
গাছে গাছে পেরেক ঠুকে পোস্টার সাঁটানোর অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের বিএনপির প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডি এম ডি জিয়াউর রহমানের কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে প্রার্থীকে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে তোরণ নির্মাণ করে ধানের শীষের ব্যানার ঝুলিয়ে প্রচারণা চালানোর অভিযোগেও তাঁর কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
রাজশাহীর সিভিল জজ এবং এই আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধান নওশীন মাহবুব রোববার ডি এম ডি জিয়াউর রহমানের কাছে কারণ দর্শানোর এই নোটিশ দিয়েছেন। নোটিশে আগামীকাল রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বেলা আড়াইটায় সশরীরে অথবা উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাগমারার ভবানীগঞ্জ পৌরসভার গোডাউন মোড় এলাকায় রাস্তার ওপর তোরণ নির্মাণ করে সেখানে ধানের শীষের ব্যানার ঝুলিয়ে প্রচারণা চালানো হয়। এ ঘটনায় একই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর ভাতিজা আসাদুল্লাহ আল ফিরোজ আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে লিখিত আবেদন করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর ২৭ জানুয়ারি নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি সরেজমিন তদন্ত চালায়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা চিঠিতে উল্লেখ করেন বিচারিক কমিটির প্রধান নওশীন মাহবুব।
এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর আরেক সমর্থক আবদুল গাফফার বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে পৃথকভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, উত্তর একডালা, দ্বীপপুর, চকেরমোড়, সোনাডাঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকায় গাছে পেরেক ঢুকিয়ে ধানের শীষের ফেস্টুন ঝোলানো হয়েছে। এ অভিযোগের ভিত্তিতেও ২৭ জানুয়ারি সরেজমিন তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পান নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধান।

সরেজমিন তদন্তে অভিযোগে উল্লিখিত স্থান ছাড়াও গোয়ালকান্দির রামরামা ও তাহেরপুরের বিভিন্ন এলাকায় গাছে পেরেক ঢুকিয়ে এবং বিদ্যুতের খুঁটিতে ফেস্টুন টাঙানো অবস্থায় দেখতে পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন ভবনে ব্যানার ঝোলানোও নজরে আসে তদন্ত দলের। এসব কর্মকাণ্ড নির্বাচন আচরণবিধিমালা লঙ্ঘনের শামিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে নির্বাচন কমিশনের কাছে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ কেন করা হবে না, তা জানতে আদালতে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিএনপির প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট শামসুজজোহা সরকার বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লিখিত জবাব দেওয়া হবে।’ তিনি দাবি করেন, ভবানীগঞ্জ গোডাউন মোড়ে আগে থেকেই একটি পুরোনো গেট বা তোরণ ছিল, সেখানে ধানের শীষের ব্যানার টাঙানো হয়েছিল। পরে গত বৃহস্পতিবার সেটি অপসারণ করা হয়েছে।
৩ লাখ ১৯ হাজার ৯৫০ জন ভোটারের এই আসনে বিএনপির প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. আব্দুল বারী সরদার, জাতীয় পার্টির প্রার্থী ফজলুল হক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী তাজুল ইসলাম খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে গাছে গাছে পেরেক ঠুকে পোস্টার ও ফেস্টুন সাঁটানোর অভিযোগ উঠেছে কেবল বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধেই।
এ পরিস্থিতিতে ডি এম ডি জিয়াউর রহমান তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাসে বলেন, নির্বাচনের আচরণবিধি অনুযায়ী কোনো দালান, দেয়াল, গাছ, বিদ্যুৎ বা টেলিফোনের খুঁটি, সরকারি স্থাপনা কিংবা যানবাহনে লিফলেট, হ্যান্ডবিল বা ফেস্টুন সাঁটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আইনের প্রতি সম্মান রেখে সবাইকে এই নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।

ইসলামকে যারা বিক্রি করছে আমার দৃষ্টিতে তারা গুনাহ করছে বলে মন্তব্য করেছেন ফরিদপুর-২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম।
২২ মিনিট আগে
দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য কার্যালয়ে প্রতীকী ‘মুলা’ উপহার দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে উপাচার্য কার্যালয়ের কর্মকর্তা পার্থ সারথী দাসের হাতে প্রতীকী এই মুলা তুলে দেন তাঁরা। এ সময় উপাচার্য ড. আব্দুল...
৩৫ মিনিট আগে
দুপুর ১২টায় দেলপাড়া এলাকায় লিটল জিনিয়াস স্কুলের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে হাজির হন তিনি। এ সময় তিনি পুরস্কার বিতরণকালে স্কুলের নির্ধারিত পুরস্কারের পাশাপাশি নিজের পকেট থেকে ২ হাজার টাকা করে তুলে দেন পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে। একই সময়ে স্কুলের মাইকে খেজুরগাছ প্রতীকে ভোট চাওয়া হয়।
৪১ মিনিট আগে
জনসভাকে কেন্দ্র করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। জনসভা সফল করতে শেরপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক মাঠে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীর জমায়েতের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে দলীয় সূত্র।
১ ঘণ্টা আগে