নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস ও তাঁর স্ত্রী ফজলুতুন্নেসাসহ ৮ জনের মোট ১৫২টি হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে ১৪১টি ব্যাংক হিসাব ও ১১ বিও হিসাব (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট)। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এই নির্দেশ দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রাকিবুল হায়াত এসব হিসাব অবরুদ্ধ করার আবেদন করেন।
হিসাব অবরুদ্ধের আদেশপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানটির অন্য পরিচালকরা হলেন—গোলাম কুদ্দুসের মেয়ে ফৌজিয়া কামরুন তানিয়া, তাসনিয়া কামরুন আনিকা, ছেলে মোস্তফা কামরুল সোবহান, কামরুলের স্ত্রী শাফিয়া সোবহান, নুর-ই-হাফজা এবং সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সাবেক সিএফও ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদ বিন আমান।
দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, সুপরিকল্পিতভাবে অসৎ উদ্দেশ্যে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির বোর্ড পরিচালক এবং প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাসহ একই পরিবার ৭টি পদ গ্রহণ করেন। পরে একে অন্যের সহায়তায় প্রতারণা ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে জাল চুক্তিনামা, বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের তহবিল থেকে ১৮৭ কোটি ৮৪ লাখ ১৫ হাজার ৯৬৬ টাকা উত্তোলন করে। উত্তোলনকৃত টাকা তাদের নামের বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর ও রূপান্তর করে অর্থপাচারের অপরাধ করেন। সে জন্য তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে গত বছর ২৫ জুলাই মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তদন্তকালে বিশ্বস্তসূত্রে জানা গেছে, আসামিদের মালিকানাধীন এবং তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামের অস্থাবর সম্পদসমূহ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার প্রচেষ্টা করছেন। আসামিদের মালিকানাধীন এবং তাদের অর্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামীয় ব্যাংক হিসাব ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাব বা শেয়ার অবরুদ্ধ করা না হলে বিচারকালে তা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা সম্ভব হবে না। এতে রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, মানি লন্ডারিং আইনে দায়ের করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের মালিকানাধীন এবং তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামীয় ব্যাংক হিসাব ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাব বা শেয়ার (বিও আইডি) অবরুদ্ধ করা একান্ত প্রয়োজন।
জানা গেছে, গত ২৫ জানুয়ারি মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস মৃত্যুবরণ করেছেন।

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস ও তাঁর স্ত্রী ফজলুতুন্নেসাসহ ৮ জনের মোট ১৫২টি হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে ১৪১টি ব্যাংক হিসাব ও ১১ বিও হিসাব (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট)। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এই নির্দেশ দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রাকিবুল হায়াত এসব হিসাব অবরুদ্ধ করার আবেদন করেন।
হিসাব অবরুদ্ধের আদেশপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানটির অন্য পরিচালকরা হলেন—গোলাম কুদ্দুসের মেয়ে ফৌজিয়া কামরুন তানিয়া, তাসনিয়া কামরুন আনিকা, ছেলে মোস্তফা কামরুল সোবহান, কামরুলের স্ত্রী শাফিয়া সোবহান, নুর-ই-হাফজা এবং সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সাবেক সিএফও ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদ বিন আমান।
দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, সুপরিকল্পিতভাবে অসৎ উদ্দেশ্যে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির বোর্ড পরিচালক এবং প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাসহ একই পরিবার ৭টি পদ গ্রহণ করেন। পরে একে অন্যের সহায়তায় প্রতারণা ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে জাল চুক্তিনামা, বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের তহবিল থেকে ১৮৭ কোটি ৮৪ লাখ ১৫ হাজার ৯৬৬ টাকা উত্তোলন করে। উত্তোলনকৃত টাকা তাদের নামের বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর ও রূপান্তর করে অর্থপাচারের অপরাধ করেন। সে জন্য তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে গত বছর ২৫ জুলাই মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তদন্তকালে বিশ্বস্তসূত্রে জানা গেছে, আসামিদের মালিকানাধীন এবং তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামের অস্থাবর সম্পদসমূহ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার প্রচেষ্টা করছেন। আসামিদের মালিকানাধীন এবং তাদের অর্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামীয় ব্যাংক হিসাব ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাব বা শেয়ার অবরুদ্ধ করা না হলে বিচারকালে তা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা সম্ভব হবে না। এতে রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, মানি লন্ডারিং আইনে দায়ের করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের মালিকানাধীন এবং তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামীয় ব্যাংক হিসাব ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাব বা শেয়ার (বিও আইডি) অবরুদ্ধ করা একান্ত প্রয়োজন।
জানা গেছে, গত ২৫ জানুয়ারি মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস মৃত্যুবরণ করেছেন।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
৬ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১১ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তাছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
২৪ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩১ মিনিট আগে