পার্লামেন্টে পরস্পরকে সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছে পাকিস্তানের বর্তমান বিরোধী দল তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) ও জমিয়ত উলামা-ই-ইসলাম-ফজলুর রহমান (জেইউআই-এফ)। পাকিস্তান পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ জাতীয় পরিষদ ও উচ্চকক্ষ সিনেটে পরস্পরকে সহযোগিতা করবে দল দুটি। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পিটিআইয়ের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গহার আলি খানের নেতৃত্বে আসাদ কায়সার, শিবলি ফারাজ, রওফ হাসান এবং আখুন্দজাদা হুসেন ইউসুফজাইয়ের একটি প্রতিনিধিদল জেইউআই-এফের প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমানের সঙ্গে তাঁর বাসভবনে সাক্ষাৎ করে। এর পরই দুই দলের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়টি সামনে আছে।
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান প্রতিষ্ঠিত পিটিআই ও মাওলানা ফজলুর রহমান গঠিত জেইউআই-এফ ঐতিহ্যগতভাবেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। তবে চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দেশটির জাতীয় নির্বাচনের পর থেকেই নির্বাচনের ফলাফলে কারসাজি ও অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে উভয় দলের মধ্য একটি সাধারণ ঐকমত্য ছিল।
গত মাসে পিটিআই নেতা ও জাতীয় পরিষদের সাবেক স্পিকার আসাদ কায়সার জেইউআই-এফের প্রধানের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। সে সময় উভয় পক্ষ রাজনৈতিক ফ্রন্টে সহযোগিতার সম্ভাবনার বিষয়ে কমিটি স্তরে আলোচনা করতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মত হয়েছিল।
এ বিষয়ে একটি সূত্র জিও নিউজকে জানিয়েছে, পিটিআইও মাওলানার দলের সঙ্গে আলোচনার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি আলোচনা দল গঠন করেছে। যেখানে চেয়ারম্যান গহার, কায়সার, হাসান, ফারাজ ও নেতা ওমর আইয়ুব আছেন। এদিকে, জেইউআই-এফের দলে কামরান মুর্তজা, মাওলানা লুৎফুর রহমান, মুফতি ফজল গফুর, আসলাম ঘুরি ও মাওলানা আমজাদ রয়েছেন।
আরও খবর পড়ুন:

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
৮ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১৫ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩৬ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৪০ মিনিট আগে