
মাসিক বেতন-ভাতা তিন গুণ বৃদ্ধি এবং সরকারি কর্মচারী হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির দাবিতে জয়পুরহাটে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন শাখা ডাকঘর কর্মচারীরা। আজ বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি হয়। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার থেকে লাগাতার ধর্মঘট শুরু করেছেন তাঁরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজারে চাল, ডাল, তেলসহ প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আকাশছোঁয়া। অন্যদিকে একজন ডাকঘর কর্মচারী মাসিক মাত্র ৪ হাজার ৪৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা সম্মানী পান। এই যৎসামান্য টাকায় বর্তমান যুগে কোনোভাবেই পরিবার-পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। বক্তারা বলেন, বছরের পর বছর দিনরাত রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সেবা দিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত তাঁদের সরকারি কর্মচারী হিসেবে কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। এই বৈষম্য দূর করতে তাঁরা বর্তমান সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বাংলাদেশ এক্স-অফিসিও ডাকঘর কর্মচারী দাবি আদায় আন্দোলন জয়পুরহাট জেলা শাখার ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের জেলা সভাপতি জাহেদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম এবং সহসাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হকসহ অন্য নেতারা। তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বেতন তিন গুণ বৃদ্ধি এবং সরকারি স্বীকৃতির মতো মৌলিক দাবিগুলো অবিলম্বে মানা না হলে সারা দেশের ডাক যোগাযোগব্যবস্থা সম্পূর্ণ অচল করে দেওয়াসহ আরও কঠোর ও বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।

দেশের অন্যান্য শিল্পাঞ্চলের মতো গ্যাস-সংকটে ভুগছে নরসিংদীর শিল্পাঞ্চল। কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রয়োজনের তুলনায় গ্যাস সরবরাহ ৬০-৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম। ফলে গত দুই সপ্তাহে নরসিংদীর কোনো কোনো কারখানায় উৎপাদন ৭০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
আমন মৌসুম শুরু হয়েছে। কৃষকেরা জমি প্রস্তুত করছেন। বীজতলা থেকে চারা তোলা হচ্ছে। কোথাও কোথাও চারা রোপণও শুরু হয়েছে। তবে কৃষকেরা সারের দোকানে গিয়ে সার পাচ্ছেন না। ডিলাররা বলছেন, চাহিদার তুলনায় বিসিআইসি ও বিএডিসি তাঁদেরকে সার সরবরাহ করছে না।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীতে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। নগরীর পাঁচটি এলাকায় এডিস মশার প্রজনন নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপে ব্রেটো সূচক ৬১ দশমিক ৩৩ পাওয়া গেছে, যেখানে ২০-এর বেশি সূচককে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
নান্দাইল-হোসেনপুর-পাকুন্দিয়া পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার সড়কটি খানাখন্দে ভরে গেছে। ভাঙাচোরা আর অপ্রশস্ত সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা। আধা ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে দেড়-দুই ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে তাঁদের।
৩ ঘণ্টা আগে