
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সরকারি কোয়ার্টারে গ্যাসলাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের সাতজন দগ্ধ হয়েছেন। তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
আজ শনিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আগারগাঁও পাকা মার্কেট সড়ক এলাকার সরকারি কোয়ার্টারে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মো. আব্দুল জলিল মিয়া (৫০), তাঁর স্ত্রী আরনেজা বেগম (৪০), ছেলে আসিফ (১৯), সাকিব (১৬), আসিফের স্ত্রী মনিরা (১৭) ও নাতনি ইভা (৬) ও ইশা (৬)।
এই ঘটনায় প্রতিবেশী ফিরোজুল আলম (৩৫) ২১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন। তাঁকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে আসা দগ্ধ জলিল মিয়ার মেয়ের স্বামী মো. আরফান মিয়া জানান, রাতে টিনশেড বাসায় পাশাপাশি কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন পরিবারটির সাত সদস্য। ভোরের দিকে তাঁর শাশুড়ি আরনেজা বেগম রান্না করতে যান। দেশলাইয়ের কাঠি জ্বালাতেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। এতে সাতজনই পুড়ে যান। আরফান ও তাঁর স্ত্রী জনিভা আক্তার পাশের কক্ষে ছিলেন। তাঁর দুই মেয়ে ইভা ও ইশা নানার কক্ষে ছিল। আসিফের স্ত্রী মনিরা আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
তিনি জানান, তাঁদের চিৎকারে প্রতিবেশীরাও ছুটে আসেন। দগ্ধ ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে এই আগুনের ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে দগ্ধ আসিফ জানান, আগারগাঁও সরকারি কোয়ার্টারের বাসায় তাঁরা ভাড়া থাকেন। দেড় মাস ধরে ঘরে গ্যাসের গন্ধ পাচ্ছিলেন। বাড়িওয়ালাকে বারবার বললেও কোনো প্রতিকার পাননি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন হারুনুর রশীদ জানান, জলিলের ১২ শতাংশ, আরনেজার ১০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। অন্যদের হাত-পা দগ্ধ হয়েছে। এ ছাড়া আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর হাত-পা দগ্ধ হয়েছে। তাঁকে চিকিৎসা দিয়ে গাইনি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়েছে। জলিল ও আরনেজা বেগমকে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অবজারভেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ঝড় শুরু হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝড়ের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে চলতে থাকে প্রচণ্ড মেঘের গর্জন। ঝড়ের সময় চাকাতি বালা নিজের ঘরে একাই অবস্থান করছিলেন। প্রচণ্ড বাতাসের ঝাপটায় বসতঘরের পাশে থাকা একটি বিশাল ‘সড়কজিয়া’গাছ উপড়ে সরাসরি ঘরের ওপর পড়ে।
১২ মিনিট আগে
২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারের রানা প্লাজা ধসের সেই ভয়াবহ স্মৃতি আজও দেশবাসীর মনে দগদগে। সেই ধ্বংসস্তূপের নিচে টানা ৭২ ঘণ্টা আটকে থেকেও অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরেছিলেন নাসিমা বেগম। কিন্তু ১২ বছর পর সেই নাসিমাই হার মানলেন পদ্মার শীতল জলের কাছে। গত বুধবার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবিতে প্রাণ...
১৮ মিনিট আগে
ঈদের ছুটি শেষে নিজ নিজ কর্মস্থলে রাজধানীর দিকে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। আর এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপও বেড়েছে। যার ফলে বেড়েছে টোল আদায়ের পরিমাণ। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে ৪৬ হাজার ২৭৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৪১ লাখ ৫৩ হাজার ৯০০ টাকা।
২১ মিনিট আগে
কথা হয় গার্মেন্টস কর্মী মোছা. রাশিদা বেগমের (৩০) সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সূর্য কাউন্টারে টিকিট করেছিলাম গত ১৯ তারিখে। বাসে উঠে দেখি আমার সিটে আরেকজন বসে আছেন। পরে ওখান থেকে আমাকে অন্য সিটে বসিয়ে দেন। এরপরে দেখি আরও দুই-তিনজন যাত্রী এসে বলে এই সিট আমাদের। বিষয়টি আমরা কাউন্টারে বলি।
২৫ মিনিট আগে