
রানা আব্বাস, কানসাস থেকে
রানা আব্বাস, কানসাস থেকে
সকল লেখা

তবু ক্লান্তিতে অজুহাত খুঁজবে না আর্জেন্টিনা
কানসাসের অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন কম্পাস মিনারেলস সেন্টারটা (সিএমসি) গত দেড় মাসে আর্জেন্টিনা দলের কাছে যেন নিজেদের ঘরের মতোই আপন হয়ে উঠেছিল। বিশ্বকাপের শুরু থেকে দেড় মাস ধরে আর্জেন্টিনা দল প্রস্তুতি সেরেছে এ ট্রেনিং সেন্টারেই।

স্কালোনির অনুশীলনে লিওনেল মেসি কোথায়
আর্জেন্টিনা দলের যেকোনো কার্যক্রমে সবার আগে যাঁকে খোঁজা হয়, তিনি লিওনেল মেসি। আজ কানসাসের ট্রেনিং সেন্টারেও যথারীতি সংবাদমাধ্যমের চোখ খুঁজছিল মেসিকেই। স্থানীয় সময় বিকেল ৬টায় দলের অনুশীলনে অধিকাংশকেই দেখা গেল। কিন্তু মেসি কোথায়?

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড দ্বৈরথ: বন্ধু তুমি, শত্রু তুমি
সুইসদের বিপক্ষে মেসিদের দারুণ এক জয়ের পর কানসাস স্টেডিয়ামের মিডিয়া সেন্টারে দেখা হতেই আর্জেন্টিনার টেলিভিশন টেলেফের সাংবাদিক এমিলিয়ানো লাপোলা ভ্রু বাঁকিয়ে বললেন, ব্রিটিশ মিডিয়া তো ‘খেলা’ শুরু করে দিয়েছে, দেখেছেন? কী খেলা, জানতে চাইলে তাঁর উত্তর, ‘মনস্তাত্ত্বিক খেলা! আর্জেন্টিনা দলকে নিয়ে যত নেতিবাচক

জীবনযুদ্ধে জয়ী মানুর স্বপ্নপূরণ মেসিতে
এমানুয়েল গুতিয়েরেস। ডাকনাম মানু। তাঁর সঙ্গে প্রথম দেখা কানসাসে, আর্জেন্টিনার ট্রেনিং সেন্টারে। পরে আবার দেখা কানসাস স্টেডিয়ামের মিডিয়া সেন্টারে। ভেনেজুয়েলার তরুণ স্বাধীন সাংবাদিক (ফ্রিল্যান্সার) মানু গুতিয়েরেস এবারের বিশ্বকাপে এমন সব সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, যা অনেক প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিকের কাছেও ঈর্ষণীয়।

জুস্ত ফঁতেনের রেকর্ড কি অক্ষতই থাকছে
জুস্ত ফঁতেন প্রয়াত হয়েছেন তিন বছর আগে। ২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ৮৯ বছর বয়সে মর্ত্যলোক ত্যাগ করেছেন ফরাসি কিংবদন্তি। জীবদ্দশায় তিনি খুব ভালোভাবেই দেখে গেছেন এ গ্রহের লিওনেল মেসি নামের এক ফুটবল জাদুকরকে।

জবাবটা দিতে হবে মেসিদেরই
লিওনেল মেসি একটু দেরিতে বের হলেন ড্রেসিংরুম থেকে। কানসাস সিটির স্পোর্টিং কেসি ট্রেনিং সেন্টারে আর্জেন্টিনার অনুশীলন দেখার সুযোগই মাত্র ১৫ মিনিট। ১০-১২ মিনিট পেরিয়ে যাওয়ার পর ধীরপায়ে কজন সতীর্থের সঙ্গে বের হলেন তিনি।

মেসিকে ‘মাতে’ খাওয়াচ্ছেন সতীর্থরা
লিওনেল মেসি একটু দেরিতে বের হলেন ড্রেসিংরুম থেকে। কানসাস সিটির স্পোর্টিং কেসি ট্রেনিং সেন্টারে আর্জেন্টিনার অনুশীলন দেখার সুযোগই মাত্র ১৫ মিনিট। ১০-১২ মিনিট পেরিয়ে যাওয়ার পর ধীর পায়ে কজন সতীর্থের সঙ্গে বের হলেন তিনি। বেরিয়ে মাঠেও গেলেন না, গা এলিয়ে বসলেন বেঞ্চে।

বারবার কাঠগড়ায় ফিফার রেফারিং
কানসাস সিটির রিভারফ্রন্ট এলাকায় আর্জেন্টিনা দলের বেস ক্যাম্পের সামনে পরশু রাতে কিছু ভক্ত-সমর্থক যথারীতি ড্রাম বাজাচ্ছিলেন, উল্লাস করে যাচ্ছিলেন। আটলান্টায় মিসরের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে কানসাসে বেস ক্যাম্পে ফিরেছে আর্জেন্টিনা। রাত ১০টায় নিরাপত্তাকর্মীরা ভক্ত-সমর্থকদের ড্রাম বাজান

নিখোঁজ সাম্বা, বিদায় ব্রাজিল
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।

যেখানে শুরু, সেখানেই শেষ নেইমারের
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।

মেসির হ্যাটট্রিকে দুর্দান্ত শুরু
ম্যাচ শুরুর খানিক আগে দৃশ্যটা দেখা গেল। বন্ধু সার্জিও আগুয়েরো ডাগআউটের কাছে ব্যস্ত ছিলেন টিভি শো নিয়ে। গা গরম শেষে মেসি এগিয়ে এলেন, বন্ধুকে ভালোবাসা জানালেন। এ দৃশ্যে করতালির শব্দ ভেসে এল কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামের পরিপূর্ণ গ্যালারি থেকে।

সাফল্যের চূড়ায় থেকেও কী সাধারণ আর্জেন্টিনার কোচ
কানসাস স্টেডিয়ামের মিডিয়া সেন্টারে কাল লিওনেল স্কালোনি সংবাদ সম্মেলন কাভার করতে গিয়ে শুধুই মুগ্ধ হতে হলো। বড় তারকায় ঠাসা দলকে যেভাবে ঠান্ডা মাথায় ‘কন্ট্রোল’ করেন, সেটাই করছেন সংবাদ সম্মেলনেও। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমকর্মীরা তাঁর কথা শুনে বার দুয়েক তালিও দিলেন।

মেসি-দর্শনে যতটা পথ পাড়ি দিতে হয়
কানসাস সিটি স্টেডিয়ামের মিডিয়া সেন্টারে আর্জেন্টিনা দলের কোচ লিওনেল স্কালোনি ও ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দির সংবাদ সম্মেলন শেষে বেলা ৪টায় ছুটতে হলো স্পোর্টিং কেসি ট্রেনিং সেন্টারে। সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে আর্জেন্টিনা দলের সংবাদ সম্মেলন। ১৫ মিনিট সুযোগ মিলবে আর্জেন্টিনা-দর্শনে।

আর্জেন্টাইনদের হৃদয়ে বাংলাদেশ
মিসৌরী নদীর তীরে নিরিবিলি, ছিমছাম বার্কলি রিভারফ্রন্ট এলাকায় রোববার বিকেলে যেতেই বুঝতে অসুবিধা হলো না এটাই আর্জেন্টিনা দলের ঘাঁটি। টিম হোটেলের পেছনের দিকটায় ডিয়েগো ম্যারাডোনার ছবি সংবলিত বিশাল পতাকা ঝুলিয়ে দিয়েছে আর্জেন্টাইনরা। তাঁরা ড্রাম বাজাচ্ছেন, উল্লাস করছেন। কোরাস তুলছেন, ‘ওলে, ওলে...ভামোস আর

সুখবর ও স্বস্তি নিয়ে শুরু করছে আর্জেন্টিনা
কানসাস বিমানবন্দরে নেমেই বোঝা গেল বিশ্বকাপের শহরে পা রেখেছি। নিউইয়র্কে বিশ্বকাপের আমেজ বোঝা যতটা কঠিন, কানসাসে তা নয়। বরং মিসৌরি রাজ্যের বৃহত্তম শহরকে রঙিন করে তোলা হয়েছে বিশ্বকাপের রঙে। এই কানসাসেই ঘাঁটি গেড়েছে আর্জেন্টিনা।
