রাজবাড়ী প্রতিনিধি

প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে রাজবাড়ীর দুটি আসনেই বিএনপিতে কোন্দল সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ জামায়াত। তবে এসবের মধ্যেও বিএনপির প্রার্থীরা জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। তাঁরা বলছেন, যেসব সমস্যা আছে, তা মিটে যাবে। ধানের শীষ সবার আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। সবাই এক হয়ে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবে, এটাই সত্যি।
রাজবাড়ী-১
রাজবাড়ী-১ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পান আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। তবে আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী আসলাম মিয়ার সমর্থকেরা সেটা মানতে পারেননি। নাম ঘোষণার পর প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে তাঁরা মহাসড়ক অবরোধও করেন।
প্রার্থী ঘোষণার পর মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন জামায়াতের জেলা আমির নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা ইলিয়াছ মোল্লা, গণঅধিকার পরিষদের জাহাঙ্গীর খান, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হিসেবে রাজবাড়ী জেলা শাখার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম খান জাহিদ হাসান।
ধানের শীষের প্রার্থী খৈয়ম বলেন, ‘দলের অভ্যন্তরে ও দলের বাইরে সমস্ত ভেদাভেদ ও মতবিরোধ নিরসন করে আমরা এক হয়ে সকলে মিলে আগামী নির্বাচনের জন্য কাজ করব। আমি নির্বাচিত হলে এই জনপদের মানুষের জন্য পদ্মা ব্যারেজ, পদ্মা সেতু, বিশ্ববিদ্যালয়, নদীবন্দর, রেলওয়ের ওয়ার্কশপ, হাসপাতাল, অবকাঠামো, স্কুল, কলেজ, এই জনপদের ব্যবসা, বাণিজ্য, শিল্প, সংস্কৃতি—এগুলো নিয়ে কাজ করব।’
রাজবাড়ী-২
দ্বিতীয় দফায় রাজবাড়ী-২ আসনে হারুন অর রশীদের নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে বিএনপি। মনোনয়ন পেয়েই তিনি ঐক্যের ডাক দেন। নাসিরুল হক সাবুসহ মনোনয়নপ্রত্যাশী যাঁরা ছিলেন, সবার সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং মিটিংও করেন। স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে দেখছিলেন। অনেকে ভেবেছিলেন, এবার বুঝি বিভেদ দূর হলো। পরে সাবু সংবাদ সম্মেলন এবং মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের পর জমাও দিয়েছেন। এ ছাড়া জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মোজাহিদুল ইসলাম মনোনয়ন দাখিল করেছেন এই আসন থেকে।
আসনটি ফিরে পেতে বিএনপি যেমন আপ্রাণ চেষ্টা করবে, তেমনি জামায়াত মরিয়া হবে। এই আসনে দলটি জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশীদকে মনোনয়ন দিয়েছে। এদিকে রাজনীতিসচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ না নিলেও তাদের বিপুলসংখ্যক ভোটার ফলাফলে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
পাংশা, বালিয়াকান্দি ও কালুখালী উপজেলা নিয়ে গঠিত রাজবাড়ী-২ আসনে স্বাধীনতার পর বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী একবার করে জয়লাভ করে। ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. এ কে এম আসজাদ জয়লাভ করেন। অবশ্য এরপরের নির্বাচনগুলোতে জামায়াতে ইসলামী ন্যূনতম প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেনি। ২০০১ সালের নির্বাচনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন বিএনপির প্রার্থী নাসিরুল হক সাবু। অন্য নির্বাচনগুলোতে আওয়ামী লীগের প্রাধান্যই দেখা গেছে।
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হারুন বলেন, ‘রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপিতে কোনো কোন্দল নেই। নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা আছে। এটা সব দলেই থাকে। তিনি মনোনয়ন পেয়ে সবার কাছে যাচ্ছেন। যেসব সমস্যা আছে, তা মিটে যাবে। ধানের শীষ সবার আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। সবাই এক হয়ে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবে, এটাই সত্যি।’
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক লিয়াকত আলী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকলেও তাদের ভোট রয়েছে। তাদের ভোটগুলো কোন দিকে যাবে, তা বলা কঠিন। তবে এই ভোট ফলাফলের পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থেকে ধানের শীষের বিজয় ছিনিয়ে আনব।’
জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশীদকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে এই আসনে। তিনি বলেন, ‘তিনি পুরোদমে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছেন। জয়ের ব্যাপারেও তাঁরা আশাবাদী।’
রাজবাড়ী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাবু বলেন, তিনি জনগণের সঙ্গে ছিলেন, এখনো আছেন। জনগণের ইচ্ছায় তিনি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। তবে এখানে জনগণের মতামত উপেক্ষা করে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে।
১৬ জনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা যায়, রাজবাড়ী-১ আসন থেকে আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম (বিএনপি), নুরুল ইসলাম (জামায়াত), হাবিবুর রহমান (জাতীয় পার্টি), মোহাম্মদ আলী বিশ্বাস (জাকের পার্টি) ; রাজবাড়ী-২ আসন থেকে হারুন অর রশিদ (বিএনপি), নাসিরুল হক সাবু (স্বতন্ত্র), মোজাহিদুল আলম (স্বতন্ত্র), শফিউল আজম খান (জাতীয় পার্টি), জাহিদ শেখ (গণঅধিকার পরিষদ), জামিল হিজাজী (এনসিপি), আব্দুল মালেক মন্ডল (বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট), সোহেল মোল্লা (স্বতন্ত্র), হারুন অর রশিদ (জামায়াত), কাজী মিনহাজুল আলম (খেলাফত মজলিস), আব্দুল মালেক (ইসলামী আন্দোলন) ও মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন (খেলাফত মজলিস) মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে রাজবাড়ীর দুটি আসনেই বিএনপিতে কোন্দল সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ জামায়াত। তবে এসবের মধ্যেও বিএনপির প্রার্থীরা জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। তাঁরা বলছেন, যেসব সমস্যা আছে, তা মিটে যাবে। ধানের শীষ সবার আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। সবাই এক হয়ে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবে, এটাই সত্যি।
রাজবাড়ী-১
রাজবাড়ী-১ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পান আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। তবে আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী আসলাম মিয়ার সমর্থকেরা সেটা মানতে পারেননি। নাম ঘোষণার পর প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে তাঁরা মহাসড়ক অবরোধও করেন।
প্রার্থী ঘোষণার পর মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন জামায়াতের জেলা আমির নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা ইলিয়াছ মোল্লা, গণঅধিকার পরিষদের জাহাঙ্গীর খান, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হিসেবে রাজবাড়ী জেলা শাখার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম খান জাহিদ হাসান।
ধানের শীষের প্রার্থী খৈয়ম বলেন, ‘দলের অভ্যন্তরে ও দলের বাইরে সমস্ত ভেদাভেদ ও মতবিরোধ নিরসন করে আমরা এক হয়ে সকলে মিলে আগামী নির্বাচনের জন্য কাজ করব। আমি নির্বাচিত হলে এই জনপদের মানুষের জন্য পদ্মা ব্যারেজ, পদ্মা সেতু, বিশ্ববিদ্যালয়, নদীবন্দর, রেলওয়ের ওয়ার্কশপ, হাসপাতাল, অবকাঠামো, স্কুল, কলেজ, এই জনপদের ব্যবসা, বাণিজ্য, শিল্প, সংস্কৃতি—এগুলো নিয়ে কাজ করব।’
রাজবাড়ী-২
দ্বিতীয় দফায় রাজবাড়ী-২ আসনে হারুন অর রশীদের নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে বিএনপি। মনোনয়ন পেয়েই তিনি ঐক্যের ডাক দেন। নাসিরুল হক সাবুসহ মনোনয়নপ্রত্যাশী যাঁরা ছিলেন, সবার সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং মিটিংও করেন। স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে দেখছিলেন। অনেকে ভেবেছিলেন, এবার বুঝি বিভেদ দূর হলো। পরে সাবু সংবাদ সম্মেলন এবং মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের পর জমাও দিয়েছেন। এ ছাড়া জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মোজাহিদুল ইসলাম মনোনয়ন দাখিল করেছেন এই আসন থেকে।
আসনটি ফিরে পেতে বিএনপি যেমন আপ্রাণ চেষ্টা করবে, তেমনি জামায়াত মরিয়া হবে। এই আসনে দলটি জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশীদকে মনোনয়ন দিয়েছে। এদিকে রাজনীতিসচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ না নিলেও তাদের বিপুলসংখ্যক ভোটার ফলাফলে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
