নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গ্রুপ সিকদার গ্রুপের কর্ণধার জয়নুল হক সিকদার পরিবারের ১৪ সদস্যের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১১ মার্চ) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এই নিষেধাজ্ঞা জারির নির্দেশ দেন।
যাঁদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, তাঁরা হলেন জয়নুল হক শিকদারের স্ত্রী মনোয়ারা সিকদার, ছেলে মমতাজুল হক সিকদার, দিপু হক সিকদার, রন হক ও রিক হক সিকদার, মেয়ে নাসিম সিকদার, পারভিন হক সিকদার ও লিসা ফাতেমা হক সিকদার, মেয়ে পারভীন হক সিকদারের স্বামী সালাউদ্দিন খান, সালাউদ্দিন খানের মেয়ে জেফরি খান সিকদার ও মেন্ডি খান সিকদার, নাসিম শিকদারের মেয়ে মনিকা খান সিকদার, রন হক সিকদারের ছেলে শন হক সিকদার ও রিক হক সিকদারের ছেলে জন হক সিকদার।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ১৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির নির্দেশ দেন বলে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম জানান।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আশিকুর রহমান ১৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়েছে, ন্যাশনাল ব্যাংক পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নুল হক শিকদার ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, নামে-বেনামে জনগণের আমানতকৃত অর্থ লুটপাটসহ ঘুষের বিনিময়ে বিধি-বহির্ভূতভাবে ঋণ দেওয়ার মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থ পাচারের অভিযোগ দুদকে অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।
অনুসন্ধানকালে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা যেকোনো সময় দেশ ছেড়ে যেতে পারেন। তাঁরা দেশ ছেড়ে গেলে অনুসন্ধান কাজ ব্যাহত ও দীর্ঘায়িত হবে। সে জন্য তাঁদের বিদেশ গমন রহিত করা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজসহ সিকদার গ্রুপের ১৫ প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন একই আদালত। গত ৯ মার্চ সিকদার গ্রুপের ৪২টি বিও অ্যাকাউন্ট অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।

দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গ্রুপ সিকদার গ্রুপের কর্ণধার জয়নুল হক সিকদার পরিবারের ১৪ সদস্যের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১১ মার্চ) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এই নিষেধাজ্ঞা জারির নির্দেশ দেন।
যাঁদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, তাঁরা হলেন জয়নুল হক শিকদারের স্ত্রী মনোয়ারা সিকদার, ছেলে মমতাজুল হক সিকদার, দিপু হক সিকদার, রন হক ও রিক হক সিকদার, মেয়ে নাসিম সিকদার, পারভিন হক সিকদার ও লিসা ফাতেমা হক সিকদার, মেয়ে পারভীন হক সিকদারের স্বামী সালাউদ্দিন খান, সালাউদ্দিন খানের মেয়ে জেফরি খান সিকদার ও মেন্ডি খান সিকদার, নাসিম শিকদারের মেয়ে মনিকা খান সিকদার, রন হক সিকদারের ছেলে শন হক সিকদার ও রিক হক সিকদারের ছেলে জন হক সিকদার।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ১৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির নির্দেশ দেন বলে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম জানান।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আশিকুর রহমান ১৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়েছে, ন্যাশনাল ব্যাংক পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নুল হক শিকদার ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, নামে-বেনামে জনগণের আমানতকৃত অর্থ লুটপাটসহ ঘুষের বিনিময়ে বিধি-বহির্ভূতভাবে ঋণ দেওয়ার মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থ পাচারের অভিযোগ দুদকে অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।
অনুসন্ধানকালে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা যেকোনো সময় দেশ ছেড়ে যেতে পারেন। তাঁরা দেশ ছেড়ে গেলে অনুসন্ধান কাজ ব্যাহত ও দীর্ঘায়িত হবে। সে জন্য তাঁদের বিদেশ গমন রহিত করা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজসহ সিকদার গ্রুপের ১৫ প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন একই আদালত। গত ৯ মার্চ সিকদার গ্রুপের ৪২টি বিও অ্যাকাউন্ট অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
১ ঘণ্টা আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে