নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন হিযবুত তাহ্রীরের বিক্ষোভ মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় ১৫-২০ জন সদস্যকে আটক করা হয়। আটককৃতরা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে পুরান পল্টন এলাকায় মিছিল বের করে। পরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের একপর্যায়ে তাদের আটক করা হয়।
প্রাথমিকভাবে আটককৃতদের মধ্যে আবু শোয়াইব, মাশফিউর রহমান, আশফাকসহ কয়েকজনের নাম জানা গেলেও বাকিদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার শাহরিয়ার ও রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলম আটকের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানাতে রাজি হননি। তাঁরা জানান, আটকের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলম বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হিযবুত তাহ্রীরের সদস্যরা মিছিল করছিল। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে সংঘর্ষে জড়ালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা হয় এবং বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়।’
পুলিশ আগেই সংগঠনটির কর্মসূচি নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছিল। আজ শুক্রবার দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, ‘হিযবুত তাহ্রীর একটি নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন। আইন অনুযায়ী তাদের সকল কার্যক্রম শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’

তবে তা উপেক্ষা করেই আজ দুপুরে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে মিছিল বের করা হয়। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে মিছিলটি পল্টন হয়ে বিজয়নগরের দিকে এগোলে পুলিশ টিয়ার শেল ছোড়ে। এতে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
জুমার নামাজের পরপরই উত্তর গেটের সিঁড়িতে অবস্থান নেওয়া হিযবুত তাহ্রীরের কর্মীরা কালিমা খচিত ব্যানার উঁচিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। শুরুতে পুলিশের একটি দল তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও জনবল কম থাকায় তারা সফল হয়নি। বিজয়নগরে পৌঁছানোর পর পুলিশ লাঠিপেটা ও টিয়ারগ্যাস ছুড়লে মিছিল ছত্রভঙ্গ করে। মিছিলকারীরা আশপাশের গলিতে ঢুকে পড়লে পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়।
এদিকে, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে রাজধানীর উত্তরায় অভিযান চালিয়ে সংগঠনটির তিনজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন হিযবুত তাহ্রীরের বিক্ষোভ মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় ১৫-২০ জন সদস্যকে আটক করা হয়। আটককৃতরা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে পুরান পল্টন এলাকায় মিছিল বের করে। পরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের একপর্যায়ে তাদের আটক করা হয়।
প্রাথমিকভাবে আটককৃতদের মধ্যে আবু শোয়াইব, মাশফিউর রহমান, আশফাকসহ কয়েকজনের নাম জানা গেলেও বাকিদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার শাহরিয়ার ও রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলম আটকের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানাতে রাজি হননি। তাঁরা জানান, আটকের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলম বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হিযবুত তাহ্রীরের সদস্যরা মিছিল করছিল। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে সংঘর্ষে জড়ালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা হয় এবং বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়।’
পুলিশ আগেই সংগঠনটির কর্মসূচি নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছিল। আজ শুক্রবার দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, ‘হিযবুত তাহ্রীর একটি নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন। আইন অনুযায়ী তাদের সকল কার্যক্রম শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’

তবে তা উপেক্ষা করেই আজ দুপুরে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে মিছিল বের করা হয়। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে মিছিলটি পল্টন হয়ে বিজয়নগরের দিকে এগোলে পুলিশ টিয়ার শেল ছোড়ে। এতে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
জুমার নামাজের পরপরই উত্তর গেটের সিঁড়িতে অবস্থান নেওয়া হিযবুত তাহ্রীরের কর্মীরা কালিমা খচিত ব্যানার উঁচিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। শুরুতে পুলিশের একটি দল তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও জনবল কম থাকায় তারা সফল হয়নি। বিজয়নগরে পৌঁছানোর পর পুলিশ লাঠিপেটা ও টিয়ারগ্যাস ছুড়লে মিছিল ছত্রভঙ্গ করে। মিছিলকারীরা আশপাশের গলিতে ঢুকে পড়লে পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়।
এদিকে, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে রাজধানীর উত্তরায় অভিযান চালিয়ে সংগঠনটির তিনজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের নির্বাচন আয়োজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচনের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)।
২৩ মিনিট আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জিতু মিয়া নামের এক সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হন অন্তত ২০ জন। গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৮ ঘণ্টা আগে