চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তের ওপারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। গতকাল রোববার রাতে শিবগঞ্জ উপজেলার ওয়াহেদপুর সীমান্তের ওপারে ভারতীয় অংশে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল আলীম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে আজ সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তথ্য নিশ্চিত করেনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
নিহত যুবকের নাম মো. আব্দুল্লাহ। তিনি সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ নিশিপাড়ার মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে।
ইউপি সদস্য আব্দুল আলীম জানান, গতকাল রোববার রাতে আব্দুল্লাহসহ কয়েকজন বাংলাদেশি সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করেন। এ সময় বিএসএফ গুলি করলে ঘটনাস্থলেই মারা যান আব্দুল্লাহ। তবে অক্ষত অবস্থায় তাঁর সহযোগিরা বাংলাদেশি ফিরে আসে।
সীমান্ত সূত্রগুলো জানায়, পরে বিএসএফ সদস্যরা আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। আব্দুল্লাহ গরু চোরাচালানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি গরু আনতেই ভারতে যান বলে দাবি করেছে সূত্রগুলো।
এদিকে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির অনলাইনে আব্দুল্লাহর নিহত হওয়ার খবর প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বিএসএফের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে বলা হয়, ভারতের মালদা জেলার চাদনিচক ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালায়। এতে মারা যান আব্দুল্লাহ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মনির উজ জামান বলেন, ‘সীমান্ত এলাকা থেকে একজন বাংলাদেশি মারা গেছেন এমন তথ্য জেনেছি। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিএসএফকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বিএসএফ চিঠির উত্তর দেয়নি এখনো।’

কালবৈশাখী ও টানা চার দিনের ভারী বৃষ্টিতে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিস্তীর্ণ বোরো ধানের মাঠ এখন পানিতে তলিয়ে গেছে। পাকা ও আধা পাকা ধান খেতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, কোথাও কাটা ধান পানিতে ভেসে যাচ্ছে। কিছু এলাকায় মাঠে নেমে ধান কাটার সুযোগ নেই, আবার কেটে বাড়িতে তুললেও বৃষ্টির কারণে শুকাতে না পেরে
৩ মিনিট আগে
বিদ্যুৎ, গ্যাস ও ডিজেলের তীব্র সংকটে দেশের প্রধান শিল্পাঞ্চল চট্টগ্রামের শিল্প খাত গভীর চাপের মুখে পড়েছে। ঘন ঘন লোডশেডিং, গ্যাসের নিম্নচাপ, জেনারেটরনির্ভর উৎপাদন এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির ফলে শিল্পকারখানাগুলোর উৎপাদন গড়ে ২৫ শতাংশ কমে গেছে বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য মতে, একই সময়ে পরিচালন
৩৮ মিনিট আগে
কোনাপাড়া গ্রামের বালকি বিলে গিয়ে দেখা যায়, কষ্টের ফসল রক্ষায় কেউ কেউ হাঁটুসমান পানিতে নেমে, কেউ কেউ ডুবুরির মতো, আবার অনেকেই নৌকায় করে আধা পাকা ধান কাটার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ কোনো উপায় না পেয়ে হতাশ হয়ে তাকিয়ে আছেন ডুবে যাওয়া ফসলের দিকে।
১ ঘণ্টা আগে
ভুক্তভোগীদের দাবি, স্থানীয় স্বপন শরীফ. রমজান শরীফসহ কয়েক ব্যক্তি মিলে জনস্বার্থে ব্যবহৃত এই পথটি বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে ৩২টি পরিবারের প্রায় ৩০০ মানুষ কার্যত নিজ বাড়িতেই অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে