হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর হাতিয়ায় নিঝুম দ্বীপের সি-বিচ এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে সাবেক দুই ইউপি সদস্যসহ মোট ছয়জনের নামে মামলা করেছে প্রশাসন। গতকাল শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে হাতিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন জাহাজমারা ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির।
মামলার আসামিদের মধ্যে অন্যতম হলেন নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আনোয়ার হোসেন, যিনি সম্প্রতি বিলুপ্ত হওয়া কমিটির সভাপতি ছিলেন। অন্যজন হলেন একই কমিটির সহসভাপতি সাহেদ উদ্দিন মেম্বার। এ ছাড়া অন্য আসামিরাও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
জানা যায়, কয়েকদিন ধরে নিঝুম দ্বীপ জাতীয় উদ্যানের নামার বাজার এলাকার সি-বিচ থেকে একটি চক্র অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছিল। তারা সরাসরি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে পাওয়ার টিলারের মাধ্যমে এই বালু তুলে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে আসছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রথমে তাদের বাধা দেওয়া হলেও তারা তা উপেক্ষা করে বালু উত্তোলন চালিয়ে যায়।
পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান চালিয়ে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ড্রেজার মেশিনসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়। এই অবৈধ কাজের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন মামলা দায়ের করেছে।
মামলার আসামি সাহেদ উদ্দিন মেম্বার দাবি করেছেন যে বালু উত্তোলনের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন না। তাঁকে সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে মামলায় আসামি করা হয়েছে। প্রকৃত অপরাধীদের তদন্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন বলেন, হাতিয়ার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা করা হচ্ছে, যা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, নিঝুম দ্বীপ একটি পর্যটন এলাকা। সেখানে সি-বিচ থেকে বালু উত্তোলন করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

নোয়াখালীর হাতিয়ায় নিঝুম দ্বীপের সি-বিচ এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে সাবেক দুই ইউপি সদস্যসহ মোট ছয়জনের নামে মামলা করেছে প্রশাসন। গতকাল শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে হাতিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন জাহাজমারা ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির।
মামলার আসামিদের মধ্যে অন্যতম হলেন নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আনোয়ার হোসেন, যিনি সম্প্রতি বিলুপ্ত হওয়া কমিটির সভাপতি ছিলেন। অন্যজন হলেন একই কমিটির সহসভাপতি সাহেদ উদ্দিন মেম্বার। এ ছাড়া অন্য আসামিরাও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
জানা যায়, কয়েকদিন ধরে নিঝুম দ্বীপ জাতীয় উদ্যানের নামার বাজার এলাকার সি-বিচ থেকে একটি চক্র অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছিল। তারা সরাসরি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে পাওয়ার টিলারের মাধ্যমে এই বালু তুলে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে আসছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রথমে তাদের বাধা দেওয়া হলেও তারা তা উপেক্ষা করে বালু উত্তোলন চালিয়ে যায়।
পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান চালিয়ে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ড্রেজার মেশিনসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়। এই অবৈধ কাজের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন মামলা দায়ের করেছে।
মামলার আসামি সাহেদ উদ্দিন মেম্বার দাবি করেছেন যে বালু উত্তোলনের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন না। তাঁকে সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে মামলায় আসামি করা হয়েছে। প্রকৃত অপরাধীদের তদন্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন বলেন, হাতিয়ার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা করা হচ্ছে, যা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, নিঝুম দ্বীপ একটি পর্যটন এলাকা। সেখানে সি-বিচ থেকে বালু উত্তোলন করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে