
শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টের স্পিকার আজ বুধবার দেশটির প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের মৌখিক পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কিন্তু গোতাবায়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর পদত্যাগপত্র পাঠাননি। ফলে এখনই কার্যকর হচ্ছে না তাঁর পদত্যাগ। কিন্তু গোতাবায়ার এই অবস্থান কেন? কেন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করছেন না?
গত ৯ জুলাই বিক্ষোভকারীদের প্রবল আন্দোলনের মুখে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ ছেড়েছিলেন গোতাবায়া। পরে গত মঙ্গলবার তিনি উড়োজাহাজযোগে দেশত্যাগের চেষ্টা করলে বিমানবন্দরে তাঁকে বাধা দেওয়া হয়। বাধার মুখে তিনি ১৩ জুলাই সকালে দেশটির সেনাবাহিনীর একটি উড়োজাহাজে করে মালদ্বীপ পৌঁছান। যাওয়ার আগে তিনি দেশের সংশোধিত সংবিধান মোতাবেক দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেন।
গোতাবায়ার কাছের লোক বলে পরিচিত রনিল বিক্রমাসিংহের নেতৃত্ব নিয়েও এরই মধ্যে গুঞ্জন উঠেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী তলব করায় তাঁর অবস্থান নিয়ে সন্দেহ আরও তীব্র হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় দখল করে নিয়েছে। অনাস্থা প্রকাশ করেছেন বিরোধী রাজনীতিবিদেরাও।
শ্রীলঙ্কার সাবেক প্রেসিডেন্ট চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গার উপদেষ্টা রাম মানিক্কালিঙ্গাম বিবিসিকে বলেছেন, ‘শ্রীলঙ্কা একটি অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যেখানে একজন অনির্বাচিত ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। কেবল তা-ই নয়, তিনি পার্লামেন্টেও তাঁর নিজ পদের জন্যও নির্বাচিত হননি। আর এখন তিনি দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করছেন।’
সব মিলিয়ে গোতাবায়ার কার্যক্রমে দেশটির আন্দোলনকারীদের মনে সন্দেহের উদ্রেক করেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, গোতাবায়া তাঁর প্রেসিডেন্ট পদের দায়মুক্ত থাকার সুবিধাটিই এখন নিচ্ছেন। দেশটির নতুন কোনো সরকার যেন তাঁকে গ্রেপ্তার করতে না পারে, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতেই তাঁর এমন অবস্থান বলে ধারণা অনেকের।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গোতাবায়া মালদ্বীপ থেকে দুবাই বা সিঙ্গাপুরে যেতে পারেন। যেখানেই যান না কেন, গোতাবায়া তাঁর গ্রেপ্তার এড়ানোয় বদ্ধপরিকর বলেই মনে হচ্ছে। নইলে আজ বুধবার তাঁর পদত্যাগের কথা থাকলেও তিনি কেবল মৌখিকভাবেই পদত্যাগ করেছেন। অথচ, দেশটির সংবিধান অনুসারে তাঁর পদত্যাগ তখনই কার্যকর হবে যখন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র হাতে পাবেন।
ফলে এই ধারণাটিই স্পষ্ট হচ্ছে যে—যতক্ষণ পর্যন্ত গোতাবায়া তাঁর গ্রেপ্তারের বিষয়টি এড়ানোর নিশ্চয়তা না পাচ্ছেন, ততক্ষণ অবধি গোতাবায়া তাঁর দায়িত্ব ত্যাগে টালবাহানা করতে পারেন।

শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টের স্পিকার আজ বুধবার দেশটির প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের মৌখিক পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কিন্তু গোতাবায়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর পদত্যাগপত্র পাঠাননি। ফলে এখনই কার্যকর হচ্ছে না তাঁর পদত্যাগ। কিন্তু গোতাবায়ার এই অবস্থান কেন? কেন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করছেন না?
গত ৯ জুলাই বিক্ষোভকারীদের প্রবল আন্দোলনের মুখে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ ছেড়েছিলেন গোতাবায়া। পরে গত মঙ্গলবার তিনি উড়োজাহাজযোগে দেশত্যাগের চেষ্টা করলে বিমানবন্দরে তাঁকে বাধা দেওয়া হয়। বাধার মুখে তিনি ১৩ জুলাই সকালে দেশটির সেনাবাহিনীর একটি উড়োজাহাজে করে মালদ্বীপ পৌঁছান। যাওয়ার আগে তিনি দেশের সংশোধিত সংবিধান মোতাবেক দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেন।
গোতাবায়ার কাছের লোক বলে পরিচিত রনিল বিক্রমাসিংহের নেতৃত্ব নিয়েও এরই মধ্যে গুঞ্জন উঠেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী তলব করায় তাঁর অবস্থান নিয়ে সন্দেহ আরও তীব্র হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় দখল করে নিয়েছে। অনাস্থা প্রকাশ করেছেন বিরোধী রাজনীতিবিদেরাও।
শ্রীলঙ্কার সাবেক প্রেসিডেন্ট চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গার উপদেষ্টা রাম মানিক্কালিঙ্গাম বিবিসিকে বলেছেন, ‘শ্রীলঙ্কা একটি অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যেখানে একজন অনির্বাচিত ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। কেবল তা-ই নয়, তিনি পার্লামেন্টেও তাঁর নিজ পদের জন্যও নির্বাচিত হননি। আর এখন তিনি দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করছেন।’
সব মিলিয়ে গোতাবায়ার কার্যক্রমে দেশটির আন্দোলনকারীদের মনে সন্দেহের উদ্রেক করেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, গোতাবায়া তাঁর প্রেসিডেন্ট পদের দায়মুক্ত থাকার সুবিধাটিই এখন নিচ্ছেন। দেশটির নতুন কোনো সরকার যেন তাঁকে গ্রেপ্তার করতে না পারে, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতেই তাঁর এমন অবস্থান বলে ধারণা অনেকের।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গোতাবায়া মালদ্বীপ থেকে দুবাই বা সিঙ্গাপুরে যেতে পারেন। যেখানেই যান না কেন, গোতাবায়া তাঁর গ্রেপ্তার এড়ানোয় বদ্ধপরিকর বলেই মনে হচ্ছে। নইলে আজ বুধবার তাঁর পদত্যাগের কথা থাকলেও তিনি কেবল মৌখিকভাবেই পদত্যাগ করেছেন। অথচ, দেশটির সংবিধান অনুসারে তাঁর পদত্যাগ তখনই কার্যকর হবে যখন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র হাতে পাবেন।
ফলে এই ধারণাটিই স্পষ্ট হচ্ছে যে—যতক্ষণ পর্যন্ত গোতাবায়া তাঁর গ্রেপ্তারের বিষয়টি এড়ানোর নিশ্চয়তা না পাচ্ছেন, ততক্ষণ অবধি গোতাবায়া তাঁর দায়িত্ব ত্যাগে টালবাহানা করতে পারেন।

উনিশ শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রতিবেশী দেশে যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে চাপ প্রয়োগ করলেও ভেনেজুয়েলার ঘটনাটি নজিরবিহীন। কারণ, এভাবে সামরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে একটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে তুলে নেওয়া এবং সরাসরি সে দেশ পরিচালনার ঘোষণা দেওয়ার মতো নগ্ন সাম্রাজ্যবাদের উদাহরণ আর নেই।
৯ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা বিদেশি শক্তির মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনকে সংক্ষেপে বলেন ‘ফার্ক’ বা ফরেন-ইমপোজড রেজিম চেঞ্জ (FIRC)। অধ্যাপক ডাউন্সের মতে, লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের প্রায় ২০টি দেশে যুক্তরাষ্ট্র বারবার হস্তক্ষেপ করেছে। ১৯৫৪ সালে গুয়াতেমালার তিনটি সরকারকে একে একে ক্ষমতাচ্যুত করার রেকর্ড...
১৪ ঘণ্টা আগে
বিক্ষোভের প্রধান কারণ ছিল মুদ্রার বিনিময় হারের তীব্র অস্থিতিশীলতা। কয়েক মাস ধরে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানি রিয়ালের মান ক্রমাগত কমছিল, ফলে মুদ্রাস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্য আকাশচুম্বী হয়েছে। রোববার নাগাদ খোলাবাজারে এক ডলারের মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১৪ লাখ ৫০ হাজার রিয়ালে।
১৮ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযান এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে নাটকীয়ভাবে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন আশঙ্কার মেঘ দেখা দিচ্ছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষক এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ শুধু দক্ষিণ আমেরিকায় সীমাবদ্ধ থাকবে না
২১ ঘণ্টা আগে