ফরিদপুর প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। হলফনামা অনুযায়ী, জেলার প্রার্থীদের মধ্যে সামগ্রিকভাবে বার্ষিক আয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি-সমর্থিতরা।
ফরিদপুর-১
আসনটিতে সাত প্রার্থীর মধ্যে দুজন কোটিপতি। জেলার সবচেয়ে ধনী প্রার্থী তিনবারের সিআইপি, রাজ্জাক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল বাসার খান স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করছেন। তাঁর বার্ষিক আয় ১ কোটি ৩৯ লাখ ৯০ হাজার ৩১৬ টাকা। নগদ অর্থ আছে ৩ কোটি ১৪ লাখ ৭ হাজার ৭১১ টাকার। ১ হাজার ৬০০ শতক জমি রয়েছে। এগুলোর দাম দেখানো হয়েছে প্রায় ২ কোটি টাকা।
জেলায় কোটিপতি প্রার্থীর তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন একই আসনে জামায়াত-সমর্থিত ড. মো. ইলিয়াস মোল্যা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সাবেক এই চেয়ারম্যানের বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৬ টাকা। অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ২ কোটি ৬৪ লাখ ৮১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮১ হাজার ৭৬০ টাকা। স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ৪৬ লাখ ৫ হাজার এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য সাড়ে ৩ কোটি টাকা।
বিএনপির প্রার্থী কৃষক দলের সহসভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলামের বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। যদিও হলফনামায় সম্পদের সঠিক তথ্য না থাকায় যাচাই-বাছাইয়ে প্রাথমিকভাবে তাঁর মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছিল। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরের বার্ষিক আয় ১০ লাখ ৭০ হাজার ১৪৯ টাকা। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মাদ শরাফাতের বার্ষিক আয় ৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৮০ টাকা।
ফরিদপুর-২
জেলায় কোটিপতি প্রার্থীর তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন এই আসনে বিএনপি-সমর্থিত শামা ওবায়েদ ইসলাম। ভোটে অংশ নিতে গত ২০ নভেম্বর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন। তাঁর বার্ষিক আয় ২১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১ টাকা। অস্থাবর সম্পত্তির অর্জনকালীন মূল্য ৩ কোটি ৬২ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৬ টাকা এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৪ কোটি ৩৭ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৬ টাকা। স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ৬ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৯ কোটি টাকা। আয়কর রিটার্নে ১০ কোটি ৫৬ লাখ ৫ হাজার ৮০৬ টাকা মূল্যের সম্পদ দেখিয়েছেন।
জামায়াত-সমর্থিত ইসলামী জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শাহ মো. আকরাম আলীর বার্ষিক আয় ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ সাড়ে ১২ লাখ টাকা। স্থাবর সম্পদ হিসেবে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৩৮৮ শতক কৃষিজমি ও চারটি টিনশেড ঘর আছে। গণঅধিকার পরিষদের ফারুক ফকিরের ৫০ লাখ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. জয়নুল আবেদীন বকুল মিয়ার ২৪ লাখ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. নাজমুল হাসানের প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা মূল্যের সম্পদ আছে।
ফরিদপুর-৩
বিএনপির নায়াব ইউসুফ আহমেদের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৫০০ টাকা। চলতি অর্থবছরে আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখিয়েছেন ৪৭ লাখ ৯৩ হাজার ৪০৬ টাকার। স্থাবর সম্পদ ৫ কোটি টাকার। জামায়াতের মো. আবদুত তাওয়াব আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখিয়েছেন ৩৮ লাখ ২৬ হাজার ৫৮৬ টাকার। বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির মো. রফিকুজ্জামান মিয়া লায়েকের ১১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০ টাকা, ইসলামী আন্দোলনের কে এম ছারোয়ার হোসেনের ৩১ লাখ ২৪ হাজার ৪৪০ এবং জেএসডির আরিফা আক্তার বেবীর প্রায় ১৬ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে।
ফরিদপুর-৪
বিএনপির মো. শহিদুল ইসলাম বাবুলের বার্ষিক আয় ১৮ লাখ ২৮ হাজার ৭৯৪ টাকা। জামায়াতের মো. সরোয়ার হোসাইনের বার্ষিক আয় ৪ লাখ ৮২ হাজার ৪২২ টাকা। ইসলামী আন্দোলনের মো. ইসহাকের অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ৫৬ লাখ ৮৫ হাজার ১৩৯ টাকা এবং স্থাবর সম্পদ হিসেবে ২২ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। জাতীয় পার্টির রায়হান জামিলের ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী আতাউর রহমানের অস্থাবর সম্পদ হিসেবে শুধু সাড়ে ৬ লাখ টাকা নগদ এবং স্থাবর সম্পদ হিসেবে পৈতৃক সূত্রে ৬ একর কৃষিজমি রয়েছে।
এই আসনে কোটিপতির তালিকায় রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যাও। পেশায় ব্যবসায়ী এই প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হলেও আপিলে ফিরে পেয়েছেন।
হলফনামার তথ্যানুযায়ী তাঁর বার্ষিক আয় ১৭ লাখ ১৩ হাজার ১২৭ টাকা। এ ছাড়া তাঁর অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ২ কোটি ৪২ লাখ ৯৫ হাজার ৫২৭ টাকা। তাঁর নগদ টাকা রয়েছে ৮২ লাখ ৫৩ হাজার ২৭, ব্যবসায়ী পরিসম্পদ ৮০ লাখ ৪২ হাজার ৫০০ টাকা ও অন্যান্য ৮০ লাখ টাকার সম্পদ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। হলফনামা অনুযায়ী, জেলার প্রার্থীদের মধ্যে সামগ্রিকভাবে বার্ষিক আয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি-সমর্থিতরা।
ফরিদপুর-১
আসনটিতে সাত প্রার্থীর মধ্যে দুজন কোটিপতি। জেলার সবচেয়ে ধনী প্রার্থী তিনবারের সিআইপি, রাজ্জাক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল বাসার খান স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করছেন। তাঁর বার্ষিক আয় ১ কোটি ৩৯ লাখ ৯০ হাজার ৩১৬ টাকা। নগদ অর্থ আছে ৩ কোটি ১৪ লাখ ৭ হাজার ৭১১ টাকার। ১ হাজার ৬০০ শতক জমি রয়েছে। এগুলোর দাম দেখানো হয়েছে প্রায় ২ কোটি টাকা।
জেলায় কোটিপতি প্রার্থীর তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন একই আসনে জামায়াত-সমর্থিত ড. মো. ইলিয়াস মোল্যা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সাবেক এই চেয়ারম্যানের বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৬ টাকা। অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ২ কোটি ৬৪ লাখ ৮১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮১ হাজার ৭৬০ টাকা। স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ৪৬ লাখ ৫ হাজার এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য সাড়ে ৩ কোটি টাকা।
বিএনপির প্রার্থী কৃষক দলের সহসভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলামের বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। যদিও হলফনামায় সম্পদের সঠিক তথ্য না থাকায় যাচাই-বাছাইয়ে প্রাথমিকভাবে তাঁর মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছিল। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরের বার্ষিক আয় ১০ লাখ ৭০ হাজার ১৪৯ টাকা। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মাদ শরাফাতের বার্ষিক আয় ৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৮০ টাকা।
ফরিদপুর-২
জেলায় কোটিপতি প্রার্থীর তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন এই আসনে বিএনপি-সমর্থিত শামা ওবায়েদ ইসলাম। ভোটে অংশ নিতে গত ২০ নভেম্বর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন। তাঁর বার্ষিক আয় ২১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১ টাকা। অস্থাবর সম্পত্তির অর্জনকালীন মূল্য ৩ কোটি ৬২ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৬ টাকা এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৪ কোটি ৩৭ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৬ টাকা। স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ৬ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৯ কোটি টাকা। আয়কর রিটার্নে ১০ কোটি ৫৬ লাখ ৫ হাজার ৮০৬ টাকা মূল্যের সম্পদ দেখিয়েছেন।
জামায়াত-সমর্থিত ইসলামী জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শাহ মো. আকরাম আলীর বার্ষিক আয় ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ সাড়ে ১২ লাখ টাকা। স্থাবর সম্পদ হিসেবে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৩৮৮ শতক কৃষিজমি ও চারটি টিনশেড ঘর আছে। গণঅধিকার পরিষদের ফারুক ফকিরের ৫০ লাখ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. জয়নুল আবেদীন বকুল মিয়ার ২৪ লাখ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. নাজমুল হাসানের প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা মূল্যের সম্পদ আছে।
ফরিদপুর-৩
বিএনপির নায়াব ইউসুফ আহমেদের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৫০০ টাকা। চলতি অর্থবছরে আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখিয়েছেন ৪৭ লাখ ৯৩ হাজার ৪০৬ টাকার। স্থাবর সম্পদ ৫ কোটি টাকার। জামায়াতের মো. আবদুত তাওয়াব আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখিয়েছেন ৩৮ লাখ ২৬ হাজার ৫৮৬ টাকার। বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির মো. রফিকুজ্জামান মিয়া লায়েকের ১১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০ টাকা, ইসলামী আন্দোলনের কে এম ছারোয়ার হোসেনের ৩১ লাখ ২৪ হাজার ৪৪০ এবং জেএসডির আরিফা আক্তার বেবীর প্রায় ১৬ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে।
ফরিদপুর-৪
বিএনপির মো. শহিদুল ইসলাম বাবুলের বার্ষিক আয় ১৮ লাখ ২৮ হাজার ৭৯৪ টাকা। জামায়াতের মো. সরোয়ার হোসাইনের বার্ষিক আয় ৪ লাখ ৮২ হাজার ৪২২ টাকা। ইসলামী আন্দোলনের মো. ইসহাকের অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ৫৬ লাখ ৮৫ হাজার ১৩৯ টাকা এবং স্থাবর সম্পদ হিসেবে ২২ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। জাতীয় পার্টির রায়হান জামিলের ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী আতাউর রহমানের অস্থাবর সম্পদ হিসেবে শুধু সাড়ে ৬ লাখ টাকা নগদ এবং স্থাবর সম্পদ হিসেবে পৈতৃক সূত্রে ৬ একর কৃষিজমি রয়েছে।
এই আসনে কোটিপতির তালিকায় রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যাও। পেশায় ব্যবসায়ী এই প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হলেও আপিলে ফিরে পেয়েছেন।
হলফনামার তথ্যানুযায়ী তাঁর বার্ষিক আয় ১৭ লাখ ১৩ হাজার ১২৭ টাকা। এ ছাড়া তাঁর অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ২ কোটি ৪২ লাখ ৯৫ হাজার ৫২৭ টাকা। তাঁর নগদ টাকা রয়েছে ৮২ লাখ ৫৩ হাজার ২৭, ব্যবসায়ী পরিসম্পদ ৮০ লাখ ৪২ হাজার ৫০০ টাকা ও অন্যান্য ৮০ লাখ টাকার সম্পদ।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বায়ুদূষণরোধে সরকার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
৪ ঘণ্টা আগে