পাংশা, বালিয়াকান্দি ও কালুখালী উপজেলা নিয়ে গঠিত রাজবাড়ী-২ আসনে স্বাধীনতার পর বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী একবার করে জয়লাভ করে। ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. এ কে এম আসজাদ জয়লাভ করেন। অবশ্য এরপরের নির্বাচনগুলোতে জামায়াতে ইসলামী ন্যূনতম প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেনি। ২০০১ সালের নির্বাচনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন বিএনপির প্রার্থী নাসিরুল হক সাবু। অন্য নির্বাচনগুলোতে আওয়ামী লীগের প্রাধান্যই দেখা গেছে।
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হারুন বলেন, ‘রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপিতে কোনো কোন্দল নেই। নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা আছে। এটা সব দলেই থাকে। তিনি মনোনয়ন পেয়ে সবার কাছে যাচ্ছেন। যেসব সমস্যা আছে, তা মিটে যাবে। ধানের শীষ সবার আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। সবাই এক হয়ে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবে, এটাই সত্যি।’
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক লিয়াকত আলী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকলেও তাদের ভোট রয়েছে। তাদের ভোটগুলো কোন দিকে যাবে, তা বলা কঠিন। তবে এই ভোট ফলাফলের পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থেকে ধানের শীষের বিজয় ছিনিয়ে আনব।’
জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশীদকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে এই আসনে। তিনি বলেন, ‘তিনি পুরোদমে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছেন। জয়ের ব্যাপারেও তাঁরা আশাবাদী।’
রাজবাড়ী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাবু বলেন, তিনি জনগণের সঙ্গে ছিলেন, এখনো আছেন। জনগণের ইচ্ছায় তিনি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। তবে এখানে জনগণের মতামত উপেক্ষা করে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে।
১৬ জনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা যায়, রাজবাড়ী-১ আসন থেকে আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম (বিএনপি), নুরুল ইসলাম (জামায়াত), হাবিবুর রহমান (জাতীয় পার্টি), মোহাম্মদ আলী বিশ্বাস (জাকের পার্টি) ; রাজবাড়ী-২ আসন থেকে হারুন অর রশিদ (বিএনপি), নাসিরুল হক সাবু (স্বতন্ত্র), মোজাহিদুল আলম (স্বতন্ত্র), শফিউল আজম খান (জাতীয় পার্টি), জাহিদ শেখ (গণঅধিকার পরিষদ), জামিল হিজাজী (এনসিপি), আব্দুল মালেক মন্ডল (বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট), সোহেল মোল্লা (স্বতন্ত্র), হারুন অর রশিদ (জামায়াত), কাজী মিনহাজুল আলম (খেলাফত মজলিস), আব্দুল মালেক (ইসলামী আন্দোলন) ও মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন (খেলাফত মজলিস) মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সরকারি পুকুর থেকে মাছ ধরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ভাগাভাগি করার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি পুকুরের এসব মাছ গরিবদের মধ্যে বিতরণের নিয়ম থাকলেও নিজেরাই ভাগবাঁটোয়ারা করে নিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
দেশে ভ্রমণপিপাসু মানুষের কাছে এখন সবচেয়ে প্রিয় গন্তব্য কক্সবাজার। এ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিলেট। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বাংলাদেশিদের বিদেশ ভ্রমণও বেড়েছে। সে হিসাবে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে দেশি পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় গন্তব্য মালয়েশিয়া।
২ ঘণ্টা আগেরাজধানীতে মেট্রোরেলের পিলার থেকে বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে পথচারী নিহতের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রাথমিক অনুসন্ধানে যন্ত্রাংশটিতে গুরুতর ত্রুটি চিহ্নিত হয়েছে। একই সঙ্গে অবকাঠামোর নকশাগত ত্রুটির কথাও বলা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে। এসব বিষয়ে অধিকতর তদন্ত করার কথা বলেছে কমিটি।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীতে তুচ্ছ ঘটনায় মব সৃষ্টি করে শিক্ষানবিশ আইনজীবী নাঈম কিবরিয়াকে হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন পাবনার আইনজীবীরা।
৪ ঘণ্টা আগে