পশ্চিম আফ্রিকার দেশ টোগোতে একধরনের স্থানীয় বেগুনগাছ আছে, যার পাতার স্বাদ অনেকটা পালংশাকের মতো। একে বলা হয় বোমা। এই বোমাপাতা দিয়ে টোগোবাসী গরুর মাংসের একটি তরকারি রান্না করে। পদটির নাম বোমা দেসি। টোগোর দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় এই রান্নার উৎপত্তি হলেও বর্তমানে এটি সারা দেশে একটি পছন্দের খাবারে পরিণত হয়েছে। পদটি তৈরিতে প্রচুর পরিমাণে বোমাপাতার সঙ্গে নরম করে রান্না করা গরুর মাংস ব্যবহার করা হলেও অনেক সময় মুরগি বা ছাগলের মাংস, শুঁটকি মাছ কিংবা চিংড়িও যোগ করা হয়। লবঙ্গ, মৌরি, এলাচ, আদা এবং জোয়ান একসঙ্গে পিষে তৈরি করা বোতেনি মসলা এই তারকারি সুস্বাদু হওয়ার আসল রহস্য। সাধারণত ভুট্টার আটায় তৈরি মণ্ড আকুমে কিংবা শিমুল আলু বা মিষ্টি আলু থেকে তৈরি ফুফুর সঙ্গে পরিবেশন করা হয় বোমা দেসি। অনেকে আবার সাদা ভাত দিয়েও খেতে পছন্দ করে এটি।
ছবি সৌজন্য: ১৯৬ ফ্লেভারস

জাম্বিয়ার গ্রামীণ অঞ্চলের মানুষ ঐতিহাসিকভাবেই কৃষির ওপর নির্ভরশীল। বাড়ির আঙিনায় বা খামারে তারা প্রচুর পরিমাণে কুমড়াপাতা, মিষ্টি আলুর পাতা এবং স্থানীয় শাকসবজি চাষ করত। এসব শাক-পাতা দিয়ে তারা রান্না করে ইফিসাশি। মূলত জাম্বিয়ার উত্তরাঞ্চলের বেম্বা উপজাতির ঐতিহ্যবাহী খাবার এটি।
৭ দিন আগে
হাঁস রোস্ট করার সবচেয়ে প্রথম লিখিত উল্লেখ পাওয়া যায় চীনের উত্তর ও দক্ষিণ রাজবংশের সময়কালের একটি রান্নার বইয়ে। ১২৭১ সালে মঙ্গোল নেতা কুবলাই খান যখন ইউয়ান রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন, তখন এই খাবারটি রাজকীয় খাদ্যতালিকার অংশ হয়ে ওঠে।
১৪ দিন আগে
একসময় শিক্ষাকে একটি ফুটো পাত্র আকারে দেখা হতো, যেখানে হয়তো একজন পানি দিচ্ছে কিংবা কেউ শিক্ষাকে মন্ত্র হিসেবে দেখছেন; যার জোরে যে কেউ তাঁর নিজের মতো করে জ্ঞানের রাজ্যে হাঁটতে পারেন। ‘অন্বেষণ ও সৃষ্টি’র পথে নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত থেকে উন্নততর করে তুলতে পারেন। ওই ধারার শিক্ষার কথা বলছেন ভনহাম বোল্ডট।
২০ দিন আগে
ইউরোপীয় বা আফ্রিকানরা ক্যারিবীয় অঞ্চলে আসার বহু আগে থেকে এখানকার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রধান খাদ্য ছিল কাসাভা বা শিমুল আলু। তিতকুটে শিমুল আলু থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করে, তা কুচি করে আগুনে সেঁকে রুটি বা পিঠা তৈরি করার একটি নিজস্ব ও প্রাচীন কৌশল তাদের জানা ছিল। এই আদিবাসী রন্ধনশৈলী থেকে জন্ম হয়...
২১ দিন আগে