শেখ হাসিনা সরকারের আমলে রাজনৈতিক কারণে বঞ্চিত বিসিএসের বিভিন্ন ব্যাচের ১৩১ জন কর্মকর্তাকে যুগ্ম সচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। আজ রোববার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিজ নিজ ব্যাচমেটদের পদোন্নতির তারিখ ধরে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির কথা উল্লেখ রয়েছে। পদোন্নতির তারিখ থেকেই তাঁরা সরকারের আর্থিক সুবিধা পাবেন বলেও জানানো হয়েছে।
শুধু রাজনৈতিক কারণে আওয়ামী শাসনামলের গত ১৬ বছরে প্রশাসনে পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছেন কয়েক শ কর্মকর্তা। গোয়েন্দা তদন্ত প্রতিবেদনে তাঁদের নামের সঙ্গে ‘নেগেটিভ’ উল্লেখ থাকায় বঞ্চিত করা হয়। অনেককে বছরের পর বছর ওএসডি থাকতে হয়েছে, অথবা গুরুত্বহীন পদে ফেলে রাখা হয়েছে। অনেককে বাধ্যতামূলক অবসরেও পাঠানো হয়েছে।
সম্প্রতি ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সামনে আসেন প্রশাসনে বিএনপি-জামায়াত ঘরানার বঞ্চিত কর্মকর্তারা। পরদিন ৬ আগস্ট সচিবালয়ে বৈঠক করেন পদোন্নতিবঞ্চিত অন্তত ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী।
সভায় জ্যেষ্ঠতাসহ ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির দাবি জানান তাঁরা। এরপর তাঁরা প্রশাসনে কর্মরত বঞ্চিত কর্মকর্তাদের ব্যাচভিত্তিক তালিকা তৈরি করে পদোন্নতির জন্য সচিবের দপ্তরে জমা দেওয়া হয়। তাঁদের দাবিতে গত দুই সপ্তাহে প্রশাসন ২৪০ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। আজ আরও ১৩১ জনকে পদোন্নতি দেওয়ায় এ সংখ্যা দাঁড়াল ৩৭১।
আরও খবর পড়ুন:

বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা অনুবিভাগ) নূর আহমদ বলেন, প্রিপেইড মিটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে রিবেটসহ বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। এতে গ্রাহকের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমতে পারে। বর্তমান ও ভবিষ্যতের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার অপরিহার্য।
২ মিনিট আগে
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের ভিত্তিতে জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ অনুযায়ী নবম গ্রেডে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর পিএসসির পাঠানো সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে এ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১৯ মিনিট আগে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে যে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, তা দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে শতভাগ উপযোগী হলেও একসঙ্গে সব বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত কঠিন।
২৫ মিনিট আগে
‘অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যায়নি।’ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে ‘বঙ্গভবনের ইতিহাস’ পাতায় ঢুকলে এমন বার্তা দেখা গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইটেও রয়েছে একাধিক অসম্পূর্ণ পাতা।
৩ ঘণ্টা আগে