ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

অনিয়মের অভিযোগে স্থগিত হওয়া গরু বিতরণ কার্যক্রম নতুন করে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল চত্বরে সাতটি ইউনয়নের ৭০ জন উপকারভোগীর মধ্যে গরু বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর মেজর শেখ আরমান ইবনে ইদ্রিস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসাহাক আলী, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সারোয়ার হাসান, ভেটেরিনারি সার্জন সজীব হাওলাদার, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা নবীউল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার, সাধারণ সম্পদক শাহাজুল ইসলাম, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মানিক মণ্ডল প্রমুখ।
এর আগে গত ১০ এপ্রিল দুপুরে একইভাবে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল কর্তৃক অয়োজিত সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের আর্থসামাজিক জীবনের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের ৭০ জন সুফলভোগীর মধ্যে এই বিতরণ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়। এ সময় অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় বিতরণ কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সে সময় টেন্ডার অনুযায়ী ঠিকাদার কর্তৃক সরবরাহ করা প্রতিটি গরুর ওজন ১০০ কেজি করে হওয়ার কথা থাকলেও গড়ে প্রতিটি গরুর ওজন ৬৫-৭০ কেজি পর্যন্ত পাওয়া যায়। এতে জনরোষে পড়ে কর্তৃপক্ষ। টেন্ডার অনুযায়ী গরুর ওজন ঠিক না থাকায় স্থানীয় লোকজন উত্তপ্ত হলে তোপের মুখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইসাহাক আলী বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেন। পরে গরুগুলো ফেরত নিতে বাধ্য হয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
জানতে চাইলে ঠিকাদারের প্রতিনিধি কামাল পাশা বলেন, আগের গরুগুলো যেসব ব্যবসায়ীর দ্বারা কেনা হয়েছিল, তাঁরাই ওজনে কম দিয়েছিলেন। তাই সেগুলো ফেরত দিয়ে নতুন করে গরু নেওয়া হয়েছে।
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সারোয়ার হাসান বলেন, আগের গরুগুলোর ওজন কম থাকায় স্থানীয় লোকদের অভিযোগের ভিত্তিতে তা ফেরত দেওয়া হয়েছিল। এবার বিতরণের আগে গরুগুলোর ওজন নির্ণয় করা হয়েছে। ১২০ কেজি থেকে সর্বনিম্ন ৯০ কেজি পর্যন্ত গরু নেওয়া হয়েছে। সাতটি ইউনিয়নের ৭০ জন সুফলভোগীর মধ্যে প্রতিটি গরুর সঙ্গে ১০০ কেজি করে সুষম খাদ্য ও ফ্লোর ম্যাট বিতরণ করা হয়েছে। পরে চারটি করে টিন ও খুঁটি দেওয়া হবে।

অনিয়মের অভিযোগে স্থগিত হওয়া গরু বিতরণ কার্যক্রম নতুন করে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল চত্বরে সাতটি ইউনয়নের ৭০ জন উপকারভোগীর মধ্যে গরু বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর মেজর শেখ আরমান ইবনে ইদ্রিস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসাহাক আলী, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সারোয়ার হাসান, ভেটেরিনারি সার্জন সজীব হাওলাদার, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা নবীউল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার, সাধারণ সম্পদক শাহাজুল ইসলাম, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মানিক মণ্ডল প্রমুখ।
এর আগে গত ১০ এপ্রিল দুপুরে একইভাবে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল কর্তৃক অয়োজিত সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের আর্থসামাজিক জীবনের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের ৭০ জন সুফলভোগীর মধ্যে এই বিতরণ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়। এ সময় অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় বিতরণ কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সে সময় টেন্ডার অনুযায়ী ঠিকাদার কর্তৃক সরবরাহ করা প্রতিটি গরুর ওজন ১০০ কেজি করে হওয়ার কথা থাকলেও গড়ে প্রতিটি গরুর ওজন ৬৫-৭০ কেজি পর্যন্ত পাওয়া যায়। এতে জনরোষে পড়ে কর্তৃপক্ষ। টেন্ডার অনুযায়ী গরুর ওজন ঠিক না থাকায় স্থানীয় লোকজন উত্তপ্ত হলে তোপের মুখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইসাহাক আলী বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেন। পরে গরুগুলো ফেরত নিতে বাধ্য হয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
জানতে চাইলে ঠিকাদারের প্রতিনিধি কামাল পাশা বলেন, আগের গরুগুলো যেসব ব্যবসায়ীর দ্বারা কেনা হয়েছিল, তাঁরাই ওজনে কম দিয়েছিলেন। তাই সেগুলো ফেরত দিয়ে নতুন করে গরু নেওয়া হয়েছে।
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সারোয়ার হাসান বলেন, আগের গরুগুলোর ওজন কম থাকায় স্থানীয় লোকদের অভিযোগের ভিত্তিতে তা ফেরত দেওয়া হয়েছিল। এবার বিতরণের আগে গরুগুলোর ওজন নির্ণয় করা হয়েছে। ১২০ কেজি থেকে সর্বনিম্ন ৯০ কেজি পর্যন্ত গরু নেওয়া হয়েছে। সাতটি ইউনিয়নের ৭০ জন সুফলভোগীর মধ্যে প্রতিটি গরুর সঙ্গে ১০০ কেজি করে সুষম খাদ্য ও ফ্লোর ম্যাট বিতরণ করা হয়েছে। পরে চারটি করে টিন ও খুঁটি দেওয়া হবে।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৪ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষাভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ ব্যবস্থায় ওই দুই পদের প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
৫ ঘণ্টা আগে