
অরুণ কর্মকার
অরুণ কর্মকার
সকল লেখা

ইরান যুদ্ধ এবং দেশের সংকট মোকাবিলার চ্যালেঞ্জ
দেশে একটি নতুন সরকারের যাত্রা কেবল শুরু হয়েছে। এই সরকারের কাছে জাতির অনেক প্রত্যাশা। তার মধ্যে সামাজিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন, জীবনযাত্রার ব্যয়ভার কমানো এবং তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার বিষয় আছে। এর বাইরে আরও অনেক কিছুরই প্রত্যাশা আছে।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে দেশে বড় সংকটের শঙ্কা
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার আজ অষ্টম দিনে গড়িয়েছে। থেমে নেই ইরানও। আক্রান্ত হওয়ার পরপরই তারাও ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় ১৫টি দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছে। ফলে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে যে যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, ইতিমধ্যে সারা পৃথিবী তার বিরূপ প্রভাব...

নতুন পর্বের সূচনা এবং সরকারের চ্যালেঞ্জ
একটি গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর তারা দেড় বছরের এলেবেলে শাসন চালিয়েছে। অনেক অনিশ্চয়তার পর ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের শাসনভার গ্রহণ করেছেন।

বিএনপির প্রতিশ্রুতি, প্রত্যাশা ও বাস্তবতা
দেশবাসীর অফুরন্ত শুভকামনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে যাত্রা শুরু করেছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার। দেশ-বিদেশের সকল পর্যায় থেকে গ্রহণযোগ্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে।

বন্ধুর পথ তবু সময় এখন এগিয়ে যাওয়ার
অনেকের অনেক আশঙ্কা, উদ্বেগ, অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে শেষ পর্যন্ত ভালোভাবেই অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন ও গণভোট। যদিও সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল ও জোটগুলোর আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক অনেক অভিযোগ ছিল বা রয়েছে।

সুষ্ঠু নির্বাচনের জনপ্রত্যাশা পূরণ হবে তো
সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও তর্কাতীত নির্বাচন বাংলাদেশের মানুষের সব সময়ের প্রত্যাশা ছিল। জাতীয় নির্বাচন তো বটেই, স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনেও জনমানুষের আকাঙ্ক্ষা হচ্ছে, প্রতিটি নির্বাচনই যেন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়। তারা চায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তারা যে যার

গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তি বনাম প্রক্রিয়াগত অনুমোদন
দেশে নির্বাচনী আবহ বেশ ভালোভাবেই দেখা যাচ্ছে। জমজমাট প্রচার, শোরগোল তোলা প্রচারণার পাশাপাশি রক্তক্ষয়ী সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে। এসব সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও ঘটছে। নির্বাচনে বাতিল ঘোষিত প্রার্থিতা পুনরুদ্ধারের জন্য আইনি লড়াই এখনো অব্যাহত আছে।

আচরণবিধি, ইসির পক্ষপাত ও অন্যান্য প্রসঙ্গ
আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে জনপরিসরে নির্বাচনী আবহ ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলো এবং প্রার্থীরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় সরাসরি ভোট চাইতে শুরু করেছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এই পর্যায়ে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে প্রার্থীদের নির্বাচনী...

জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কি অস্বস্তিগুলো কাটল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটের পালে হাওয়া লাগা যাকে বোঝায়, সে রকম কোনো কিছু এখনো সাধারণ জনপরিসরে দেখা যাচ্ছে না। এবারই একসঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে একই দিনে। কিন্তু মানুষকে এখন পর্যন্ত নির্বাচনমুখী হতে দেখা যাচ্ছে না।

এলপি গ্যাসের সংকট একটি সংকেতমাত্র
প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে তরল পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের তীব্র সংকট দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতার একটি সংকেত মাত্র। যদিও সব ক্ষেত্রেই জ্বালানির ঘাটতি দীর্ঘকালের। সাধারণভাবে কখনো কম কখনো বেশি ঘাটতি নিয়েই দেশ চলেছে। এবারের মতো সংকটময় পরিস্থিতির উদ্ভব কালেভদ্রেই হয়ে থাকে।

অতীতের দুঃস্বপ্নগুলো মুছে দিক ২০২৬
রাষ্ট্রীয় ও জাতীয়ভাবে আমাদের অতীতকে মোটেই সুখের কিংবা স্বস্তির বলা যায় না। প্রকৃত অর্থে সমৃদ্ধিরও নয়। ১৯৭১ সালে সংঘটিত সর্বাত্মক সশস্ত্র জনযুদ্ধ-মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে যে জনপ্রত্যাশা নিয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, ৫৪ বছরে তার কতটুকু পূরণ হয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ ও বিতর্ক থেকেই গেছে।

এভাবে চলতে থাকলে কি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে
জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে সন্ত্রাসীরা যে নজিরবিহীন নৃশংস হামলা করেছে, তার সূত্র ধরেই শুরু করতে হচ্ছে। ঘটনার পূর্বাপর সবাই এখন জানেন। তাই সংক্ষেপে শুধু একটি বিষয় উল্লেখ করব। হামলার আলামত স্পষ্ট হয়ে ওঠার পরই প্রথম আলোর পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সরকারের বিভিন্ন...

শঙ্কা যেন পিছু ছাড়তে চাইছে না
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে গণভোটের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে, দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি ততই যেন জটিলতর হয়ে উঠছে। সন্ত্রাস, সহিংসতা, হত্যাকাণ্ড চলেছে অব্যাহতভাবে। ফলে জনমনে প্রতিদিনই নতুন নতুন শঙ্কা, সংশয় দানা বাঁধছে।

রাজনৈতিক পরিস্থিতি কি খুবই অস্থিতিশীল!
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কখনোই যে প্রকৃত অর্থে শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল ছিল তা বলা যাবে না। এখনো যে তা আছে তেমনও নয়। কিন্তু সেটা কি এমন মাত্রার যাতে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা যাবে না? রাজনীতিতে কী এমন সংকট এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে যাতে তফসিল ঘোষণা বন্ধ রাখতে...

দ্বিমতের অবসান কিংবা ঐকমত্যের সোনার হরিণ
অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো উদ্যোগ ও পদক্ষেপই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেকার দ্বিমতের অবসান ঘটাতে পারল না। জুলাই অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক দলগুলো একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তি হিসেবে মাঠে নেমেছিল। তারা ঐক্যবদ্ধ শক্তি হিসেবেই অন্তর্বর্তী সরকারের পাশে থেকে গণতন্ত্রের নতুন পথ তৈরির যুগপৎ ঘোষণা দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল।

রেফারি নিষ্ক্রান্ত, সরকার উদ্যোগহীন
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া-পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সৃষ্ট মতভেদ নিরসনে অন্তর্বর্তী সরকার সাত দিনের আলটিমেটাম দেওয়ার পর, আজ শনিবার পঞ্চম দিন অতিবাহিত হচ্ছে। কিন্তু দলগুলোর মধ্যে যেন কোনো বিকার নেই। একমাত্র জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের সমমনা কয়েকটি দল ছাড়া এ বিষয়ে...
