Ajker Patrika

বকেয়া ২৫৯ কোটি টাকা আদায়ে মাঠে চট্টগ্রাম ওয়াসার ৮ মনিটরিং টিম

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
বকেয়া ২৫৯ কোটি টাকা আদায়ে মাঠে চট্টগ্রাম ওয়াসার ৮ মনিটরিং টিম

চট্টগ্রাম ওয়াসার ২৫৯ কোটি টাকার বকেয়া রাজস্ব আদায়ে মাঠে নেমেছে রাজস্ব ও প্রকৌশল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত আটটি মনিটরিং টিম। বকেয়া আদায়ের পাশাপাশি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, জরিমানা এবং লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপ চিহ্নিত করে বন্ধ বা লাইসেন্সের আওতায় আনার কার্যক্রমও চলছে। টিমগুলোর কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে আছেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অর্থ)।

চট্টগ্রাম ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী, রাজস্ব কর্মকর্তা, রাজস্ব তত্ত্বাবধায়ক ও মিটার পরিদর্শকদের সমন্বয়ে এসব মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম ওয়াসার হিসাব অনুযায়ী, সরকারি দপ্তরে বকেয়ার পরিমাণ ৭১ কোটি ৫২ লাখ টাকা। সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে বকেয়া ১৮৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বৈশ্বিক অর্থনীতির কারণে পানির উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং অন্যান্য খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। এই বিপুল বকেয়া আদায়ে প্রতি কর্মদিবসে মনিটরিং টিমের মাধ্যমে গ্রাহকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিল আদায় কার্যক্রম দ্রুতগতিতে চলছে।

চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৫০ হাজার টাকার বেশি বকেয়াধারী গ্রাহকদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছে মনিটরিং টিম। প্রথমে গ্রাহকের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। অস্বীকৃতি জানালে সংযোগ সাময়িক বিচ্ছিন্ন করার তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত দেওয়া হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, অনুমতিবিহীন অবৈধ সংযোগকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী জরিমানার কার্যক্রম কঠোরভাবে হাতে নেওয়া হয়েছে। অনুমতিবিহীন গভীর নলকূপ স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে নলকূপ বন্ধসহ জরিমানার কার্যক্রমও কঠোর করা হয়েছে। লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপ স্থাপনকারীদের চট্টগ্রাম ওয়াসার আইন অনুযায়ী জরিমানা করে লাইসেন্সের আওতায় আনা হচ্ছে।

এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিমানবন্দর রোডের বন্দরটিলা এলাকায় মো. জসিম উদ্দিন নামের এক গ্রাহকের তিনটি সংযোগ ইতিমধ্যে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে পানি বিক্রির অভিযোগও রয়েছে। ওই তিনটি সংযোগের বিপরীতে বকেয়ার পরিমাণ ১৫ লাখ টাকা।

চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম দৈনিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে ওয়াসার বকেয়া রাজস্ব আদায়ে আমরা বদ্ধপরিকর। এ জন্য ডিএমডির (অর্থ) তদারকিতে আটটি মনিটরিং টিম জোরালোভাবে কাজ করছে।’ অনিয়ম ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত