Alexa
শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১

সেকশন

 

শ্বাসকষ্টের স্বস্তিতে ইনহেলার

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০০

ছবি: পেকজেলস ফুসফুসের কিছু বিশেষ রোগের ক্ষেত্রে প্রায়ই দেখা যায় ট্যাবলেট বা ইনজেকশনের মাধ্যমে ওষুধ দেওয়ার চেয়ে সরাসরি ফুসফুসে ওষুধ পৌঁছালে সেটা ভালো কাজ করে। আর এখানেই প্রয়োজন পড়ে যায় ইনহেলারের। ইনহেলার একটি ওষুধ-সংবলিত উচ্চচাপযুক্ত ডিভাইস বা ক্যানিস্টার। ইনহেলার দিয়ে প্রতিটি চাপে পরিমিত পরিমাণ ওষুধ শ্বাসের মাধ্যমে সরাসরি ফুসফুসে পৌঁছানো যায়। 

কোন রোগের ক্ষেত্রে
সাধারণত সব ধরনের শ্বাসকষ্টের ক্ষেত্রে ইনহেলার ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না। যেসব ক্ষেত্রে ইনহেলার ব্যবহার করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে, তার মধ্যে রয়েছে অ্যাজমা ও ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি)। এ ছাড়া কিছু কিছু অ্যালার্জির ক্ষেত্রে ইনহেলার ব্যবহার করে কার্যকারিতা পাওয়া যায়। 

দিনে কতবার ব্যবহার
প্রয়োজনবোধে দিনে ২ থেকে ৪ বার ১ থেকে ২ চাপ করে ইনহেলার নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার।

  • ইনহেলারের ধরন
    রেসকিউ ইনহেলার: হঠাৎ দেখা দেওয়া শ্বাসকষ্টের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে যে ইনহেলার দিয়ে আরাম পাওয়া যেতে পারে সেটা রেসকিউ ইনহেলার। এগুলোতে সাধারণত কম সময়ে কাজ করে এমন ওষুধ ব্যবহার করা হয়। 
  • কন্ট্রোল ইনহেলার: মেইনটেন্যান্স ইনহেলার হিসেবেও এটি পরিচিত। আপাতদৃষ্টিতে তীব্র শ্বাসকষ্ট না থাকা অবস্থায় যে ইনহেলারগুলো ব্যবহার করে পরবর্তী শ্বাসকষ্টের আক্রমণ আটকানো যেতে পারে সেগুলো মেইনটেন্যান্স বা কন্ট্রোল ইনহেলার। 

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
প্রয়োজন ছাড়া ইনহেলার ব্যবহার করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। ফলে প্রয়োজন ছাড়া ইনহেলার ব্যবহার না করাই ভালো। তবে কখনো তেমন কিছু ঘটলে মনে রাখতে হবে, রেসকিউ ইনহেলার নিলে তেমন কোনো ক্ষতি হয় না। শুধু রোগীর হার্টবিট বেড়ে যেতে পারে, বুক ধড়ফড় করতে পারে। অন্যদিকে কন্ট্রোল ইনহেলার ব্যবহার-পরবর্তী নিয়ম না মেনে যদি বারবার নেওয়া হতে থাকে, তাহলে মুখে ঘাসহ আরও কিছু প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে।

রাতে শ্বাসকষ্ট কেন বেশি হয় 
রাতের বেলায় দেখা যায় অনেকের শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় অথবা হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এর সঠিক কারণ ঠিকভাবে খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে কিছু কিছু ফুসফুস ও হৃৎপিণ্ডের বা পাকস্থলীর রোগের ক্ষেত্রে এ রকম হতে পারে। লক্ষ করলে দেখা যায় যে রাতের বেলা আমাদের রক্ত সঞ্চালন হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের মাধ্যমে তুলনামূলক কম হয়ে থাকে। তাই এ সময়গুলোতে রক্ত ফুসফুসে জমা হয়ে যায় আর শ্বাসকষ্ট তৈরি করে। কিছু রোগের ক্ষেত্রে এ রকম হতে পারে। যেমন: 

  • হার্ট ফেইলর
  • অ্যাজমা
  • সিওপিডি
  • পালমোনারি এমবোলিজম
  •  রেসট্রিক্টিভ লাং ডিজিজ
  • পালমোনারি ইডিমা
  •  স্লিপ এপনিয়া
  •  গ্যাস্ট্রিক রিফ্লাক্স ডিজিজ।

চিকিৎসা
মূল রোগের চিকিৎসা ঠিকভাবে করলেই রাতের বেলার শ্বাসকষ্ট নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। প্রয়োজনে সি-প্যাপ বা বাই-প্যাপ মেশিন ব্যবহার করা যেতে পারে।

লেখক: রেসিডেন্ট, নেফ্রোলজি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    দাঁত রক্ষায় রুট ক্যানেল

    চোখে ছানি পড়েছে

    ফুসফুস সুস্থ রাখুন

    ব্যথা বুঝে গরম সেঁক

    বুক জ্বালাপোড়া করলে

    বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস

    ডায়াবেটিস কমানোর উপায়

    প্রথম অনুপস্থিত ২৫ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০ জনেরই বিয়ে

    ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের রক্তের সম্পর্কটা অক্ষুণ্ন থাকবে: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী 

    কলকাতায় মুক্তিযুদ্ধের ওপর মোবাইল চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন

    খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ইউপি নির্বাচনে আ. লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত  

    মেসির ৩০০ কোটির হোটেল ভেঙে ফেলার নির্দেশ

    ভান্ডারিয়ায় নিখোঁজের ১ দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার