২১ মার্চ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে ঢাকায় এলেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রধান জুলফিকার আলী ভুট্টো। তিনি এসে বললেন, ‘সব কুছ ঠিক হো যায়ে গা।’ ২২ মার্চ ভুট্টোর উপস্থিতিতে মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক হলো। সবাই ভাবছিল, এইবার বুঝি একটা বোঝাপড়ার দিকে এগোচ্ছে আলোচনা।
সংকট এখন নিরসনের পথে ভেবে কেউ কেউ ফেলছিলেন স্বস্তির নিঃশ্বাস। ইত্তেফাক সেদিন পূর্ব পাকিস্তানকে ‘বাংলা দেশ’ নামে অভিহিত করে লেখে, ‘প্রেসিডেন্ট দুই-একদিনের মধ্যেই বাংলা দেশ এবং পশ্চিম পাকিস্তানের নেতাদের এক যৌথ বৈঠকে মিলিত করার চেষ্টা করিতে পারেন। ভুট্টোর এ দিনের কথাবার্তা নিয়ে ইত্তেফাক যে রিপোর্টটি প্রকাশ করে, তার শিরোনাম দেওয়া হয় ‘দুর্বোধ্য’।
ছবি সৌজন্য: ইত্তেফাক, ২৩ মার্চ ১৯৭১

মুক্তিবাহিনী গড়ে ওঠার প্রথম স্ফুরণটি কিন্তু ঠিক পরিকল্পনা করে হয়নি। ২৫ মার্চ রাতে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারা দেশের নিরীহ মানুষের ওপর পাকিস্তানি সেনারা যখন হিংস্রভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে, তখন তাৎক্ষণিকভাবে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইপিআর ও পুলিশ বাহিনীর বাঙালি সদস্যরা আত্মরক্ষার জন্য রুখে দাঁড়ান।
১১ ঘণ্টা আগে
আবু তাহের মোহাম্মদ হায়দার, যিনি এ টি এম হায়দার নামেই পরিচিত, তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ২ নম্বর সেক্টরে প্রথমে সহ-অধিনায়ক এবং পরে সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। একজন গেরিলা কমান্ডার হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অভূতপূর্ব অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়।
২ দিন আগে
একাত্তরের জানুয়ারিতে ছুটি নিয়ে করাচি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন পাকিস্তান বিমানবাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান। ২৫ মার্চের কালরাতে তিনি ছিলেন নরসিংদীর পৈতৃক বাড়িতে। সে রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পৈশাচিক গণহত্যা দেখে তিনি সিদ্ধান্ত নেন দেশের জন্য কিছু করার।
৯ দিন আগে
স্মৃতিচারণা করে ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক বলেন, ‘যতদূর মনে পড়ে তখন দুটো-আড়াইটা হবে। ইউনিভার্সিটি, মেডিকেল কলেজ এবং পরিষদ ভবনসংলগ্ন এলাকা তখন ধোঁয়াচ্ছন্ন রণক্ষেত্র। মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের ১নং রুম কন্ট্রোল রুমে পরিণত হয়। মাওলানা তর্কবাগীশ, ধীরেন দত্ত, শামসুদ্দীন ও কংগ্রেস পার্টির সদস্যরা পরিষদ বয়কট...
১৩ দিন আগে