মানুষ নাই, সবাই শুধু দেখেই চলে যায়। আমার সাতটি গরুর মধ্যে দুটি বিক্রি করতে পেরেছি মাত্র ৩ লাখ ৮০ হাজর টাকায়। এতে সীমিত লাভ হয়েছে।’
ইদ্রিস শেখ নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘গ্রাম থেকে আজকের হাটে দাম কম। আমি তিনটি গরু কিনেছি। তাতে অন্য জায়গায় বিক্রি করলে লাভ হবে।’
হাটের ইজারাদার এম এ সালাম লাল মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজ প্রথম দক্ষিণবঙ্গের সবচেয়ে বড় এই হাট (টেপাখোলা গরুর হাট) জমে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আজ ২০ হাজারের বেশি গরু এসেছে। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় সব ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা হাসিল লাখে ৩ হাজার টাকা নিয়ে থাকি।’
ফরিদপুর প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সঞ্জীব কুমার বিশ্বাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘টেপাখোলা হাটে আমাদের মেডিকেল টিম রয়েছে। পুরো জেলায় ৪০টি হাটে ১৮টি মেডিকেল টিম কাজ করে যাচ্ছে।’

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ফরিদপুরের সবচেয়ে বড় পশুর হাট ‘টেপাখোলা হাট’ জমে উঠেছে। তবে ঈদের প্রায় দুই সপ্তাহ আগে হাটটিতে ব্যাপক হারে গরু উঠলেও ক্রেতা ও দাম কম হওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করেছেন ব্যবসায়ী ও খামারিরা। তবে অনেকের প্রত্যাশা, দিন যত ঘনিয়ে আসবে, ততই বাড়বে বিক্রি। এ ছাড়া কম দাম হওয়ায় খুশি ক্রেতারাও।
মঙ্গলবার ছিল সাপ্তাহিক হাট। এদিন দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে ২০ হাজারের বেশি গরু হাটটিতে এসেছে বলে ইজারাদার সূত্রে জানা যায়। বিকালে হাট ঘুরে দেখা যায়, ছোট, বড়, মাঝারি—সব ধরনের গরু এসেছে হাটে, যা আকারভেদে ২০ হাজার থেকে শুরু করে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
হাটের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরাসহ সার্বক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন। এ ছাড়া ইজারাদার কর্তৃক স্বেচ্ছাসেবী, জেলা প্রাণি অফিসের ভেটেনারি চিকিৎসক রয়েছেন। তবে গরুর তুলনায় ক্রেতা কম বলে বিক্রেতারা জানান। আশানুরূপ দাম না পেয়েও হতাশা প্রকাশ করেন তাঁরা।

হাটে সাতটি গরু নিয়ে এসেছেন ব্যবসায়ী সাজ্জাদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘অনেক গরু আসছে, কিন্তু কেনার মানুষ নাই, সবাই শুধু দেখেই চলে যায়। আমার সাতটি গরুর মধ্যে দুটি বিক্রি করতে পেরেছি মাত্র ৩ লাখ ৮০ হাজর টাকায়। এতে সীমিত লাভ হয়েছে।’
ইদ্রিস শেখ নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘গ্রাম থেকে আজকের হাটে দাম কম। আমি তিনটি গরু কিনেছি। তাতে অন্য জায়গায় বিক্রি করলে লাভ হবে।’
হাটের ইজারাদার এম এ সালাম লাল মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজ প্রথম দক্ষিণবঙ্গের সবচেয়ে বড় এই হাট (টেপাখোলা গরুর হাট) জমে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আজ ২০ হাজারের বেশি গরু এসেছে। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় সব ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা হাসিল লাখে ৩ হাজার টাকা নিয়ে থাকি।’
ফরিদপুর প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সঞ্জীব কুমার বিশ্বাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘টেপাখোলা হাটে আমাদের মেডিকেল টিম রয়েছে। পুরো জেলায় ৪০টি হাটে ১৮টি মেডিকেল টিম কাজ করে যাচ্ছে।’

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
১৭ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
২০ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে