
রাজশাহীর তানোরে পুত্রবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকালে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। উপজেলার কলমা ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।
গত বুধবার ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা জানাজানি হলে গতকাল শুক্রবার বিকেলে এলাকাবাসী ওই ব্যক্তির বাড়ি ঘেরাও করে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁকে হেফাজতে নেয়। পরে ছেলে বাদী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা করে।
মামলার এজাহারের বর্ণনা অনুযায়ী, গত বুধবার সকালে কাজে বের হন অভিযুক্ত ব্যক্তির নির্মাণশ্রমিক ছেলে। সকাল ১০টার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তি ছেলের বউকে নিজের ঘরে ডেকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ওই নারী কোনোমতে পালিয়ে বাবার বাড়ি চলে যান। গতকাল ছেলে শ্বশুরবাড়ি যান স্ত্রীকে নিয়ে আসতে।
এ সময় তিনি স্ত্রীর কাছ থেকে ঘটনা জানতে পেরে বাড়ি ফিরে বাবার সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান। এ সময় আশপাশের মানুষ ঘটনা জেনে গিয়ে বাড়ি ঘেরাও করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ সেই বাড়িতে হাজির হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন যে, তাঁর ছেলের স্ত্রীর মন খারাপ দেখে তিনি তাঁকে ঘরে ডেকেছিলেন। কথা বলার একপর্যায়ে তাঁর হাত ধরেছিলেন। ধর্ষণের চেষ্টা করেননি বলে তিনি দাবি করেছেন।
ওসি আরও বলেন, তাঁর ছেলের স্ত্রীর দাবি যে, তাঁকে শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। ছেলেও বাবার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ওই ব্যক্তিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

নীলফামারীর ডোমারে ট্রাক ও মিথিলা গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় মিথিলা গাড়ির চালক ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে নিয়ন্ত্রণ হারানো ট্রাকের ধাক্কায় আহত এক পথচারীকেও হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত ঘোষণা করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার কিছু আগে উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়নের তিনবিঘা করিডর সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রংপুর-৫১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিউর রহমান বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন।
১ ঘণ্টা আগে
মানিকগঞ্জে এক নারীর ছবি বিকৃত করে অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
শফিকুল ইসলাম বলেন, চক্রের সদস্যরা নিজেদের কখনো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কখনো রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি কিংবা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির আত্মীয় পরিচয় দিতেন। এভাবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হতো। তিনি বলেন, প্রতারণার কাজে তাঁরা
১ ঘণ্টা আগে