...জীবন যদি বদল করা যেত
ভালো জীবন হতো আমার, সুখের জীবন হতো।
এ যেন শহুরে মানুষের চিরকালীন হাহাকার। আবদ্ধ যান্ত্রিক জীবনে একটু নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য তাই শহরের মানুষ এখন ভ্রমণে বেরিয়ে পড়েন। আর ভ্রমণ শুরু হয় যাত্রাপথ থেকে। তাই সেটা হওয়া চাই আরামদায়ক। কিছু জিনিস আপনার যাত্রাপথকে করে তুলবে উপভোগ্য।
নেক পিল, কুশন
এগুলো দীর্ঘ ভ্রমণে ঘাড় ও মাথাকে আরাম দেবে। কারও যদি কোমরে ব্যথা থাকে, সে ক্ষেত্রে একটি ছোট কুশন সঙ্গে রাখতে পারলে উপকার পাওয়া যাবে।
হালকা শাল, চোখের মাস্ক
যাঁদের ঠান্ডা লাগার সমস্যা বেশি, যাত্রাপথে তাঁদের অবশ্যই একটা হালকা শাল বা চাদর সঙ্গে রাখা জরুরি। এ ছাড়া যাত্রাপথে যাঁদের হালকা ঘুমিয়ে নেওয়ার অভ্যাস আছে, তাঁরা চোখের মাস্ক সঙ্গে রাখতে পারেন ভালো ঘুমের জন্য।
ভ্রমণ অ্যাপ
এমন কিছু অ্যাপ পাওয়া যায়, যেগুলো ভ্রমণের প্রতিটি অংশকে যতটা সম্ভব নির্বিঘ্ন করে তোলে। ভ্রমণের সময় ইন্টারনেটে অ্যাকসেস পাওয়া স্বস্তিদায়ক। তাই সুযোগ থাকলে ভ্রমণ অ্যাপ থেকে গন্তব্য সম্পর্কে ধারণা নিয়ে বের হওয়া উচিত।
মাউথওয়াশ ও পানির বোতল
দীর্ঘ সময় যাত্রা করতে করতে মুখে অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে। তাই যাত্রাপথ যদি দীর্ঘ হয়, তাহলে হাতের কাছে টুথব্রাশ, পেস্ট বা এজাতীয় জিনিস সঙ্গে রাখা ভালো। যাত্রাপথে নিজের জন্য একটি পানির বোতল রাখুন। এতে শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হবে না। পাশাপাশি প্লাস্টিকের বোতলের ব্যবহার এড়িয়ে চলা সম্ভব হবে।
পাওয়ার ব্যাংক
যোগাযোগ কিংবা ছবি তোলার বেশির ভাগ করা হয় মোবাইল ফোনে। ফলে স্বাভাবিক কারণে এটি এখন মানুষের আবশ্যক ভ্রমণসঙ্গী হয়ে উঠেছে। তাই ভ্রমণের সময় অবশ্যই পাওয়ার ব্যাংক সঙ্গে রাখতে হবে। মোবাইল ফোনের চার্জ শেষ হয়ে যেন আনন্দ মাটি হয়ে না যায়।
সঙ্গে রাখুন বই
কেউ বই হাতে নিয়ে পড়তে ভালোবাসেন, আবার অনেকে ই-বুক পছন্দ করেন। যাঁর যেভাবে বই পড়তে ভালো লাগে, তেমন কিছু বই যাত্রাপথে সঙ্গে রাখুন। ভ্রমণ আনন্দদায়ক হয়ে উঠবে।

ঈদের দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে অনেকে কর্মস্থলে ফিরেছেন। কেউ কেউ ফিরবেন আরও কয়েক দিন বাদে। দীর্ঘ অবসরের পর আবার রোজ সকালে হন্তদন্ত হয়ে অফিসের পথে পা বাড়ানো। আবার একগাদা ফাইলে মুখ গুঁজে বসে থাকার দিন শুরু হলেও কিছুতেই আপনার শরীর ও মন বুঝতে পারছে না, ছুটি আসলেই শেষ। উৎসবে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আনন্দঘন সময়...
২ ঘণ্টা আগে
ঈদের টানা ছুটি কাটিয়ে এবার কাজকর্মে ফেরার পালা। একই সঙ্গে ঈদের খাওয়াদাওয়ার ফলে খানিক ভারী হয়ে যাওয়া শরীরকে আগের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ও বটে। উৎসবে বেশি খাওয়া হবে, তা নিয়ে অপরাধবোধে না ভুগে বরং ধীরেসুস্থে স্বাস্থ্যকর জীবনে ফেরার চেষ্টা করুন।
১ দিন আগে
একদিকে সূর্যের তেজ, অন্যদিকে পড়ার চাপ—দুটোই চলছে। গরমে সন্তানকে সুস্থ রাখতে বাড়তি যত্ন নিতে হবে। এই গরমে শিশুদের যেমন পরিচ্ছন্নতা মেনে চলার জন্য বোঝাতে হবে, তেমনি ডায়েট এবং দৈনন্দিন জীবনযাপনও করে তুলতে হবে আবহাওয়া উপযোগী।
১ দিন আগে
কোরবানির ঈদ শেষ। মাংস কাটাকাটি, মসলা তৈরি, রান্না, পরিবেশন, পরিচ্ছন্নতার ব্যাপক চাপ আর গরম—এই সবকিছু মিলিয়ে ত্বকের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে গেছে নিশ্চয়। এবার নজর দিন নির্জীব হয়ে যাওয়া ত্বকের দিকে।
১ দিন আগে