জেলার তিনটি আসন

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গোপালগঞ্জের তিনটি আসনের প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চলছে জমজমাটভাবে। ঘুম নেই প্রার্থী ও তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের। বিভিন্ন কৌশলে ভোটারদের মন জয়ের আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন তাঁরা। দিনরাত তাঁরা উঠান বৈঠক, মতবিনিময় সভা, সৌজন্য সাক্ষাৎ ও গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করেছেন।
গোপালগঞ্জে তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত আসন হচ্ছে গোপালগঞ্জ-৩ আসন। টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসন। এই আসন থেকে বারবার নির্বাচিত হয়ে সরকারপ্রধান হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচনে আসনটি পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল। বসে নেই স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও। তাঁরাও জোর প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এই আসনে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নেওয়াই এখন প্রার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
এই আসনে বিএনপির এস এম জিলানী, জামায়াতের রেজাউল করিম, এনসিপির মো. আরিফুল, গণঅধিকার পরিষদের আবুল বসারসহ ৮ জন প্রার্থী হয়েছেন। স্থানীয়রা বলছেন, এ আসনে বিএনপির এস এম জিলানী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।
টুঙ্গিপাড়ার বাসিন্দা মো. রমিজ আলী বলেন, গোপালগঞ্জ-৩ আসনে এখন ব্যানার, বিলবোর্ডসহ নির্বাচনী মাইকিংয়ে মুখর পুরো এলাকা। প্রার্থী ও তাঁদের কর্মী-সমর্থকেরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। তবে ভোটারদের মধ্যে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ।
কোটালীপাড়ার বাসিন্দা কেরামত হোসেন বলেন, এ উপজেলার পরিবেশ এখন নির্বাচনমুখী। তবে এখানকার অধিকাংশ ভোটার নৌকায় ভোট দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। তাই শেষ পর্যন্ত সবাই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবে বলে মনে হয় না। তবে অনেকেই ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতির প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
এ উপজেলার তরুণ ভোটার নাহিদ মোল্লা বলেন, প্রার্থীরা সবাই ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা চালালেও বিভিন্ন বিবেচনায় বিএনপি প্রার্থী এস এম জিলানী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।
অন্যদিকে গোপালগঞ্জ সদর ও কাশিয়ানী উপজেলার একাংশ নিয়ে গঠিত গোপালগঞ্জ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চাপে অনেকটাই চিড়েচ্যাপ্টা দলীয় প্রার্থীরা। এ আসনে ভোটের যুদ্ধে এগিয়ে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা সাবেক এমপি এম এইচ খান মঞ্জু এবং জেলা বিএনপির আরেক বহিষ্কৃত নেতা সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, কামরুজ্জামান ভূঁইয়া ও উৎপল বিশ্বাস। এই চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী গ্রাম থেকে শহর সর্বত্র নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন।
গোপালগঞ্জ-২ আসনের বাসিন্দা কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। আর প্রার্থীদের যোগ্যতা ও প্রতিশ্রুতি বিবেচনা করে আমরা প্রার্থী নির্বাচনে গুরুত্ব দেব।’
এই আসনে বিএনপির প্রার্থী ডা. কে এম বাবর আলী, গণঅধিকার পরিষদের দ্বীন মোহাম্মদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা শুয়াইব ইব্রাহিমসহ মোট প্রার্থী ১৩ জন। এবারের নতুন ভোটার রেশমা আক্তার জানান, এবারে তিনি প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। এ জন্য তিনি বেশ উৎসাহ বোধ করছেন। তবে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে তিনি ভোট দিতে চান।
গোপালগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্লা, জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ মোল্লা, জাতীয় পার্টির সুলতান জামান খান, গণঅধিকার পরিষদের কাবির মিয়াসহ ৯ জন প্রার্থী গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে বিএনপির প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্লার সঙ্গে ভোটের মাঠে এগিয়ে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম, গণঅধিকার পরিষদের কাবির মিয়া এবং জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল হামিদ।
মুকসুদপুরের বাসিন্দা হানিফ মল্লিক বলেন, এই আসনে এবার জেলে থেকে নির্বাচন করছেন দুই জনপ্রিয় নেতা। তাঁরা হলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী কাবির মিয়া এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম। তাঁদের সঙ্গ বিএনপি প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি সংস্থা ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দীর্ঘমেয়াদি ইজারা দেওয়ার সরকারি উদ্যোগকে কেন্দ্র করে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর কয়েক সপ্তাহ ধরে গভীর সংকটে পড়েছে। আইনি জটিলতা, শ্রমিক আন্দোলন এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপের ক্ষোভে বন্দরের কার্যক্রম অচল হয়ে...
২ ঘণ্টা আগে
বরিশালের ২১টি আসনে জাতীয় নির্বাচনের প্রচার এখন তুঙ্গে। ভোটের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে অস্থিরতা-সহিংসতা। একসময়ের ঘাঁটি বরিশাল বিভাগে বিএনপি এবার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েছে জামায়াতের প্রার্থীর সঙ্গে।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-১ (সদর ও কালিয়া উপজেলা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন আটজন। দিন যত ঘনাচ্ছে, ততই জমে উঠছে প্রচার। তবে আসনটিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভোট বেশি থাকায় সেসব ভোট টানতে মরিয়া হয়ে প্রচার চালাচ্ছেন প্রার্থী ও তাঁদের কর্মী-সমর্থকেরা।
২ ঘণ্টা আগে
উন্নত যাত্রীসেবা, পণ্য পরিবহনে সীমাবদ্ধতা দূর করতে ২০১৮ সালে খুলনা-দর্শনা জংশন সেকশনে সিগন্যালসহ ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। প্রকল্পের অধিকাংশ ভারতীয় এক্সিম ব্যাংকের ঋণে (এলওসি) হওয়ার কথা ছিল। তবে সাত বছর পার হলেও সমীক্ষা ও নকশা প্রণয়ন ছাড়া মাঠপর্যায়ে কিছুই হয়নি এই প্রকল্পের।
৩ ঘণ্টা আগে