Ajker Patrika

ট্রাম্পের ‘ডনরো ডকট্রিন’ ও ভেনেজুয়েলা হামলা উসকে দেবে কর্তৃত্ববাদ ও বৈশ্বিক অস্থিরতা

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬: ০৩
ট্রাম্পের ‘ডনরো ডকট্রিন’ ও ভেনেজুয়েলা হামলা উসকে দেবে কর্তৃত্ববাদ ও বৈশ্বিক অস্থিরতা
মনরো ডকট্রিনের নতুন ভার্সনের প্রয়োগ হিসেবেই যেন ভেনেজুয়েলায় হামলা করেছেন ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দী করার মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও প্রমাণ করলেন যে, মার্কিন সামরিক শক্তির জোরে তিনি নিজের ইচ্ছাকে কতটা প্রবলভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন। তাঁর নির্দেশে মাদুরো এখন জেলে এবং এখন থেকে ভেনেজুয়েলা ‘চালাবে’ যুক্তরাষ্ট্র।

ফ্লোরিডায় নিজের ক্লাব ও বাসভবন মার-এ-লাগোতে এক সংবাদ সম্মেলনে ভেনেজুয়েলায় হামলা ও মাদুরোকে বন্দী করার ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বিশ্বজুড়ে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির ওপর এই ঘটনার প্রভাব হতে যাচ্ছে সুদূরপ্রসারী। কারণ, ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন—‘যতক্ষণ না আমরা একটি নিরাপদ, যথাযথ এবং বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন রূপান্তর নিশ্চিত করতে পারছি’, ততক্ষণ ভেনেজুয়েলার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের হাতেই থাকবে।

তিনি জানান, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভেনেজুয়েলার ভাইস-প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজের সঙ্গে কথা বলেছেন। রদ্রিগুয়েজ নাকি তাঁকে বলেছেন, ‘আপনারা যা চান আমরা তা-ই করব...আমার মনে হয় তিনি বেশ মার্জিত ব্যবহার করেছেন, কিন্তু আসলে তো তাঁর সামনে অন্য কোনো উপায় ছিল না।’ তবে বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাম্প ছিলেন বেশ সংযত। তিনি কেবল বলেন, ‘প্রয়োজন পড়লে সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে সেনা নামাতেও আমরা ভয় পাই না।’

কিন্তু ট্রাম্প কি আসলেই বিশ্বাস করেন যে—রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে তিনি ভেনেজুয়েলা শাসন করতে পারবেন? মুখে যা বলছেন সামরিক শক্তি দিয়ে তা কার্যকর করার এই যে নমুনা—যা মার-এ-লাগোতে মার্কো রুবিও এবং মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ উভয়েই অকৃপণভাবে প্রশংসা করেছেন—তা কি ভেনেজুয়েলাকে নতুন রূপ দিতে এবং লাতিন আমেরিকার অন্য নেতাদের বশ করতে যথেষ্ট হবে?

ট্রাম্পের কথা শুনে মনে হচ্ছে, তিনি তেমনটাই বিশ্বাস করেন। তবে লক্ষণ দেখে মনে হচ্ছে কাজটা সহজ বা মসৃণ হবে না। থিংক ট্যাংক ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ গত অক্টোবরেই সতর্ক করেছিল যে, মাদুরোর পতন ভেনেজুয়েলায় সহিংসতা ও অস্থিরতা বয়ে আনতে পারে। একই মাসে নিউইয়র্ক টাইমস খবর প্রকাশ করেছিল, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক কর্মকর্তারা মাদুরোর পতনের পর কী হতে পারে তা নিয়ে একটি ছক কষেছিলেন। তাদের সিদ্ধান্ত ছিল, ক্ষমতার জন্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর লড়াইয়ের ফলে এক ভয়াবহ বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হতে পারে।

নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত ও বন্দী করা মার্কিন সামরিক শক্তির এক নজিরবিহীন বহিঃপ্রকাশ। যুক্তরাষ্ট্র এক বিশাল নৌবহর জড়ো করেছিল এবং কোনো আমেরিকান প্রাণহানি ছাড়াই নিজেদের লক্ষ্য হাসিল করেছে। মাদুরো তাঁর নির্বাচনী পরাজয়কে একপাশে সরিয়ে ভেনেজুয়েলার জনগণের ইচ্ছাকে উপেক্ষা করেছিলেন। তাই নিঃসন্দেহে তার বিদায় অনেক নাগরিকের কাছেই স্বস্তির। তবে মার্কিন এই পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়া কেবল ভেনেজুয়েলার সীমানায় আটকে থাকবে না, বরং আরও বহুদূর পর্যন্ত প্রতিধ্বনিত হবে।

মার-এ-লাগোর সংবাদ সম্মেলনে এক ধরনের বিজয়োল্লাস দেখা গেছে। উচ্চপদস্থ পেশাদার মার্কিন বাহিনীর নিখুঁত এক অপারেশন উদ্‌যাপন করছিলেন তারা। তবে এই সামরিক অভিযান কেবল প্রথম ধাপ। গত ৩০ বছরে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে অন্য দেশে শাসন পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আমেরিকার ইতিহাস বেশ করুণ। পুরো প্রক্রিয়াটি সফল হবে নাকি ব্যর্থ হবে, তা নির্ভর করে পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপের ওপর।

২০০৩ সালে মার্কিন আক্রমণের পর ইরাক এক রক্তাক্ত বিপর্যয়ে নিমজ্জিত হয়েছিল। আর আফগানিস্তানে দুই দশক ধরে কোটি কোটি ডলার খরচ করে জাতি গঠনের চেষ্টা ২০২১ সালে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ধূলিসাৎ হয়ে যায়। অবশ্য এই দুই দেশের কেউই আমেরিকার ঘরের কাছের প্রতিবেশী ছিল না। তবুও লাতিন আমেরিকায় অতীতের হস্তক্ষেপে যে বিষময় স্মৃতি—এবং ভবিষ্যতে আরও হস্তক্ষেপের হুমকি—খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়।

ট্রাম্প ১৮২৩ সালের জেমস মনরো ঘোষিত ‘মনরো ডকট্রিন’-এর আদলে একটি নতুন নাম দিয়েছেন—‘ডনরো ডকট্রিন।’ এই নীতিতে অন্য পরাশক্তিদের পশ্চিম গোলার্ধে আমেরিকার প্রভাব বলয়ে নাক না গলাতে সতর্ক করা হয়েছিল। ট্রাম্প বলেন, ‘মনরো ডকট্রিন বড় বিষয় ছিল ঠিকই, কিন্তু আমরা তাকে অনেক ছাড়িয়ে গেছি। আমাদের নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলের অধীনে পশ্চিম গোলার্ধে আমেরিকান আধিপত্য নিয়ে আর কখনোই প্রশ্ন উঠবে না।’ তিনি আরও বলেন, কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোকে এখন নিজের ‘পশ্চাদ্দেশ সামলে চলতে হবে।’ পরে তিনি ফক্স নিউজকে বলেন, ‘মেক্সিকোর ব্যাপারেও কিছু একটা করতে হবে।’

কিউবাও যে নিশ্চিতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যতালিকায় আছে, তা বোঝা যায় মার্কো রুবিওর তৎপরতায়, যার বাবা-মা কিউবান-আমেরিকান। লাতিন আমেরিকায় সশস্ত্র হস্তক্ষেপের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। ১৯৯৪ সালে হাইতিতে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ২৫ হাজার সেনা এবং দুটি বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছিলেন শাসন পরিবর্তনের জন্য। তখন হাইতির শাসকেরা একটি গুলিও না ছুঁড়ে আত্মসমর্পণ করেছিল। কিন্তু এতে ভালো কিছু হয়নি। এরপরের ৩০ বছর হাইতির মানুষের জন্য ছিল চরম দুর্দশার কাল। হাইতি এখন সশস্ত্র গ্যাংগুলো শাসিত একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলাকে আবারও মহান করার কথা বলেছেন ঠিকই, কিন্তু গণতন্ত্র নিয়ে তেমন কিছু বলেননি। ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া করিনা মাচাদো—যিনি ২০২৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন—দেশের নেতৃত্ব দেবেন এমন ভাবনা তিনি নাকচ করে দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয় তার পক্ষে নেতা হওয়া খুব কঠিন হবে, কারণ তার প্রতি মানুষের সমর্থন নেই...তিনি মানুষের সম্মান পাচ্ছেন না।’ এমনকি যাকে অনেক ভেনেজুয়েলান ২০২৪ সালের নির্বাচনের প্রকৃত বিজয়ী বলে মনে করেন, সেই এডমুন্ডো গঞ্জালেসের নামও তিনি উচ্চারণ করেননি।

এর পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র আপাতত মাদুরোর সাবেক ভাইস-প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজকেই সমর্থন দিচ্ছে। মাদুরোকে সরানোর জন্য প্রয়োজনীয় গোপনীয় তথ্য পেতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ভেতরে কেউ যোগসাজশ করে থাকতে পারে। তবে মাদুরোর পূর্বসূরি হুগো শ্যাভেজ যে শাসনব্যবস্থা তৈরি করেছিলেন, তা এখনো অটুট বলেই মনে হচ্ছে। মার্কিন হামলা ঠেকাতে না পেরে ভেনেজুয়েলার সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেলরা হয়তো অপমানিত বোধ করছেন, তবে তারা যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা সহজে মেনে নেবে বলে মনে হয় না।

সামরিক বাহিনী এবং শাসনের বেসামরিক সমর্থকেরা দুর্নীতির মাধ্যমে যে সম্পদের পাহাড় গড়েছে, তারা তা হারাতে চাইবে না। এই শাসনামলেই বেসামরিক মিলিশিয়াদের অস্ত্র দেওয়া হয়েছে এবং ভেনেজুয়েলায় আরও অনেক সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে যেমন অপরাধী চক্র আছে, তেমনি আছে কলম্বিয়ার গেরিলারাও—যারা নিরাপদ আশ্রয়ের বিনিময়ে মাদুরো সরকারকে সমর্থন দিয়ে আসত।

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হস্তক্ষেপ ট্রাম্পের বিশ্ববীক্ষার কিছু মৌলিক দিক সামনে নিয়ে এসেছে। অন্য দেশের খনিজ সম্পদের প্রতি তার লোভের কথা তিনি গোপন করেন না। ইতিমধ্যেই তিনি ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তার বিনিময়ে তাদের প্রাকৃতিক সম্পদ থেকে মুনাফা আদায়ের চেষ্টা করেছেন। ভেনেজুয়েলার বিশাল খনিজ ভান্ডার নিয়ন্ত্রণের আকাঙ্ক্ষাও ট্রাম্প লুকাননি। তিনি বিশ্বাস করেন, তেল শিল্প জাতীয়করণের মাধ্যমে মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোকে ঠকানো হয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণে সম্পদ বের করে আনব। সেই সম্পদ ভেনেজুয়েলার জনগণের কাছে যাবে, যারা ভেনেজুয়েলার বাইরে আছেন তাদের কাছে যাবে এবং খরচ পুষিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছেও আসবে।’ এই বিষয়টি গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের ভয়কেও বাড়িয়ে দেবে যে, ট্রাম্প কেবল দক্ষিণে নয়, উত্তর দিকেও নজর দিতে পারেন। কৌশলগত অবস্থান এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে বরফ গলে সহজলভ্য হয়ে ওঠা প্রাকৃতিক সম্পদের কারণে গ্রিনল্যান্ড দখল করার ইচ্ছা যুক্তরাষ্ট্র এখনো ত্যাগ করেনি।

মাদুরো অপারেশনটি আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে বিশ্ব পরিচালনার ধারণাতেও একটি বড় আঘাত। ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার আগেই এই ধারণা নড়বড়ে ছিল। তবে তিনি দেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে বারবার প্রমাণ করছেন যে, নিজের পছন্দ না হলে তিনি যেকোনো আইন উপেক্ষা করতে পারেন।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারসহ ইউরোপীয় মিত্ররা—যারা তাঁকে চটাতে ভয় পাচ্ছেন—এখন এমন পথ খুঁজছেন, যাতে তারা আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সমর্থনও জানাতে পারেন। আবার মাদুরো অপারেশন যে জাতিসংঘ সনদের স্পষ্ট লঙ্ঘন, তাও যেন সরাসরি বলতে না হয়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি—মাদুরো মাদক সম্রাট, যিনি প্রেসিডেন্টের ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন, আর তাঁকে গ্রেপ্তার করা কেবল আইনি পরোয়ানা বাস্তবায়ন। কিন্তু ট্রাম্প যখন ঘোষণা করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র এখন দেশটির তেল শিল্প নিয়ন্ত্রণ করবে, তখন এই দাবি বেশ দুর্বল শোনায়।

মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই কারাকাসে তিনি চীনা কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। চীন মার্কিন এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এই আধিপত্যবাদী আচরণ আন্তর্জাতিক আইন এবং ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্বকে চরমভাবে লঙ্ঘন করে এবং লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলে।’ যুক্তরাষ্ট্রের উচিত ‘অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা লঙ্ঘন করা বন্ধ করা।’

তা সত্ত্বেও চীন হয়তো এই ঘটনার মধ্যে একটি নজির দেখতে পাচ্ছে। চীন তাইওয়ানকে একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসেবে গণ্য করে এবং বেইজিংয়ের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনাকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছে। ওয়াশিংটনে সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির ডেমোক্রেটিক ভাইস-চেয়ারম্যান সিনেটর মার্ক ওয়ার্নারও ঠিক এই আশঙ্কাই প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, চীনের নেতারা এবং অন্যরা গভীর মনোযোগ দিয়ে বিষয়টি লক্ষ্য করছেন।

ওয়ার্নার বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি অপরাধের দায়ে অন্য দেশের নেতাদের বন্দী করতে সামরিক বাহিনী ব্যবহারের অধিকার দাবি করে, তবে চীনকে তাইওয়ানের নেতাদের ক্ষেত্রে একই ক্ষমতা দাবি করা থেকে কে আটকাবে? ভ্লাদিমির পুতিনকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে অপহরণ করার একই অজুহাত দিতে কে বাধা দেবে? একবার এই সীমারেখা অতিক্রম করলে বিশ্ব শৃঙ্খলা রক্ষার নিয়মগুলো ভেঙে পড়তে শুরু করবে এবং স্বৈরাচারী শাসকরাই প্রথম এর সুযোগ নেবে।’

ডোনাল্ড ট্রাম্প মনে করেন যে, তিনিই নিয়ম তৈরি করেন, আর যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে যা প্রযোজ্য, তা অন্য কেউ দাবি করতে পারবে না। কিন্তু শক্তির দুনিয়া আসলে সেভাবে চলে না। ২০২৬ সালের শুরুতে তাঁর এই পদক্ষেপগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, সামনে আরও ১২ মাস বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা বজায় থাকবে।

বিবিসি থেকে অনুবাদ করেছে আজকের পত্রিকার সহসম্পাদক আব্দুর রহমান

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত