আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ডেলটা ফোর্স কমান্ডোদের অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে শয়নকক্ষ থেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বিশ্ব রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নীরবতা বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে। মাদুরোকে বর্তমানে নিউইয়র্কের আদালতে মাদক পাচার মামলায় বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র বলে মস্কো প্রচার করে আসলেও তাঁর ব্যাপারে পুতিন প্রকাশ্যে একটি কথাও বলেননি।
ঘটনাটি ঘিরে রাশিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ব্যঙ্গাত্মক মিম ভাইরাল হয়েছে। এই মিমে ‘আমরা আমাদের লোকদের ছেড়ে যাই না’—পুতিনের এমন একটি উক্তির পাশে তাঁর সঙ্গে সাবেক মিত্রদের ছবি জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এসব মিত্রের তালিকায় আছেন লিবিয়ার প্রয়াত নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি, সিরিয়ার বাশার আল-আসাদ এবং ইউক্রেনের ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ। সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে মাদুরোর ছবি, যাকে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অপহরণ করেছে বলে অভিযোগ।
মাদুরোকে ধরে নিয়ে যাওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় রাশিয়ার সরবরাহ করা বুক-২ এমএ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও রাডার ধ্বংস করে দেয়। রাশিয়া ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তিও আছে। তবে এই চুক্তিতে সরাসরি সামরিক সহায়তার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভেনেজুয়েলার ঘটনাটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য সশস্ত্র আগ্রাসন’ বললেও পুতিন নিজে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।
বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে রাশিয়ার আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দীর্ঘ মেয়াদে তারা লাভবান হতে পারে। লন্ডনভিত্তিক থিংক ট্যাংক সেন্ট্রাল এশিয়া ডিউ ডিলিজেন্সের প্রধান আলিশের ইলখামভ বলেন, ‘মাদুরো ছিলেন লাতিন আমেরিকায় পুতিনের সবচেয়ে অনুগত মিত্র। তাঁর পতনে পুতিনের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে। তবে পুতিনের কাছে এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো নতুন বিশ্বব্যবস্থা, যেখানে শক্তিই প্রধান নিয়ামক।’
ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতিকে সিরিয়ায় আসাদের পতনের পর রাশিয়ার নিষ্ক্রিয়তার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। জার্মানির ব্রেমেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক নিকোলাই মিত্রোখিনের মতে, গত আগস্টে আলাস্কার অ্যাঙ্কোরেজে ট্রাম্প ও পুতিনের বৈঠকেই হয়তো প্রভাব বলয় ভাগাভাগির বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল। এর বিনিময়ে হয়তো ইউক্রেন প্রশ্নে রাশিয়াকে যুক্তরাষ্ট্র কিছু ছাড় দেবে এবং ভবিষ্যতে রাশিয়ার আর্কটিক অঞ্চলে যৌথ জ্বালানি উন্নয়নের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
এদিকে কার্নেগি এনডাউমেন্টের বিশ্লেষক গালিয়া ইব্রাগিমোভা মনে করেন, মাদুরোকে ছেড়ে দিলেও ট্রাম্পের সঙ্গে পুতিনের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হবে না। বরং এই ঘটনা পুতিনের নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়াবে এবং তিনি আরও সতর্ক হবেন।
সব মিলিয়ে মাদুরোর পতনকে রাশিয়াপন্থী বিশ্লেষকেরা পশ্চিমা ‘সাম্রাজ্যবাদের’ উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরছেন। তবে বাস্তবে এটি পুতিনের মিত্রনীতি, শক্তির রাজনীতি ও পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ডেলটা ফোর্স কমান্ডোদের অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে শয়নকক্ষ থেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বিশ্ব রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নীরবতা বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে। মাদুরোকে বর্তমানে নিউইয়র্কের আদালতে মাদক পাচার মামলায় বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র বলে মস্কো প্রচার করে আসলেও তাঁর ব্যাপারে পুতিন প্রকাশ্যে একটি কথাও বলেননি।
ঘটনাটি ঘিরে রাশিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ব্যঙ্গাত্মক মিম ভাইরাল হয়েছে। এই মিমে ‘আমরা আমাদের লোকদের ছেড়ে যাই না’—পুতিনের এমন একটি উক্তির পাশে তাঁর সঙ্গে সাবেক মিত্রদের ছবি জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এসব মিত্রের তালিকায় আছেন লিবিয়ার প্রয়াত নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি, সিরিয়ার বাশার আল-আসাদ এবং ইউক্রেনের ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ। সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে মাদুরোর ছবি, যাকে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অপহরণ করেছে বলে অভিযোগ।
মাদুরোকে ধরে নিয়ে যাওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় রাশিয়ার সরবরাহ করা বুক-২ এমএ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও রাডার ধ্বংস করে দেয়। রাশিয়া ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তিও আছে। তবে এই চুক্তিতে সরাসরি সামরিক সহায়তার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভেনেজুয়েলার ঘটনাটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য সশস্ত্র আগ্রাসন’ বললেও পুতিন নিজে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।
বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে রাশিয়ার আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দীর্ঘ মেয়াদে তারা লাভবান হতে পারে। লন্ডনভিত্তিক থিংক ট্যাংক সেন্ট্রাল এশিয়া ডিউ ডিলিজেন্সের প্রধান আলিশের ইলখামভ বলেন, ‘মাদুরো ছিলেন লাতিন আমেরিকায় পুতিনের সবচেয়ে অনুগত মিত্র। তাঁর পতনে পুতিনের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে। তবে পুতিনের কাছে এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো নতুন বিশ্বব্যবস্থা, যেখানে শক্তিই প্রধান নিয়ামক।’
ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতিকে সিরিয়ায় আসাদের পতনের পর রাশিয়ার নিষ্ক্রিয়তার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। জার্মানির ব্রেমেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক নিকোলাই মিত্রোখিনের মতে, গত আগস্টে আলাস্কার অ্যাঙ্কোরেজে ট্রাম্প ও পুতিনের বৈঠকেই হয়তো প্রভাব বলয় ভাগাভাগির বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল। এর বিনিময়ে হয়তো ইউক্রেন প্রশ্নে রাশিয়াকে যুক্তরাষ্ট্র কিছু ছাড় দেবে এবং ভবিষ্যতে রাশিয়ার আর্কটিক অঞ্চলে যৌথ জ্বালানি উন্নয়নের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
এদিকে কার্নেগি এনডাউমেন্টের বিশ্লেষক গালিয়া ইব্রাগিমোভা মনে করেন, মাদুরোকে ছেড়ে দিলেও ট্রাম্পের সঙ্গে পুতিনের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হবে না। বরং এই ঘটনা পুতিনের নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়াবে এবং তিনি আরও সতর্ক হবেন।
সব মিলিয়ে মাদুরোর পতনকে রাশিয়াপন্থী বিশ্লেষকেরা পশ্চিমা ‘সাম্রাজ্যবাদের’ উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরছেন। তবে বাস্তবে এটি পুতিনের মিত্রনীতি, শক্তির রাজনীতি ও পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

বিশ্বের যে কোনো দেশের তুলনায় সবচেয়ে বড় প্রমাণিত তেল মজুত রয়েছে ভেনেজুয়েলায়—প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ব্যারেল। দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বিপুল তেলসম্পদের ওপর কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি তুলেছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চান গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আসুক। কিন্তু সমস্যা হলো, গ্রিনল্যান্ড ঐতিহাসিকভাবেই ডেনমার্কের অন্তর্ভুক্ত, আর বেশির ভাগ গ্রিনল্যান্ডবাসী যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চান না।
১০ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে দায়ের করা বহুল আলোচিত ফৌজদারি মামলাটি গত ছয় বছর ধরেই কার্যত স্থবির ছিল। সম্প্রতি তাঁকে আটক করে নিউইয়র্কের ম্যানহাটন ফেডারেল আদালতে হাজির করা হলেও, এই মামলা বিচারে যেতে আরও বহু বছর লেগে যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইন
১ দিন আগে
দশকের পর দশক ধরে ভারত—কখনো প্রকাশ্যে, কখনো নীরবে—খালেদা জিয়ার ‘দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধের’ বিরোধিতা করে এসেছে। বাংলাদেশে খালেদা জিয়া তাঁর সমর্থকদের বড় অংশের কাছে ছিলেন আশির দশকে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক, যার পথ ধরে তিনি ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় আসেন।
১ দিন আগে