কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত টানেল পার হতেই চোখে পড়বে চায়না ইকোনমিক জোন। রাস্তার মাথায় একটা টং দোকান। বিকেল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দোকানে থাকে মানুষের ভিড়। ভিড়ের কারণ একটাই—‘মা-বাবার দোয়া’ নামের একটি চটপটির দোকান। দোকানের মালিক ৫০ বছর বয়সী মো. আইয়ুব। খড়ের ছাউনি দেওয়া সাদামাটা দোকান, কিন্তু তাঁর হাতে তৈরি চটপটির স্বাদ আকৃষ্ট করে সবাইকে।
বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এখানে আসে তাঁর তৈরি চটপটি খেতে। চটপটিটা কত মজার, তা বোঝা যায় একটি তথ্য থেকে। যাঁরা এই এলাকা ছেড়ে দেশের অন্য কোথাও কিংবা বিদেশে চলে গেছেন, তাঁরাও এখানে এলে চটপটি খেয়ে যান। ১ লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে তিনি শুরু করেছিলেন এই ব্যবসা।
ছবি ও তথ্য: মো. ইমরান হোসাইন, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম)

২১ ফেব্রুয়ারির আগে-পরের বছরগুলোজুড়ে নানা কিছু ঘটছিল। এখন এসে দিনগুলোতে ফিরে গেলে শিহরণ বোধ করি, বাংলা ভাষা নিয়ে এখন কিছু হতে দেখলে সেসব দিনে ফিরে যাই। তেমনই একটা হলো ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ সমাবর্তন সভা। পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল জিন্নাহ ঘোষণা দিলেন—ঢাকাতেই, উর্দু পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।
৪ ঘণ্টা আগে
২১ ফেব্রুয়ারি আমতলার সভায় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন গাজীউল হক। ভাষা আন্দোলন বিষয়ে তিনি লিখেছেন, ‘ভাষা আন্দোলন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এ আন্দোলন ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে। ১৯৪৭ সালে এ আন্দোলনের বুনিয়াদ রচনা হয়। ১৯৪৮-এ আন্দোলনের অঙ্কুরোদ্গম হয়। ১৯৫২ সালে এ আন্দোলন এক বিরাট মহীরূহে পরিণত হয়।
১ দিন আগে
বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ দেখা যায় কবি ফররুখ আহমদের মধ্যে। ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের সওগাতে তিনি ‘পাকিস্তান: রাষ্ট্রভাষা ও সাহিত্য’ নামে প্রবন্ধে লিখেছিলেন, ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে, এ নিয়ে যথেষ্ট বাদানুবাদ চলছে আর সবচাইতে আশার কথা এই যে, আলোচনা হয়েছে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে...
৬ দিন আগে
১৯৪৭ সালের ৩০ জুন দৈনিক আজাদে ছাপা হওয়া ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রবন্ধে আবদুল হক লিখেছিলেন, ‘পাকিস্তানের সবচেয়ে প্রচলিত ভাষা পাঁচটি। বেলুচি, পশতু, সিন্ধি, পাঞ্জাবি ও বাংলা। পশ্চিম পাকিস্তানে উর্দু ভাষা নেই, তা নয়, বাংলাও আছে। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের তো নয়ই, পশ্চিম...
১৫ দিন আগে