
ড. এম আবদুল আলীম
ড. এম আবদুল আলীম
সকল লেখা

বঙ্গবন্ধুর অনশন ও বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্বদানের কারণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পুলিশি নির্যাতন, গ্রেপ্তার ও কারাভোগ করেন; ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা-বন্দী হিসেবে ঢাকা ও ফরিদপুর কারাগার থেকে আন্দোলনকারীদের নির্দেশনা দিয়ে ভাষা

সতীন সেন ভাষা আন্দোলনের আরেক শহীদ
ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত ফেব্রুয়ারি মাস এলে আমরা আবেগদীপ্ত হই। স্মরণ করি, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের নানা ঘটনা এবং এই ইতিহাসনির্মাতাদের। সময়-সময় নকলদের ভিড়ে আসল নামগুলো বিস্মৃত হতেও দেখা যায়।

বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের আলো কতটুকু ছড়াল
‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।’ এই অমোঘ মন্ত্র বুকে ধারণ করে ১৯২৬ সালে ঢাকায় যাত্রা শুরু করেছিল বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন। ‘মুসলিম সাহিত্য-সমাজে’র ব্যানারে এই আন্দোলনে উদ্যোগী ভূমিকা পালন করেন আবুল হুসেন, কাজী

ইতিহাসের কৃষ্ণপ্রহর
সময় প্রবাহিত হয়। সেই প্রবহমানতায় ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে সংঘটিত হয় নানা ঘটন-অঘটন। সেগুলোর কোনোটি থেকে প্রবাহিত হয় আলোকের ঝরনাধারা, আবার কোনোটি ঢাকা থাকে নিকষ অন্ধকারে। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট দিবাগত রাতে বাঙালির ইতিহাসে এমনই এক প্রহর নেমে এসেছিল, যা ইতিহাসে ‘কৃষ্ণপ্রহর’রূপে চিহ্নিত হয়ে জাতির ললাটে কলঙ্কতিল

বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি পদক প্রাপ্তির ৫০ বছর
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘জুলিও কুরি’ পদক প্রাপ্তির ৫০ বছর পূর্তি হচ্ছে এমন একসময়, যখন রাশিয়া-আমেরিকার কর্তৃত্বের লড়াইয়ে ইউক্রেন পুড়ছে ক্ষেপণাস্ত্রসহ অত্যাধুনিক সব অস্ত্রের আগুনে। শুধু কি তা-ই? পরাশক্তিগুলোর প্রভাব বিস্তার এবং

পাকিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন
বাংলাদেশ নামক জাতিরাষ্ট্রের যিনি জনক, আজ তাঁর জন্মদিন। তিনি জন্মেছিলেন ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ। জন্মস্থান পূর্ববঙ্গের নিভৃত পল্লি টুঙ্গিপাড়া। এই দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করতে গিয়ে জীবনের সোনালি প্রহরগুলো তিনি জেলে কাটিয়েছেন।

কৃষ্ণাঙ্গদের ভাষার লড়াই
কৃষ্ণাঙ্গদের ভাষার লড়াই পৃথিবীর ইতিহাসে তাদের নিজস্ব আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার শক্তি জুগিয়েছিল। এখানেই আমাদের রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের সঙ্গে তাদের ভাষার লড়াইয়ের মিল পাওয়া যায়।

সর্বংসহা ফজিলাতুন নেছা মুজিব
কালে কালে এমন সব মানুষের আগমন ঘটে, যাঁরা সর্বংসহা ধরিত্রীর মতো সবকিছু সহ্য করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করেন এবং জীবন উৎসর্গ করে যান। তাঁরা ধূপকাঠির মতো নিজে নিঃশেষ হন, কিন্তু সৌরভ ছড়ান চারদিকে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী ফজিলাতুন নেছা মুজিব ছিলেন এমনই একজন মানুষ,

ভাষার লড়াইয়ে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
কালজয়ী সংগীত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’-এর রচয়িতা আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীকে ২৮ মে মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে। এদিনই তাঁর মরদেহ লন্ডন থেকে ঢাকা এসে পৌঁছেছিল।

একাত্তরের অবরুদ্ধ পয়লা বৈশাখ
পয়লা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। দিনটি বাঙালির জীবনে আনে উৎসবের আমেজ। ধর্ম, বর্ণ, পেশা, বয়স—সবকিছুর ঊর্ধ্বে সব বাঙালিকে মিলিত করে এক মিলন মোহনায়।

ভাষার লড়াইয়ে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ
রাষ্ট্রভাষা-আন্দোলনে পূর্ববঙ্গের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্রসংগঠন এবং সাংস্কৃতিক সংগঠন সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। প্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবির কথা নিজেদের মেনিফেস্টোতে উল্লেখ করে গণআজাদী লীগ নামক রাজনৈতিক দল। এরপর তমদ্দুন মজলিশ, গণতান্ত্রিক যুবলীগ, পূর্

রাষ্ট্রভাষার লড়াইয়ে কমিউনিস্ট পার্টি
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের সময় কমিউনিস্ট পার্টির নেতা-কর্মীদের ওপর মুসলিম লীগ সরকার কঠোর দমন-পীড়ন চালালেও এই সংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে ভাষা আন্দোলনে যুক্ত হন। ১৯১৭ সালে রুশ বিপ্লবের প্রভাবে বিশ্বের দেশে দেশে কমিউনিস্ট পার্টি ও কমিউনিস্ট আন্দোলন গড়ে ওঠে।

বাবা-এ-উর্দুর সুকীর্তি-কুকীর্তি
পাকিস্তানের সব অঞ্চলের মানুষকে এক পতাকাতলে সমবেত করতে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পরপরই উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। তারা দাপ্তরিক কাজে যেমন বাংলা ভাষা বর্জন করতে থাকে, তেমনি জোর করে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়।

চিরস্মরণীয় ১০ জানুয়ারি
জাতির জীবনে কখনো কখনো এমন দিন আসে, যা চিরকাল স্মরণে থাকে। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি এমনই এক গৌরবদীপ্ত দিন। সেদিন স্বাধীন বাংলাদেশে বীরের বেশে ফিরে এসেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এর আগে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তিরানব্বই হাজার সৈন্য সঙ্গে নিয়ে আত্মসমর্পণ করেন পাকিস্ত

বাংলাদেশের বন্ধু অঁদ্রে মালরো
ফরাসি লেখক অঁদ্রে মালরো ছিলেন বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠন ছাড়াও যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে পালন করেন অসামান্য ভূমিকা। তিনি মানবের দুঃখ-দুর্দশায় যেমন বিচলিত হয়েছেন, তেমনি তা লাঘবে কাজ করেছেন নিরলসভাবে। এমনকি বিভিন্ন যুদ্ধে পর্যন্ত অংশগ্রহণ করেছেন, গুলি ছুড়ে

বঙ্গবন্ধুর বাঙালিয়ানা
মাতা, মাতৃভাষা ও মাতৃভূমি সবার কাছেই প্রিয়। এ ক্ষেত্রে বাঙালির আবেগ একটু গভীর এবং ভিন্ন ব্যঞ্জনার দ্যোতক। কেননা, এই জাতি মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছে এবং বুকের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করেছে, এমনকি জীবন পর্যন্ত উৎসর্গ করেছে।
