‘দ্য হোমকামিং’ নাটকের প্রথম লাইন হলো ‘কাঁচিগুলো নিয়ে তুমি আলোর মধ্যে ছায়ার মতোকী করলে?’
‘ওল্ড টাইমস’-এর প্রথম লাইনটি একটি শব্দের ‘অন্ধকার।’
এই দুটি ক্ষেত্রেই এর বেশি কোনো তথ্যের নির্মাণ আমার কাছে নেই। প্রথমটির ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যাচ্ছে, কোনো একজন একজোড়া কাঁচি খুঁজছে। সেগুলো সম্পর্কে জানতে চাইছে এবং সন্দেহ করছে যে অন্য একজন তা চুরি করেছে। তবে কোনোভাবে আমি জানতাম যে যাকে প্রশ্নটা করা হচ্ছে, তার কাঁচি নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই অথবা প্রশ্নটা নিয়েও নয়।
‘অন্ধকার’ শব্দটির মাধ্যমে আমি কারও বর্ণনা দিতে চেয়েছিলাম, কোনো নারীর চুলের। এটা একটা প্রশ্নের উত্তর। এই দুটি ক্ষেত্রেই আমি বাধ্য হয়েছিলাম বিষয়গুলোকে এগিয়ে নিয়ে যেতে। চোখের সামনে ঘটেছিল সব, খুবই ধীরে এবং আবছাভাবে, আলোর মধ্যে ছায়ার মতো।
সব সময়ই নাটকের চরিত্রগুলোর ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ নাম দিয়ে শুরু করি আমি। ‘দ্য হোমকামিং’ নাটকে শুরুতেই আমি দেখতে পাই একজন পুরুষ সাধারণ একটি ঘরে ঢুকে এ প্রশ্নটি করছে অপেক্ষাকৃত অল্পবয়স্ক একজন ছেলেকে। যে কিনা একটি বিচ্ছিরি সোফায় বসে ঘোড়দৌড়ের কাগজ পড়ছে। আমার সন্দেহ হয়, ‘এ’ হলো বাবা এবং ‘বি’ তার ছেলে। কিন্তু আমার কাছে তো কোনো প্রমাণ নেই। একটু পরেই সেটা প্রমাণ হয়ে যায়, যখন ‘বি’ (পরে যার নাম হয় লেনি) ‘এ’কে (পরে যার নাম হয় ম্যাক্স) বলে, ‘বাবা, কিছু মনে কোরো না, আলোচনার বিষয়টা বদলাতে পারি? একটা কথা জিজ্ঞেস করতে চাই। এর আগে রাতে যে ডিনারটা খেলাম, তার নাম কী? কী বলো সেটাকে তুমি?’ ‘কেন, তুমি একটা কুকুর কিনছ না? তুমি কুকুরদের রাঁধুনি আসলে! সত্যি বলছি। ভাবো যে তুমি অনেকগুলো কুকুরের জন্য রাঁধছ।’ ফলে ‘বি’ যখন ‘এ’কে বাবা ডাকছে, আমার মনে করে নেওয়ার সংগত কারণ রয়েছে, এরা বাপ-ছেলে। এ অবশ্যই একজন রাঁধুনি এবং যার রান্নার উচ্চ প্রশংসা হয় না! তার মানে কি মা নেই এখানে? জানি না।
ব্রিটিশ নাট্যকার, পরিচালক ও অভিনেতা হ্যারল্ড পিন্টার ২০০৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।

একসময় ক্যামেরুনের উপকূলীয় অঞ্চলের ডুয়ালা উপজাতি এবং সাওয়া জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী খাবার ছিল এনডোলে। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় খাবারটির চমৎকার স্বাদের কারণে পুরো দেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায় এবং ক্যামেরুনের জাতীয় খাবারে পরিণত হয়। ডুয়ালা ভাষায় এনডোলে মানে তিতা পাতা।
৫ দিন আগে
শত শত বছর আগে আরবের মরুভূমিতে ঘুরে বেড়ানো বেদুইনদের কাছে আধুনিক উপায়ে খাবার সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। তারা যখন শিকার করত বা পশু জবাই করত, তখন এগুলোর মাংস যেন নষ্ট না হয়ে দীর্ঘদিন ভালো থাকে ও সহজে বহন করা যায়, সেজন্য মাটির নিচে মাংস রান্নার এক পদ্ধতি আবিষ্কার করে তারা।
১০ দিন আগে
এস্তোনিয়ায় রাই বা কালো রুটি সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার। সে দেশের নাগরিকেরা প্রতিদিন খাবারের তালিকায় রাখে এটি। এই রুটির নাম লেইব। এটি মূলত কালো রাই আটা, পানি, লবণ ও টক খামির দিয়ে তৈরি হয়। ঘনত্ব বাড়াতে অনেক সময় এতে বীজ বা ওটস মেশানো হয়। খামিরটি দীর্ঘ সময় ধরে, প্রায় ১৮ থেকে ২৪ ঘণ্টা গাঁজানো হয়।
১১ দিন আগে
অনেকে গরম-গরম স্যুপ ও নুডলস খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু উত্তর কোরিয়াবাসীর কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার ঠান্ডা নুডলস। তাঁদের এই ঠান্ডা নুডলসের নাম পিয়ংইয়ং ন্যাংমাইয়ন। বাকহুইট বা ঢেমশির আটা থেকে তৈরি লম্বা লম্বা সেদ্ধ নুডলস ছেড়ে দেওয়া হয় হালকা স্বাদের ঠান্ডা গরু বা শূকরের মাংসের ঝোল এবং মুলার...
১৮ দিন আগে