মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরার আলোচিত শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার সাক্ষ্য ও যুক্তি-তর্ক গ্রহণ শেষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসানের আদালতে এই যুক্তিতর্ক গ্রহণ শেষ হয়। এর আগে মামলার বাদীসহ মোট ২৯ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয় গত ৮ মে পর্যন্ত। মামলার রায় আগামী ১৭ মে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাবলিক প্রসিকিউটর (এটর্নি জেনারেল মর্যাদার) এহসানুল হক সমাজী।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী বলেন, ‘আদালতে মেডিকেল রিপোর্টসহ সব দালিলিক প্রমাণ হাজির করা হয়েছে। আসামিদের বিপক্ষে আনা সব অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আমরা আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছি আদালতের কাছে। আদালত আগামী ১৭ মে মামলার রায় দেবে বলে জানিয়েছেন।’
এর আগে সকাল ১০টার দিকে যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়ে শেষ হয় ১১টা ৩৫ মিনিটে।
এ মামলায় ১৩ এপ্রিল পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচারকাজ শুরু হয়।
গত ১ মার্চ বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে ৫ মার্চ দিবাগত রাতে শিশুটি ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার শিকার হয়। শিশুটির বড় বোনের স্বামী ও শ্বশুর তাকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শিশুটি মারা যায়। এ ঘটনায় শিশুর মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন ৮ মার্চ। ঘটনাটি দেশব্যাপী আলোচনার সৃষ্টি করে।

মাগুরার আলোচিত শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার সাক্ষ্য ও যুক্তি-তর্ক গ্রহণ শেষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসানের আদালতে এই যুক্তিতর্ক গ্রহণ শেষ হয়। এর আগে মামলার বাদীসহ মোট ২৯ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয় গত ৮ মে পর্যন্ত। মামলার রায় আগামী ১৭ মে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাবলিক প্রসিকিউটর (এটর্নি জেনারেল মর্যাদার) এহসানুল হক সমাজী।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী বলেন, ‘আদালতে মেডিকেল রিপোর্টসহ সব দালিলিক প্রমাণ হাজির করা হয়েছে। আসামিদের বিপক্ষে আনা সব অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আমরা আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছি আদালতের কাছে। আদালত আগামী ১৭ মে মামলার রায় দেবে বলে জানিয়েছেন।’
এর আগে সকাল ১০টার দিকে যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়ে শেষ হয় ১১টা ৩৫ মিনিটে।
এ মামলায় ১৩ এপ্রিল পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচারকাজ শুরু হয়।
গত ১ মার্চ বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে ৫ মার্চ দিবাগত রাতে শিশুটি ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার শিকার হয়। শিশুটির বড় বোনের স্বামী ও শ্বশুর তাকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শিশুটি মারা যায়। এ ঘটনায় শিশুর মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন ৮ মার্চ। ঘটনাটি দেশব্যাপী আলোচনার সৃষ্টি করে।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
১৫ মিনিট আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে